খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের মতবিনিময়

আজ ৩০ জুলাই ২০১৯খ্রি. তারিখ বেলা ২ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিদ্যমান খাল ও লেক খনন ও সংস্কার করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় খুবির খাল ও লেক খনন
করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনে গুরুত্বারোপ

মতবিনিময়কালে উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বিদ্যমান খাল খনন ও সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসন তথা পানি নিষ্কশনের সুবিধা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করেন। খাল ভরাট এবং বেদখল হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং মাঠ গবেষণার অনেক প্লট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একই কারণে জীব বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং পানি নিষ্কাশনের বাঁধা অপসারণ ও অবৈধ দখল মুক্ত করতে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান বর্তমান সরকার দেশের নদী, খাল বহমান রাখা এবং ভরাট হয়ে গেলে তা খনন করে সচল করার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদও করা হচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত উদ্যোগে গৃহীত ডেল্টা প্লানের কথা উল্লেখ করে এর আওতায় ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ টি জেলায় ছোট বড় অসংখ্য নদী ও খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে তথ্য দেন।

খুলনা জেলাতেও এ প্রকল্পের আওতায় খাল ও নদী খননের কাজ চলছে এবং কয়েকটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও সংলগ্ন খাল খননে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

একই সাথে এ সমস্ত খাল ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন সুবিধা পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, উপাচার্যের সচিব উপ-রেজিস্ট্রার হাওলাদার আলমগীর হাদী, উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) কৃষ্ণপদ দাশ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ সাইদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *