৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : আন্তর্জাতিক 

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক
বিশ্ব রাজনীতি :
১)স্নায়ুযুদ্ধের সময় ন্যটোর প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট সামরিক জোট কোনটি?
উ:ওয়ার্শ প্যাক্ট।
২)স্নায়ুযুদ্ধের সময়কাল?
উ:১৯৪৭-১৯৮৯
৪)যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয় কবে?
উ:১৯১৭ সালে(মনরো ডক্ট্রিন ত্যাগ করে)
৫)জাপান মাঞ্চুরিয়া দখলে নেয়?
উ:১৯৩১ সালে।
৬)ইতালি-জার্মানি-জাপান অক্ষশক্তি গঠিত হয় কবে?
উ:১৯৩৭ সালে।
৭। লিবিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর বিমানবাহিনী একসঙ্গে বিমান হামলা চালিয়ে তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে উৎখাত করেছিল বা‘রেসপনসিবিলিটি টু প্রোটেক্ট’ (আরটুপি) তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল কবে ?
=২০১১ সালের ১৭ মার্চ

অভিষেকেই বাজিমাত সাদমান ইসলামের। ক্রিকেটপ্রেমীরা কী বলছে দেখুন

টেস্ট ক্রিকেটের মেজাজ তাঁর রক্তের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই মিশিয়ে দিয়েছেন বাবা। এমনও বলেছিলেন, দরকার হলে শুধু টেস্ট ক্রিকেট খেলবে, অন্য কিছুর দরকার নেই।

টি-টোয়েন্টির জয়-জয়কারের এই যুগে এমন টেস্ট-পাগল বাবা আর তাঁর ছেলের গল্পটা মুগ্ধ করার মতোই

বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক শহিদুল আজ ম্যাচ শেষে বলছিলেন, ‘ওর ধৈর্য, শান্ত থাকাটা আমার কাছ থেকেই পাওয়া। টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের সংগ্রামই করতে হয়েছে বেশির ভাগ সময়ে।

এ কারণে সব সময় ওকে একটা জিনিসই শিখিয়েছি, নিজের উইকেটের মূল্যটা বুঝবা। নিজের উইকেট সহজেই হারানো যাবে না।

ইনিংস লম্বার কথাই যখন বললেন, সেঞ্চুরির প্রসঙ্গটা তুললেন এক প্রশ্নকর্তা সাংবাদিক। সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছেন বলে কোনো আক্ষেপ নেই, বরং আক্ষেপ দলকে আরও একটু বেশি সময় দিতে না-পারায়

এখনো দ্বিতীয় ইনিংস বাকি। সুযোগ তিনি পাবেন আরও একটা। তবে সাদমান যখন গলা বাড়িয়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন, বোঝাই যাচ্ছিল, তাঁর দৃষ্টিসীমা আরও অনেক দূরে।

মুশফিকুর রহিমের বিকল্প হিসেবে দলে আনা হলো লিটন দাসকে

কাল চোট পেলেও আজ সকালেও নেটে ছিলেন মুশফিক। বেশ কিছুক্ষণ নকও করেছেন, রসিকতাও করেছেন সতীর্থ বা পরিচিতদের সঙ্গে।

তবে কিপিং করতে পারবেন কি না, সেটি পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়াতেই মুশফিকের বদলে আনা হয়েছে লিটনকে। এই মুহূর্তে বিসিএলে খেলছেন লিটন, সেখান থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে তাঁকে।

গতকাল অনুশীলন করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। এক্সরেতে দেখা গেছে কোনো চিড় নেই, তবে কাল পর্যন্তও আঙুলে ব্যথা ছিল তাঁর।

আজ তাই বিকল্প হিসেবে দলে আনা হলো লিটন দাসকে।

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : আন্তর্জাতিক প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, ভার্সাই চুক্তি, হিটলার

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণ কী?
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির চ্যান্সেলর কে ছিলেন?
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি কত সালে হয়?
ট্রিটি অব পিস বলা হয় কোন চুক্তিকে?
জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা দেশ কোনটি?
হিটলার কত সালে জার্মানির ক্ষমতায় আরোহণ করেন?
গেস্টাপো কী?
হিটলার কেন ইহুদী বিদ্বেষী হয়ে উঠলেন?
জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণ করার কারণ কী?
নূরেমবার্গ ট্রায়াল কী?
জেনেভা কনভেনশন কত সালে হয়?
জেনেভা কনভেনশনের বিষয় বস্তু কী?
আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি কী?
ফ্রান্সের নরমান্ডি শহরে মিত্র বাহিনীর অবতরণকে কী বলে?
মার্শাল প্ল্যান ও মলোটভ প্ল্যান কী?
যুদ্ধু বিদ্ধস্ত পৃথিবীর আর্থ সামাজিক উন্নয়নে মুখোমুখি দুই দেশ ও দুটি আদর্শ কী?
পুজিবাদ এবং সাম্যবাদ ধারণা দুটি দুভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বললেও পৃথিবী ব্যাপী এক ধরণের যুদ্ধ তৈরি করেছিল তার নাম কী?
প্রিলি শুধু প্রিলি নয়,রিটেন ও ভাইভার ভিত্তি।
প্রাসঙ্গিক এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে কয়েকটি বিষয় নিয়ে একটু ভাবলে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আসলে হয়েছিলো ফুচকার দোকান নিয়ে। 😛 বিশ্বাস হচ্ছে নাতো? আচ্ছা দেখা যাক বিষয়টা।
মনে করা যাক ঢাকা কলেজের কয়েকটা ছেলে মিলে ইডেন কলেজের সামনে একটা ফুচকার দোকান দিল,কেমন চলবে? হুম খুব।
তাহলে খুব বেচাকেনা হচ্ছে কিন্তু। কিছুদিন পর ইডেন কলেজের একটা মেয়ের মাথায় চিন্তা খেলল, ‌‌আমাদের কলেজের সামনে এরা কেন ফুচকা বিক্রি করবে?আমরাও করব। তারাও একটা দোকান দিতে প্রস্তুত হলো।
এদিকে ঢাকা কলেজের ভাইয়েরা তো দোকান দিতেই দেবে না মেয়েদের। শুরু হলো দ্বন্দ্ব। ঢাকা কলেজ কিছু বন্ধু ডেকে নিয়ে আসলো তিতুমীর কলেজ থেকে। ইডেন কিছু বান্ধবী ডেকে নিয়ে আসলো বদরুন্নেসা থেকে। এম মধ্যে হাতাহাতিতে ঢাকা কলেজের এক ছাত্র ফান্ডিল্যান্ড মারা পরে গেলো। শুরু হলো যুদ্ধ। দেখুন,
১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপে বিশেষ করে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। শিল্প বিপ্লব মানে বিভিন্ন উৎপাদনমূখী যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন ও তা দিয়ে প্রচুর পণ্য দ্রব্য উৎপাদন। যেহেতু ইংল্যান্ড বেশ আগে থেকেই ভারত উপমহাদেশ ও এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে অনেক কলোনি প্রতিষ্ঠা করেছিল তাই তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার ছিল অনেক। বেচা বিক্রিতে কোন সমস্যা হতো না। কাঁচা মালও ওইসব জায়গা থেকেই আসতো। ১৮৫০ সালের পর জার্মানিতেও শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে। তারাও নানা পণ্য উৎপাদন করে এবং বিশ্ব বাজারে বিক্রি করতে চায়।কিন্ত ইংল্যান্ড আর রাশিয়া তাকে সে সুযোগ দিতে চায় না। এদিকে ১৮৭১ সালে খন্ড বিখন্ড জার্মানি একত্রিতহয়ে যায় বিসমার্কের নেতৃত্বে। ক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়া বাজার ধরা যাবে না এটা তারা বুঝে ফেলে। তাই নৌ ক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে তারা। এদিকে তখন অটোমান সমাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি আর সার্বিয়া-হার্জেগোভিনার মধ্যে কিছু কিছু এলাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। ঠিক এই মুহূর্তে ২৮ জুন ১৯১৪ অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ও তার স্ত্রী সোফিয়া সার্বিয়াত গিয়ে ব্ল্যাক হ্যান্ড নামের গোপন বাহিনীর হাতে খুন হয়। ব্ল্যাক হ্যান্ড ছিল সার্বিয়ার গোপন বাহিনী। ব্যস, যুদ্ধ শুরু।
তাহলে জার্মানি/প্রাশিয়া কোথা থেকে আসলো? অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সাথে জার্মানির সামরিক চুক্তি ছিল আগে থেকেই। জার্মান চ্যান্সেলর বেথম্যান এই সুযোগে ফ্রান্স আর ইংল্যান্ডকে এক হাত দেখে নিতে চেয়েছিলেন।
আর রাশিয়া-ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডও সামরিক চুক্তিতে আবদ্ধ। তারা আলাদা হয়ে গেলো মিত্র এবং অক্ষ শক্তিতে। অটোমান সম্রাজ্যের পতনের সময় সবাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান ও বাজার দখল করতে চেয়েছিল।
.
যুদ্ধ শেষ হলো,জার্মানি হলো পরাজিত। তাকে আর তার বাহিনীকে ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ২য় ভার্সাই চুক্তিতে বেধে ফেলা হলো। এই চুক্তির নাম ‌ট্রিটি অব পিস। শান্তির চুক্তি। পলিটিকাল সায়েন্সে শান্তি বলতে বোঝায়- যুদ্ধের অনুপস্থিতি। চুক্তিতে বলা হলো, জার্মানি তার অস্ত্র বাড়াতে পারবে না। বলা হলো সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো যাবে না। আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা গ্রেট ওয়ারে মদদ দেয়ার কারণে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট পরিমান জরিমানা মিত্র বাহিনীর হাতে তুলে দিতে।
.
উড্রো উইলসন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এসে বললেন,এভাবে হয় না। যুদ্ধ আর কতো দিন? এই নৈরাজ্য আর কতো দিন? এসো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন তৈরি করি,নিজেদের করি শৃঙ্খলাবদ্ধ। সবাই বলল,বাহ বেশবেশ। তৈরি হলো জাতিপুঞ্জ,লেখা হলো এর নিয়ম কানুন। কেউ এখন থেকে কাউকে এই সংগঠনের অনুমতি ছাড়া আক্রমণ করতে পারবে না। যতো রাগই হোক কাউকে মারবে না। আর, এর সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য থাকবে। এইসব আইন জাতিপুঞ্জের সদস্য দেশেরা মেনে চলবে। এবার উড্রো উইলসন সাহেব বললেন,হাঁ আমেরিকা কিন্তু এর সদস্য নয়। নিয়ম তোমাদের জন্য। আমেরিকা যা খুশি তাই করতে পারবে। আমরাতো আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ করিনি। ভদ্রদের এসব লাগে না।
. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ :
১৯৩৩ সালে জার্মানির ক্ষমতায় হিটলার আসলেন। তিনি এসে দেখলেন ভার্সাই চুক্তি আর জাতিপুঞ্জ মিলে জার্মানিকে প্রায় পঙ্গু করে দিয়েছে। আমেরিকার প্রভাবে জার্মানির ক্ষমতায় বেশিরভাগ জায়গায় ইহুদীরা বসে আছে। তিনি ভালোমন্দ না বুঝেই ইহুদীদের সরানো শুরু করলেন। জাতি সংঘ থেকে সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নিলেন। ভার্সাই চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করে লক্ষ লক্ষ অস্ত্র,বিমান, ট্যাংক তৈরী শুরু করলেন। একদিন(সেপ্টেম্বর 1939) সব শৃঙ্খল ভেঙ্গে নিজের আধিপত্য বিস্তারের জন্য পোল্যান্ডকে দিয়েই পাওয়ার গেম শুরু করলেন। শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। নিজ দেশে সব জায়গায় সেনাবাহিনী বসিয়ে ইহুদীদের খুন করতে শুরু করলেন। গেস্টাপো নামে পুলিম বাহিনী তৈরী করলেন শুধু ইহুদীদের খবর সংগ্রহ করার জন্য। এ সময় এক ১৪ বছরের ইহুদী কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক গেস্টাপো বাহিনীর অত্যাচারের কাহিনী তার ডায়েরিতে লিখতে শুরু করে। কিভাবে লুকিয়ে তারা জীবন যাপন করেছে হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে। কিভাবে কেটেছে ইহুদী পরিবারটির জীবন এতো কষ্টের মধ্যে দিয়ে। সেই ডায়রিটি আজ ইতিহাসের উৎস। আর হিটলার বিশাল গ্যাস চেম্বারে আটকে লক্ষাধিক ইহুদী মেরে হলোকাস্ট নামের ঘটনা জন্ম দিলেন। এদিকে আমেরিকা দূরে বসে ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সের কাছে অস্ত্র বিক্রি করছিল। যুদ্ধ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছিল। জার্মানির বন্ধু জাপানের বহুদিনের ইচ্ছে যে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করবে। কিন্তু আমেরিকার জন্য তা হয়ে ওঠে না। ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১ প্রায় ৩০০টি জাপানি বিমান আমেরিকার সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর পার্ল হারবার আক্রমন করে। আমেরিকাও নেমে পরে যুদ্ধে। জার্মানি এই যুদ্ধে ফ্রান্সের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু বৃটিশ আর আমেরিকান সেনারা ফ্রান্সকে বাঁচাতে ফ্রান্সের নরমান্ডি শহরে ৬ জুন লক্ষাধিক সেনা বিমানে করে এবং জাহাজে করে নামিয়ে দেয়। একে বলে ডি ডে বা ডওন ডে। সোভিয়েত ইউনিয়ন(১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত) জার্মানিকে প্রতিরোধ করার সব ব্যবস্থা করে। যুদ্ধের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্ব শান্তি নিয়ে যে কেউ ভাবছে না তা কিন্তু নয়। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট বড় বড় দেশ গুলোর সাথে আলাপ করছেন একটি স্থায়ী ও ক্ষমতাশালী আন্তর্জাতিক সংগঠন তৈরীর জন্য। তিনি ইতিমধ্যে লন্ডর ঘোষনার আয়োজন করেছেন,হয়েছে আটলান্টিক সনদ,মস্কো ঘোষনা,তেহরান কনফারেন্স। জাতিসংঘ তৈরীর কাজ অনেকটা এগিয়ে গেছে। যুদ্ধ যখন প্রায় শেষ তখন আমেরিকা আইনিস্টাইনের ফিশন ও চেইন রিএকশন তত্বের উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানী ওপেন হাইমার এর নেতৃত্বে প্রজেক্ট ম্যানহাটনের আওতায় লস এলামস নামের ল্যাবরেটরিতে পারমানবিক বোমা বানিয়ে ফেলেছে। কয়েকটি পরীক্ষা করার পর সফল হয়ে এবার যুদ্ধে ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বদল হয়ে গেছে। রুজভের্ট থাকলে হয়তো পারমানবিক বোমা ব্যবহার হতোনা। এবার ক্ষমতায় ট্রুম্যান। তার আদেশে ৬ আগস্ট এবং ৯ আগস্ট ১৯৪৫ জাপানে হিরোসিমা এবং নাগাসাকিতে লিটল বয় এবং ফ্যাট ম্যান নামের পারমানবিক বোমা ফেলা হয়। 14 আগস্ট ১৯৪৫ জাপান আত্ম সমার্পন করে। জার্মানি আরো কিছু দিন যুদ্ধ চালিয়ে গেলেও হিটলার বাহিনী আর যুদ্ধ চালাতে সক্ষম ছিল না। ৩০ এপ্রিল ১৯৪৫ হিটলার আত্মহত্যা করে বলে ধারণা করা হয়। আর অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয় নুরেমবার্গে। কিন্তু যুদ্ধ বন্দিরাওতো মানুষ! নেতাদের আদেশে তারা মানুষ মারে, না মারলে নেতারাই তাদের হত্যা করে। তাই যুদ্ধ বন্দিদের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। যুদ্ধ বন্দিদের মানবাধিকার নিশ্চিত হয়নি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে। তাই আগামীতে যেন যুদ্ধবন্দিদের মানবাধিকার রক্ষা হয় এ লক্ষ্যে ১৯৪৯ সালে পৃথিবীর ৫০ টি দেশের প্রতিনিধিরা জেনেভাতে আলোচনায় বসেন । একে বলে জেনেভা কনভেনশন।
.
যুদ্ধ শেষে বিশ্বের দেশগুলা অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তাদের নতুন করে আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমেরিকার নেতৃত্বে গড়ে উঠল বিশ্ব ব্যাংক(IBRD,IDA,MIGA,IFC,ICSID). আমেরিকা পৃথিবী গড়ার এই মহৎ পরিকল্পনা করল,তার নাম মার্শাল প্ল্যান। তাদের অস্ত্র হলো পুজিঁবাদ। সবাইকে বলল, সব উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যক্তি মালিকানায় দিয়ে দাও। মুক্ত বাজার অনুসরণ করো,গণতন্ত্রের পথে চলো। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের এই কথাগুলো পছন্দ হলো না। তারা বলল,শুধু তুমি কেন বিশ্ব অর্থণীতি গড়ে দেবে? আমি বেঁচে আছি এখনো। স্ট্যালিন সাহেব এগিয়ে আসলেন সাম্যবাদের ধারণা নিয়ে। তাদেরও ব্যাংক আছে। তার নাম কমেকন। জার্মানি সহ পুরো বিশ্ব অর্থনৈতিকভাবে উন্নত করতে তারা একটা পরিকল্পনা করল তার নাম মলোটভ প্ল্যান। এভাবে বিশ্বে পুজিবাদ আর সাম্যবাদ/সমাজতন্ত্র(কমিউনিজম) পৃথিবীর দেশে দেশে জনপ্রিয় হতে শুরু করল। পৃথিবী হয়ে গেলো দুই মেরুভিত্তিক। তাইতো কোরিয়া যুদ্ধে ১৯৫০ সালে উত্তর কোরিয়াকে সমর্থন করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, আর দক্ষিন কোরিয়াকে সমর্থনন করে আমেরিকা। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে আর আমেরিকা পাকিস্থানের পক্ষে। ১৯৯১ সাল পর্যন্ত চলা এই উত্তেজনাকে বলে স্নায়ু যুদ্ধ। এখনো তা থামেনি , চলছে নতুন রূপে।
অনেক বড় পোস্ট। ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
।।
লিখেছেন: সুমন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে খুবিতে ইনফরমেশন সেশন অনুষ্ঠিত

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ ও ভিসা সংক্রান্ত
বিষয়ে খুবিতে ইনফরমেশন সেশন অনুষ্ঠিত

আজ ২৯ নভেম্বর বিকেল সাড়ে তিনটায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার,স্কলারশিপ ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে এক ইনফরমেশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ড্যাড (DAD) অ্যালামনাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি প্রফেসর ড. নাজমুস সাদাতের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পাওয়ার পয়েন্টে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশস্থ জার্মান দূতাবাসের কালচার এন্ড এডুকেশন অফিসার তামারা কবীর এবং ড্যাড বাংলাদেশের প্রতিনিধি রুমানা কবীর।

ইনফরমেশন সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশ নেন।

জার্মানিতে মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল প্রোগ্রামে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা কীভাবে ভর্তির সুযোগ পেতে পারে এবং স্কলারশিপ লাভ করতে পারে, তাছাড়া ভিসা ও কর্মসংস্থানের বিষয় নিয়েও প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

 

৪০ তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ২০১৯ + প্রাথমিক শিক্ষক + মাধ্যমিক শিক্ষক

প্রাথমিক শিক্ষক+ মাধ্যমিক শিক্ষক+৪০ তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ২০১৯

**অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮
————————————————–
১। মোট জনসংখ্যা = ১৬ কোটি ৮ লক্ষ।
২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
৩। পুরুষ – মহিলা অনুপাত = ১০০.৩ঃ১০০
৪। জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১০৯০ জন (বর্গ কি:মি)
৫। এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার = ২৮ জন (প্রতি হাজারে)
৬। প্রত্যাশিত গড় আয়ু = ৭১.৬ বছর
৭। সাক্ষরতার হার = ৭১%
৮। দারিদ্র্যের ঊর্ধ্বসীমা = ২৪.৩%
৯। দারিদ্র্যের নিম্নসীমা = ১২.৯%
১০। GDP প্রবৃদ্ধির হার = ৭.৬৫%
১১। চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয় = ১৭৫২ মার্কিন ডলার
১২। চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP = ১৬৭৭ মার্কিন ডলার
১৩। মূল্যস্ফীতি = ৫.৮৩% (জুলাই ১৭- এপ্রিল ১৮)
১৪। মোট ব্যাংক = ৫৭ টি
> রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি,
>বিশেষায়িত ব্যাংক ২ টি,
>বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪০ টি,
>বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি
>ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪ টি
>মোট বীমা ৭৮ টি, সরকারি জীবন বীমা ১ টি, সাধারণ বীমা ১ টি, বিদেশি বীমা ১টি।
১৫। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে = সৌদিআরব থেকে
১৫। সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় = যুক্তরাষ্ট্র
১৬। সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় = চীন
১৭। ঔষধ রপ্তানি করা হয় = ১৪৫ টি দেশে
১৮। মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা = ১৩,৮৪৬ মেগাওয়াট
১৯। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন = ৩৫,৪৭৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট -ঘণ্টা
২০। আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র = ২৭ টি
২১। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক মোট মজুদ = ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
২২। প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুদ = ২৭.৭৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
২৩। মোবাইল গ্রাহক = ১৪.৭ কোটি
২৪। ইন্টারনেট ইউজার = ৮.০৮ কোটি
২৫। বাংলাদেশ বেশি বৈদেশিক সাহায্য পায় = জাপান থেকে
২৬। সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ বেশি বৈদেশিক সাহায্য পায় = IDA থেকে
২৭। GDP তে অবদান (সাময়িক)
কৃষি = ১৪.১০%
শিল্প = ৩৩.৭১%
সেবা = ৫২.১৮%

[N.B. পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর]।
***২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট:
¤ তম: ৪৮ তম বাজেট (একটি অন্তবর্তীকালীন বাজেটসহ)
¤ বাজেট ঘোষণা/উপস্থাপন করা হয়: ০৭ জুন, ২০১৮।
¤ বাজেট পাশ : ২৮ জুন, ২০১৮।
¤ বাজেটের আকার : ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।
¤ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্ধ : ১লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

¤ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে : ৭.৮০%
¤ মূল্যস্ফীতির হার ধরা হয়েছে : ৫.৬%
¤ সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ জনপ্রশাসন : ৮৩, ৫০৯ কোটি
¤ দ্বিতীয় সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে = ৬৭,৯৪৪ কোটি
¤ করমুক্ত আয়সীমা: সাধারণ সীমা (ব্যক্তি শ্রেণি) : ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
বিশ্বকাপ ফুটবল -২০১৮
চ্যাম্পিয়ন: ফ্রান্স (গোল লাইন ৪-২, এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এ পর্যন্ত মোট ৮টি দেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।);
রানার্স আপ: ক্রোয়েশিয়া (ক্রোয়েশিয়া ইউরোপের একটি বলকান রাষ্ট্র);
তৃতীয় স্থান: বেলজিয়াম;
ফেয়ার প্লে পুরস্কার: স্পেন;
★বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের স্টেডিয়াম: লুঝকিনি স্টেডিয়াম, মস্কো;
★গোল্ডেন বল (আসরের সেরা খেলোয়ার): লুকা মড্রিচ (ক্রোয়েশিয়া);
★গোল্ডেন বুট (আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা): হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, ৬ গোল);
★গোল্ডেন গ্লাভস (আসরের সেরা গোলরক্ষক): থিওবাথ কর্তোয়া (বেলজিয়াম);
★সিলভার বল (আসরের সেরা ইমার্জিং প্লেয়ার): কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স);
★ফাইনালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: গ্রিজম্যান (ফ্রান্স);
এবারের আসরের প্রথম গোল: ইউরি গাজিনস্কি (রাশিয়া);
এবারের আসরে মোট হ্যাট্রিক: ২টি [১ম- ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (স্পেনের বিপক্ষে), ২য়- হ্যারি কেইন (পানামার বিপক্ষে)];
প্রথমবারের মতো সংযোজন: V.A.R. (Video Assistant Referee);
বিশ্বকাপ মাসকট: জাবিভাকা (ZABIVAKA), অর্থ- জংলী নেকড়ে;
বিশ্বকাপ থিম সং: Live it up (শিল্পী- নিকি জেম);
এবারের আসর: ২১তম (আয়োজক- রাশিয়া);
মোট যতটি শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হয়: ১১টি;
মোট ম্যাচের সংখ্যা: ৬৪টি;
মোট অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২টি (এদের মধ্যে মুসলিম দেশ ৭টি);
প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ: ২টি দেশ (পানামা ও আইসল্যান্ড);
দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা একমাত্র এশিয় দেশ: জাপান;
বিশ্বকাপের বলের নাম: টেলস্টার ১৮ (প্রথম রাউন্ড পর্যন্ত) এবং টেলস্টার মেচতা (দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ফাইনাল পর্যন্ত);
আগামী ২০২২ (২২তম) বিশ্বকাপ: আয়োজক দেশ- কাতার (মোট ৩২টি দেশ অংশ নেবে);
পরবর্তী ২০২৬ (২৩তম) বিশ্বকাপ: আয়োজক দেশ- মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা (মোট ৪৮টি দেশ অংশ নেবে)
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সবমিলিয়ে ৫৭+৬ = ৬৩ টি ব্যাংক আছে। কোন ধরণের ব্যাংক কতটি চলুন জেনে নেই। বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই ধরনের ব্যাংক রয়েছে।
1. তফসিলী ব্যাংক (৫৭)
2. অ-তফসিলী ব্যাংক (৬)
তফসিলী ব্যাংকঃ যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শর্তসমূহ মেনে নিয়ে এর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয় তাকে তফসিলী ব্যাংক বলে । তফসিলী ব্যাংকগুলো ব্যাংক কোম্পানী অ্যাক্ট, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০০৩) এর অধীনে কাজ করে। দেশে বর্তমানে ৫৭ টি তফসিলী ব্যাংক আছে। তফসিলী ব্যাংকগুলো নিম্নরুপ হয়ে থাকে।
1. বাণিজ্যিক ব্যাংক (৫৫)
2. বিশেষায়িত ব্যাংক (২)

বাণিজ্যক ব্যাংকঃ যে ব্যাংক জনগনের সঞ্চিত অর্থ আমানত হিসেবে রাখে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প মেয়াদী ঋণ দেয় তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। এসব ব্যাংককে স্বল্প মেয়াদী ঋণের ব্যবসায়ীও বলা হয়। বাংলাদেশে দুই ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক আছে।
1. রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬)
2. ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৪০)
3. বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক (৯)
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকঃ যে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক সরকারী উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বা সরকার কর্তৃক জাতীয়করণকৃত তাকে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
১। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
২। অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
৩। রূপালী ব্যাংক লিমিটেড

৪। জনতা ব্যাংক লিমিটেড
৫। বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
৬। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড
ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকঃ যে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক জনগনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এবং জনগন কর্তৃক পরিচালিত হয় তাকে ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে মোট ৪০ টি। এগুলোকে আবার দুই ভাগে করা যায় ।
১। প্রথাগত ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৩২)
২। ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৮)
৩২ টি প্রথাগত ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকের তালিকা নিম্নরূপ।
১। ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড
২। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড
৩। পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
৪। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
৫। ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
৬। এবি ব্যাংক লিমিটেড
৭। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
৮। উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড
৯। ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
১০। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
১১। যমুনা ব্যাংক লিমিটেড
১২। প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড
১৩। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড

১৪। ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড
১৫। আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড
১৬। দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড
১৭। এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড
১৮। মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড
১৯। প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড
২০। সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড
২১। ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড
২২। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
২৩। ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড
২৪। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড
২৫। এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড
২৬। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
২৭। মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড
২৮। ফার্মারস ব্যাংক লিমিটেড
২৯। মধুমতি ব্যাংক লিমিটেড
৩০। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
৩১। মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড
৩২। সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেড
৮ টি ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকের তালিকা নিম্নরূপ।
১। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
২। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৩। ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৪। আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড
৫। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৬। এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশ লিমিটেড
৭। সোশ্যাইল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
৮। ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড

৯ টি বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের তালিকা নিম্নরূপ।
১। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
২। হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি)
৩। সিটিব্যাংক এনএ (ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন)
৪। কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
৫। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
৬। হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
৭। ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
৮। ওরি ব্যাংক
৯। ব্যাংক আলফালাহ্
বিশেষায়িত ব্যাংকঃ বিশেষ খাতের উন্নয়নের জন্য যে সব ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করে তাকে বিশেষায়িত ব্যাংক বলে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ২ টি।
১। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)
২। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)
অ-তফসিলী ব্যাংকঃ যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম-নীতি মেনে চলার শর্তে এর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয় না তাকে অ-তফসিলী ব্যাংক বলে। দেশে ৬ টি অ-তফসিলী ব্যাংক রয়েছে।
1. আনসার ভিডিপি উন্ন্য়ন ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)
2. কর্মসংস্থান ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)
3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)
4. জূবিলী ব্যাংক
5. গ্রামীণ ব্যাংক (আধা-সরকারী)
6. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক (রাষ্ট্রায়ত্ত)

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র
==================
চলচ্চিত্রের নাম – পরিচালক
Stop Genocide জহির রায়হান
A State is Born জহির রায়হান
Liberation Fighters আলমগীর কবির
Innocent Fighters বাবুল চৌধুরী
মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ
মুক্তির কথা তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ
স্মৃতি’৭১ তানভির মোকাম্মেল ।

মুক্তিযুদ্ধোত্তর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
=================
চলচ্চিত্রের নাম – পরিচালক
ওরা ১১ জন (১৯৭২) -চাষী নজরুল ইসলাম
সংগ্রাম (১৯৭৪) -চাষী নজরুল ইসলাম
হাঙর নদী গ্রেনেড -চাষী নজরুল ইসলাম
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩) -খান আতাউর রহমান
এখনও অনেক রাত (১৯৯৭) -খান আতাউর রহমান
রক্তাক্ত বাঙ্গালি -মমতাজ বাঙ্গালি
ধীরে বহে মেঘনা -আলমগীর কবির
রূপালী সৈকত -আলমগীর কবির
কলমী লতা -শহীদুল হক খান

বাঘা বাঙ্গালি -আনন্দ
কার হাসি কে হাসে -আনন্দ
আগুনের পরশমনি -হুমায়ূন আহম্মেদ
ইতিহাস কন্যা -শামীম আখতার
আমার জন্মভূমি -আলমগীর কুমকুম
আলোর মিছিল -নারায়ণ ঘোষ মিতা
মেঘের অনেক রং -হারুনুর রশিদ
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
চলচ্চিত্রের নাম পরিচালক
একাত্তরের যীশু -নাসির উদ্দীন ইউসুফ
নদীর নাম মধুমতি -তানভীর মোকাম্মেল
হুলিয়া -তানভীর মোকাম্মেল
প্রত্যাবর্তন -মোস্তফা কামাল
পতাকা -এনায়েত করিম বাবুল
আগামী -মোরশেদুল ইসলাম
দুরন্ত -খান আখতার হোসেন
একজন মুক্তিযোদ্ধা -দিলদার হোসেন
ধূসর যাত্রা -আবু সায়ীদ
বখাটে -হাসিবুল ইসলাম হাবিব
শরৎ একাত্তর -মোরশেদুল ইসলাম

Length, Width & Duration
—————-
1. Length of Padma Bridge is — 6.15 km
2. Width of Padma Bridge is — 18.10 m.
3. Length of Jamuna Bridge is —- 4.8 km.
4. Width of Jamuna Bridge is — 18.50 m.
5. Length of Cox’s Bazar–Tekhnaf marine drive is— 80km (World’s longest)
6. Length of Proposed karnofuli tunnel— 3.4 km
7. Length of Dhaka Metro rail (MRT)—20.10km
8. Length of BRT (Bus Rapid Transit)— 20.5km
9. Duration of 7th Five year plan——2016-2020
10. Duration of Perspective Plan—–2010-2021(vision-2021)
11. Duration of SDG—-2016-2023

ফরিদপুরে ৪টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪০ জন প্রার্থী

ফরিদপুরের চারটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৪০ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী দিয়েছে ফরিদপুর-৪ আসনে ১৩ জন, ফরিদপুর-৩ আসনে ১০, ফরিদপুর-১ আসনে ১০ এবং ফরিদপুর-২ আসনে ৭জন।

বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা ও স্বতস্ফূর্ত ভাবাগেবের মধ্যে দিয়ে বুধবার ফরিদপুরের চারটি আসনে আ.লীগ বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ মনোনয়ন জমা দেওয়া উপলক্ষে জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও বিভিন্ন উপজেলার অবস্থিত সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া হয়।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর প্রার্থীদের মুখে মিষ্টি তুলে দেন সমর্থকরা।

পরে সমর্থকদের মাঝেও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

খুবিতে হেকেপ প্রকল্পের সমাপনীতে ফলাফল প্রচার শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খুবিতে হেকেপ প্রকল্পের সমাপনীতে ফলাফল প্রচার শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গবেষণা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণাঙ্গতা পায় না: ইউজিসি সদস্য

আজ ২৮ নভেম্বর সকাল ১১ টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেষ্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনে হেকেপ সিপি-৪০৩৫ প্রকল্পের সমাপনীতে ফলাফল প্রচার শীর্ষক কর্মশালা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষাদান ও গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবনা। গবেষণা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণাঙ্গতা পায় না। তাই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হয় না তাকে বিশ্ববিদ্যালয় বলা চলে না। তিনি গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের কল্যাণ। গবেষণার মাধ্যমে মানুষের সেবাদান ও বৃহত্তর কল্যাণ হয় সেদিকে গবেষকদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে ২০৫০ কোটি টাকার যে হেকেপ প্রকল্প শুরু হয়েছিলো তা শেষ হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে দেশে উচ্চশিক্ষায় দৃশ্যত পরিবর্তন সূচিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণায় আগ্রহী করে তুলতে এ প্রকল্পের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন হেকেপের মতোই নতুন আরও একটি প্রকল্প চালু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে যেখানে ইউনিভার্সিটি-ইন্ডাস্ট্রিজ যৌথ গবেষণা কার্যক্রম সবিশেষ গুরুত্ব পাবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন হেকেপ প্রকল্প কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে নির্বাচিত এবং ২ বছর ৮ মাস সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তিনি সংশ্লিষ্ট গবেষকদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব এবং সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি নতুন প্রকল্পে গবেষণা প্রকল্প লাভের জন্য এখন থেকেই চিন্তাভাবনা করার আহবান জানান। পরে তিনি এ প্রকল্পের অধীনে স্থাপিত বিশ্বমানের ল্যাব পরিদর্শন করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান সভাপতির বক্তব্যে বলেন কৃষিবর্জ্য ব্যবহার করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যে জিনিষ উদ্ভাবন করেছেন এটা এক অনন্য সাফল্য। এটা পরিবেশ ও আর্থিক দিক দিয়ে দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া আকিজ ইন্ডাস্ট্রিজ এই উদ্ভাবিত জিনিস ব্যবহারে এগিয়ে আসায় গবেষণার ক্ষেত্রে শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগেরও একটি অনন্য নজীর স্থাপিত হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়, পরিবেশ বান্ধব এবং সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক কল্যাণের ক্ষেত্রে তা হবে গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে তা বৈশ্বিক পরিবেশ ও বনজসম্পদ রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সাফল্য তথা উদ্ভাবিত এই ম্যাটেরিয়াল অচিরেই জাতির সামনে তুলে ধরতে আমরা গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর এ কে ফজলুল হক, ফরেষ্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ এনামূল কবীর। এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের সিনিয়র প্রফেসর মোঃ ওবায়দুল্লাহ হান্নান, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. আহসান হাবীব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের পিএইচডি গবেষণারত নাসিম রানা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং প্রকল্পের সাফল্যের বিভিন্ন দিক পাওয়ার পয়েন্টে তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ইনোভেশন সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রফেসর ড. মোঃ ইফতেখার শামস। এ ছাড়া সময় এ প্রকল্পের ডেপুটি ইনোভেশন সাবপ্রজেক্ট ম্যানেজার প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম এবং ইনোভেশন সাবপ্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন ডিসিপ্লিন প্রধান, সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, হেকেপ সিপি-৪০৩৫ শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের শিরোনাম হচ্ছে ডিভেলপমেন্ট এন্ড কমার্সিয়ালাইজেশন অব এনভায়রনমেন্টাল ফ্রেন্ডলি বায়োকম্পোজিটস এন্ড বায়ো-ফুয়েল ফোরাম এগ্রিকালচারাল ওয়েস্টেজ টু মিট দ্য চ্যালেঞ্জেস অব টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি। এই প্রকল্পে কৃষি বর্জ্য বিশেষ করে পাটখড়ি, ধানের নাড়া ও খড়, আখের ছোবড়া, ধৈঞ্চাসহ বিভিন্ন কৃষি ফসলের অবশিষ্টাংশ ব্যবহার করে কৃত্রিম আঠা বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সিনথেটিক উপাদান ব্যবহার ছাড়াই উন্নতমানের বোর্ড তৈরি করা হয়েছে। যা বাজারে প্রচলিত বোর্ডের চেয়ে টেকসই। এটা উৎপাদনে খরচ কম হওয়ায় তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। এ প্রকল্পের অধীনে আন্তর্জাতিকমানের ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সাথে এমওইউ এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, চীনের সাথেও আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সেমিনার ও একাধিক কর্মাশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০১৮-২০১৯ ডিসিপ্লিন পছন্দক্রম প্রকাশিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায়  A ইউনিটে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ডিসিপ্লিন পছন্দক্রম প্রকাশিত হয়েছে…
LINK
https://kuadmission.online/

BCS PREPARATION BANGLA

BCS PREPARATION

BANGLA PART 2

1. কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ? 
সিংহাসন
ভাই-বোন
কানাকানি
গাছপাকা

ans: 2
2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কি?
ভানুসিংহ
টেকচাঁদ ঠাকুর
বনফুল
মুকুন্দরাম

ans: 1
3. ‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে?
আলাওল
ফকির গরীবুল্লাহ
সৈয়দ হামজা
রেজাউদ্দৌলা

ans: 2
4. ‘শাহানামা’ এর লেখক কে?
কবি ফেরদৌসী
মওলানা রুমী
কবি নিজামী
কবি জামি

ans: 1
5. ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ বইটির লেখক কে?
নীহার রঞ্জন রায়
আর, সি, মজুমদার
অধ্যাপক আবদুল করিম
অধ্যাপকসুনীতিসেন

ans: 1
6. .যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদের দ্বারা সমাহার বোঝায়, তাকে বলে-
দ্বন্দ্ব সমাস
রূপক সমাস
বহুব্রীহি সমাস
দ্বিগু সমাস

ans: 4
7. কাজী ইমদাদুল হকের ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের উপজীব্য কী?
চাষী জীবনের করুণ চিত্র
কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন
তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী

ans: 3
8. ‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাত-বিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
শব্দ দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম

ans: 4
9. ‘একাদশে বৃহস্পতি’-এর অর্থ কী?
আশার কথা
সৌভাগ্যের বিষয়
মজা পাওয়া
আনন্দের বিষয়

ans: 2
10. উৎকর্ষতা কী কারণে অশুদ্ধ?
সন্ধিজনিত
প্রত্যয়জনিত
উপসর্গজনিত
বিভক্তিজনিত

ans: 2
11. কোন বইটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নয়?
শেষের কবিতা
দোলনচাঁপা
সোনারতরী
মানসী

ans: 2
12. শওকত ওসমান কোন উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরস্কার লাভ করেন ?
বনী আদম
জননী
চৌরসন্ধি
ক্রীতদাসেরহাসি

ans: 4
13. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
অগ্নিবীণা
বিষের বাঁশি
দোলনচাঁপা
বাঁধনহারা

ans: 1
14. বঙ্গ দর্শন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
প্যারীচাঁদ মিত্র
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রমথ চৌধুরী

ans: 2
15. কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
শর্মিষ্ঠ্যা
রাজসিংহ
পলাশীর যুদ্ধ
রক্তাক্ত প্রান্তর

ans: 4
16. কুলীন কুল সর্বস্ব নাটকটি কার রচনা?
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
দীনবন্ধু মিত্র
রামনারায়ণ তর্করত্ন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ans: 3
17. কোন শব্দে বিদেশি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে ?
নিখুঁত
আনমনা
অবহেলা
নিমরাজি

ans: 4
18. ’অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
নেতিবাচক
বিয়োগান্ত
নঞর্থক
অজানা

ans: 3
19. ‘কৌশলে কার্যোদ্ধার’- অর্থ কোনটি?
গাছে তুলে মই কাড়া
এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
ধরি মাছ না ছুই পানি
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া

ans: 3
20. .নজরুল ইসলামের সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি ?
মাহেনও
সওগাত
ধূমকেতু
কালিকলম

ans: 3