খুবিতে একাডেমিক কাউন্সেলিং এন্ড মোটিভেশন কর্মশালায় উপাচার্য

খুবিতে একাডেমিক কাউন্সেলিং এন্ড মোটিভেশন কর্মশালায় উপাচার্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতার সাথে
মূল্যবোধ,পরিমিতিবোধ ও দেশত্ববোধ থাকতে হবে

আজ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রি. তারিখ সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আউকিউএসি) উদ্যোগে প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য ৫দিনব্যাপী একাডেমিক কাউন্সিলিং এন্ড মোটিভেশন শীর্ষক কর্মশালার দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠিত হয়। আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও পাওয়ার পয়েন্টে কীইস টু সাকসেস ইন হায়ার এডুকেশন শীর্ষক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি বলেন শিক্ষাজীবনে সফলতার সাথে পেশাগত জীবনের সাফল্য নির্ভরশীল।

শিক্ষার্থীদেরকে জীবনে সফল হতে হলে প্রথম প্রয়োজন সময়ানুবর্তিতা, নিষ্ঠা এবং অনুধাবনের ক্ষমতা। একই সাথে তাদেরকে সৃজনশীল ও অনুশীলনশীল হতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিমিতিবোধ, মূল্যবোধ এবং দেশাত্মবোধ থাকাটা খুবই জরুরী। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আভিজাত্য থাকতে হবে। তাদের আচার-আচারণে,পোশাক-আশাকে যেনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ঠুটে ওঠে। তিনি ক্লাসে নিয়মতি লেখাপড়ার পাশাপাশি গ্রুপভিত্তিক পড়াশোনার উপর জোর দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রথমবর্ষ থেকে লেখাপড়ার প্রতি সিরিয়াস হওয়া এবং মাদক,জঙ্গীবাদসহ সকল অনৈতিক ও বেআইনী, রাষ্ট্রবিরোধী কাজ থেকে দূরে থাকার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার এবং কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শেখ মোঃ রজিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার। উদ্বোধনী পর্বের পর কয়েকটি সেশনে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পাওয়ার পয়েন্টে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল জব্বার, প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস, প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং পুনর্নিবেশ করেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহান। পাঁচদিনব্যাপী ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় দিনে ৫টি ডিসিপ্লিনের শিক্ষর্থীরা এই কর্মশালায় অংশ নেয়। ডিসিপ্লিনগুলো হচ্ছে স্থাপত্য, গণিত, ইংরেজি, বাংলা এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিন। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনসমূহের প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খুবিতে স্থাপিত হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল  অফিস, ইউজিসি টিমের স্থান পরিদর্শন

খুবিতে স্থাপিত হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল
অফিস, ইউজিসি টিমের স্থান পরিদর্শন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি, যৌথ শিক্ষা-গবেষণা কার্যক্রম জোরদার, বিভিন্ন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ে বিদ্যমান এমওইউ/চুক্তি কার্যক্রমের সমন্বয় ও অগ্রগতি সাধন, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর, গবেষক, বিজ্ঞানী ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সাথে যোগাযোগ সাধন এ অফিস স্থাপনের মূল লক্ষ্য। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগতমান বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যে বর্তমানে যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল অফিস স্থাপন তারই অংশবিশেষ।এই ইন্টারন্যাশনাল অফিস স্থাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহনেওয়াজ আলীর নেতৃত্বে ৫সদস্যের একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছিলে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান স্বাগত জানান। পরে আগত টিমের সদস্যবৃন্দ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোঃ কামাল হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ শাহ আলম, উপ-পরিচালক মৌলি আজাদ, সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ জামাল উদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) শেখ মোস্তাক আলী, উপাচার্যের সচিব উপ- রেজিস্ট্রার হাওলাদার আলমগীর হাদী, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের প্রশাসন শাখা প্রধান উপরেজিষ্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক, এস্টেট শাখা প্রধান উপরেজিস্ট্রার কৃষ্ণপদ দাস উপস্থিত ছিলেন। এর আগে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

খুবিতে আইটি-আইটিইএস জব ফেয়ার উদ্বোধনের পরই চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের ভিড়

খুবিতে আইটি-আইটিইএস জব ফেয়ার উদ্বোধনের
পরই চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের ভিড়

আজ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রি. তারিখ সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলার সামনে দিনব্যাপী ‘খুলনা আইটি-আইটিইএস জবফেয়ার-২০১৯’ ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি মেলার সাফল্য কামনা করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন, মেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়কারী সহযোগী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক এবং আয়োজকদের পক্ষে এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম, এনডিসি, প্রকল্প এল আইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ, অগমেডিক্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাশেদ মুজিব নোমান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর পরই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী চাকরি প্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের ভিড় শুরু হয়। এ মেলার আয়োজক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আওতায় লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লোয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স প্রজেক্ট (এলআইসিটি) এবং সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বাংলাদেশ অ্যাসেসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)। এ মেলায় শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, যশোরের ১১টি প্রতিষ্ঠানসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ২৫ টি আইটি কোম্পানির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত থেকে চাকরিপ্রার্থী আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের সাক্ষাতকার নেন এবং প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করেন।

চাকরি মেলায় যোগ দেওয়ার জন্য গত ১০ কয়েক হাজার স্নাতক অনলাইনে নিবন্ধন করেন। জব ফেয়ারের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ডব্লিউ-থ্রি ইঞ্জিনিয়ার্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আয়েশা সিদ্দিকার ক্যারিয়ার ইন আইসিটি আউটসাইট ঢাকা শীর্ষক সেমিনার এবং কাজী আইটি’র সিইও মাইক কাজীর সঞ্চালনায় কাজী আই রিক্রুইটমেন্ট আওয়ার নামে দুটি বিশেষ সেশন। এ সময় জব ফেয়ার মেলায় উপস্থিত ছিলেন এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম, এনডিসি, প্রকল্প এল আইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টিম লিডার সামি আহমেদ, অগমেডিক্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাশেদ মুজিব নোমান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ। সঞ্চালনা করেন হাসান বেনাউল ইসলাম।

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি – দৈনন্দিন বিজ্ঞান

১। চিপস এর প্যাকেট থাকে >>> নাইট্রোজেন গ্যাস
২। কোমল পানীয়তে ঝাঁঝালো ভাব ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় > কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
৩। অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রে থাকে >> কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
৪। সাবানে থাকে >> সোডিয়াম স্টিয়ারেট
৫। মানবদেহে পানি থাকে >> ৬০-৭০%
৬। ভূ-পৃষ্টের ৭১% পানি দ্বারা আবৃত।
৭। সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয় > পানিকে
৮।বরফ পানিতে ভাসার কারণ >> বরফের ঘনত্ব পানি অপেক্ষা কম ।
৯। ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম >> ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরেট ।
১০। টেস্টিং সল্টের রাসায়নিক নাম >>মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট ।
১১। জমির অম্লতা দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয় >> চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট ।
১২। টুথপেস্টে কি থাকে >> ফ্লুরাইড।
১৩। সাপের উপদ্রব কমাতে ব্যবহৃত হয় >> কার্বোলিক এসিড।
১৪। রাজাম্ল বা অ্যাকোয়া রিজিয়া কি?
= তিন ভাগ আয়তনের গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও ১ভাগ নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ ।
১৫। আয়নার পিছনে কিসের প্রলেপ দেওয়া থাকে ?
= পারদের । প্রচলিত উত্তর সিলভার বা রুপা
১৬। খাদ্য দ্রব্য পঁচে যাওয়ার জন্য দায়ী >> ব্যাকটেরিয়া।
১৭। পিকলিং কী?
= ব্যাকটেরিয়া রোধক তরল পদার্থ যেমন ভোজ্য তেল , ভিনেগার, ও মরিচ মসলার মিশ্রণে সিদ্ধা কাঁচা ফলকে সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকে পিকলিং বলে।
১৮। বাংলাদেশের প্রথম Genetically Modified ( GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
= বিটি বেগুন।
১৯। Bio – terrorism কি?
= জী্বানু দ্বারা অন্যকে আক্রান্ত করা । মূলত িএ্যানথ্রাক্স ও প্লেগ রোগের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত করাকে বোঝায়। সন্ত্রাসবাদের নতুন অস্ত্র এটি।
.
২০। মানুষ কালো ও ফর্সা হওয়ার কারণ কি?
= মানবদেহে মেলানিন নামক এক প্রকার রঞ্জক পদার্থে উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি ।
২১। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাসকে কি বলে?
= এ্যানিমিয়া
২২। বিপদ মোকাবেলায় কোন হরোমন সহায়তা করে ?
= অ্যাড্রেনালিন
২৩। মেরাসমাস রোগ কাদের হয় ?
= শিশুদের ( প্রোটিনের অভাবে)
২৪। মাইক্রো প্রসেসর তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
– সিলিকন বা সিলিকা বা বালু
২৫। বৈদ্যুতিক হিটারে যে তার ব্যবহৃত হয়
= নাইক্রোম
২৬। বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টে যে তার ব্যবহৃত হয়
=ট্রাংস্টেন ।
২৭। কোন শব্দ শোনার পর কানে কতক্ষণ পর্যন্ত তার রেশ থাকে?
= ০.১সেকেন্ড বা ১/১০ সেকেন্ড ।
২৮। প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উত্স ও প্রতিবন্ধের মধ্যেকার দুরত্বকত?
= ১৬.৬মিটার
২৯। মানুষের স্পষ্ট সীমার নিকট বিন্দু কত ?
= ২৫সে.মি বা ১০ ইঞ্চি।
৩০। মানবদেহের রোধ
ভিজা অবস্থায় >> ১০, ০০০ ওহম
শুকনা অবস্থায় >> ৫০, ০০০ওহম।
৩১। সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে থাকে >> নিষ্ক্রিয় গ্যাস( হিলিয়াম , নিয়ন, আর্গণ , ক্রিপটন,) তবে বর্তমানে অধিকাংশ বাল্বে নাইট্রোজেন গ্যাস দেওয়া য়। আর টিউব লাইটে থাকে আর্গন ও পারদের মিশ্রণ ।
৩২। থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পেছনের দিকে হেলে পড়ে কেন? :- স্থিতি জড়তার কারনে,
৩৩।চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন কেন? :- গতি জড়তার কারণে
৩৪।সি,জি,এস পদ্ধতিতে বলের একক :- ডাইন।
৩৫।পালতোলা নৌকা কিভাবে সম্পূর্ণ অন্যদিকের বাতাসকে এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে :- সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর করে।
৩৬. কোনটি বেশি স্থিতিস্থাপক?
– ইস্পাত > লোহা > রাবার।৩৭. অতিরিক্ত মালবোঝাই এড়ানোর জন্য জাহাজেরর গায়ে চিহ্নিত রেখাকে বলে :- প্লিমসল লাইন।
৩৮. একটি বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণ ভাবে ডোবালে পানিতে যেখানে এটি রাখা যায় সেখানেই এটি থাকে। কারণ :- বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান।
৩৯. পানির ছোট ফোটা যে গুনের জন্য গোলাকৃতির হয় :- পৃষ্ঠটান
৪০. তাপমাত্রা বাড়লে তরলে পৃষ্ঠটান হ্রাস পায়। **
৪১. টেপ রেকর্ডার এবং কম্পিউটারে স্মৃতির ফিতায় কি চুম্বক ব্যবহার করা হয় :-সিরামিক চুম্বক।
৪২. পৃথিবী একটি বিরাট চুম্বক। এ ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু থাকে দক্ষিন দিকে।
৪৩. শব্দের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি :
কঠিন > তরল > বায়বীয়
৪৪. বাতাসে উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি – বাড়ে( এই কারণে দিনের বেলায় শব্দ চেয়ে অধিক শোনা যায়)
৪৫. বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের গতি – বাড়ে।(এই কারণে বর্ষাকালে শব্দের গতিসবচেয়ে বেশি)
৪৬. শব্দের চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন বিমান :- কনকর্ড
৪৭.লোকভর্তি হল ঘরে শূন্যঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ:- শূন্য ঘরের শব্দের শোষন কম হয়।
৪৮. রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পাংক :- আসলের চেয়ে বেশি হবে।
৪৯. শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব :- ১৬.৬ মিটার
৫০. আমাদের মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল :- ০.১ বা ১/১০ সেকেন্ড।
৫১. শব্দোত্তর তরঙ্গ উৎপত্তি হয় :- কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটর এর মাধ্যমে।
৫২. আলট্রাসনোগ্রাফি কী :- ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং।
৫৩. সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাংকের কতটা পরিবর্তন হয় :-অর্ধেক হবে।
৫৪.নদীর একপাশ থেকে গুন টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনে নেয়া সম্ভব কিভাবে?:- যথাযথ হাল ঘুরায়ে।
৫৫.বাঁকা পথে অতিদ্রুত গতিশীল গাড়ি উল্টে যায় কেন? :- কেন্দ্রমুখী বলের অভাবে
৫৬.একটি হালকা ও ভারী বস্তুর ভরবেগ সমান। এদের মধ্যে কোনটির গতিশক্তি বেশি :- হালকাটির
৫৭.জেট ইঞ্জিন কোন ধরনের ইঞ্জিন:-রি-একশন।
৫৮.টেবিল টেনিস খেলায় বলের সুইয়ের কারণ কি:- বলের উপরে ও নিচে অসম চাপ সৃষ্টি
৫৯.ডিমকে দুইহাতে চেপে ভাঙ্গা যায়না কেন:- বক্র বহিরাবরণী খুব ঘাতসহ বলে।
৬০.ভূ-পৃষ্ঠের কোথায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম:- বিষুবীয়/ নিরক্ষীয় অঞ্চলে। (এই কারণে বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম)
৬১.সবচেয়ে বেশি :- মেরু অঞ্চলে( বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি)
৬২.পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরনের মান :- শূণ্য। (বস্তুর ওজন শূন্য)
৬৩.অভিকর্ষ হলো বস্তুর :- কেন্দ্রমুখী বল।
৬৪.পৃথিবীর ঘূর্ননের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়িনা কেন?:- মাধ্যাকর্ষন/ অভিকর্ষ বলের জন্য।
৬৫.একটি সরলদোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিয়ে গেলে তার দোলনকাল কত হবে :- অসীম।
৬৬.তড়িৎশক্তিকে শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত করে:- লাউডস্পীকার ( মাইক্রোফোন :- শব্দশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে)
৬৭.ফটো ইলেকট্রিক কোষের উপর আলোক পড়লে কি উৎপন্ন হয় :- বিদ্যুৎ
৬৮.সর্বাপেক্ষা দক্ষতা সম্পন্ন ইঞ্জিন :- বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চলে গেল

মাত্র ১১৭ রানের লক্ষ্য। তবু পা হড়কানোর ভয় ছিল কুমিল্লার। শুরু থেকেই তাই বড় শট নয়, বরং ঠান্ডা মাথায় প্রান্ত বদল করায় মনোযোগ ছিল তামিম ইকবালের।

ঘরের মাঠে চারটি ম্যাচে প্লে অফ নিশ্চিত করে ফেলাটাই ছিল স্বাভাবিক। সেখানে উল্টো ছিটকে পড়ার দশা! টানা তিন ম্যাচে হেরে গেল চিটাগং ভাইকিংস। টানা তৃতীয় হারে পয়েন্ট টেবিলের তিনে চলে গেল দলটি। আর ৭ উইকেটের অনায়াস জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চলে গেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে এনামুল হক বিদায় নিয়েছেন পঞ্চম ওভারেই। কিন্তু এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি কুমিল্লা এ ম্যাচ হারতে পারে। দ্রুত রান তোলার দায়িত্বটা শামসুর রহমানকে দিয়ে ইনিংসের নোঙর হয়ে রইলেন তামিম।

পেরেরাকে নিয়ে ১৪ বল আগেই মাঠ ছেড়েছেন তামিম। অবশ্য ইমরুল আউট হওয়ার পর বাকি ১০ রান একাই তুলে নিয়েছেন থিসারা পেরেরা। ৫১ বলে ৫৪ রান করা তামিমের ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ২ ছক্কা।

 

খুবিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন বাঁধনের উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন বাঁধনের উদ্যোগে বার্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি মানবতার সেবায় স্বেচ্ছায় নিবেদিত বাঁধনের সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ দিয়ে বলেন লেখা পড়ার পাশাপাশি তারা যে কাজটি করছে এটি মহত্তর। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত রাখতে এই সংগঠনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রদের সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিক্ষার্থীদের প্রতি জোরালো ভূমিকা পালন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি বাঁধনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য আহবান জানান যাতে তাদের চিত্ত প্রফুল্ল থাকে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস ও সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান সিদ্দিকী। বাঁধন সংগঠনের সভাপতি সরকার তামজীদ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সাধারণ সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব এবং বর্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আহবায়ক ও সংগঠনের সহসভাপতি রুবায়েত শারমিন ইমা বক্তব্য রাখেন। সভায় ২০১৯ সালের জন্য ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি পুরাতন কমিটির নিকট থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করে। স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন বাঁধনের নতুন কমিটির সভাপতি হলেন ইয়াছিন আহমেদ জীবু এবং সাধারণ সম্পাদক সুব্রত নন্দী আকাশ।

খুবিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কাউন্সেলিং এন্ড মোটিভেশন কর্মশালা শুরু

খুবিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কাউন্সেলিং এন্ড মোটিভেশন কর্মশালা শুরু
অনুধাবন ও অনুশীলনের অভাবে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের
মধ্যে প্রশ্ন করার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে : উপাচার্য

আজ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ খ্রি. তারিখ সকাল সাড়ে ৯ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আউকিউএসি) উদ্যোগে প্রথম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক কাউন্সিলিং এন্ড মোটিভেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও পাওয়ার পয়েন্টে কীস টু সাকসেস ইন হায়ার এডুকেশন শীর্ষক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি বলেন অনুধাবন ও অনুশীলনের অভাবে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন করার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক। যা সে পড়ছে তা অনুধাবন করতে না পারা, ব্যবহারিক ক্লাসে অংশগ্রহণ না করা বা না হওয়া, ক্লাস নিয়মিত না হওয়া বা ক্লাসে না যেয়ে কেবল নোট বা গাইড পড়া এবং ফেসবুকে শিক্ষা বিষয়ে চর্চা না করে অন্যান্য ব্যাপারে অধিক সময় ব্যয় করার কারণে এ অবস্থা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর প্রথমে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা দেখা দেয়। তবে তারা যদি সময়ানুবর্তী হয়, নিষ্ঠাবান হয়, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়, নিজের মধ্যে মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তারা যদি সৃজনশীল হয় তবে জীবনে সফল হতে পারে। তিনি ক্লাসে নিয়মতি লেখাপড়ার পাশাপাশি গ্রুপভিত্তিক পড়াশোনার উপর জোর দেন। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি দেশ-সমাজ-সংস্কৃতির বোধ ধারণ করে তাদের ভেতর দায়িত্ববোধের বিষয়টিও জাগ্রত করার আহবান জানান।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রথমবর্ষ থেকে লেখাপড়ার প্রতি সিরিয়াস হওয়া এবং মাদকসহ অনৈতিক কোনো প্রকার কর্মকান্ডে যুক্ত না হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার।

উদ্বোধনী পর্বের পর কয়েকটি সেশনে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পাওয়ার পয়েন্টে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী, প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ এবং পুনর্নিবেশ করেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহান। পাঁচদিনব্যাপী পর্যায়ক্রমে ২৯টি ডিসিপ্লিনের ১২৩০ জন শিক্ষার্থীকে এ ওয়ার্কশপে উচ্চশিক্ষায় সফলতা অর্জন ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের শিক্ষণীয়, অনুসরণীয় নিয়মাবলী, আচরণবিধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক-নির্দেশনা ও উদ্বুদ্ধ করা হবে। প্রথম দিনে ৬টি ডিসিপ্লিনের শিক্ষর্থীরা এই কর্মশালায় অংশ নেয়। ডিসিপ্লিনগুলো হচ্ছে রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান এবং নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিন। কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনসমূহের প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

খুবিতে বৈশ্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

খুবিতে বৈশ্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
জাতিসংঘ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে না পরলেও
বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীর মনন তৈরিতে সক্ষম হয়েছে : উপাচার্য

আজ ২৮ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে বৈশ্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকা: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান, ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন ডিসিপ্লিনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি বলেন বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘকে অধিকতর কার্যকরী ভূমিকা পালনের জন্য ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা প্রয়োজন। সে নিরিখে নিরাপত্তা পরিষদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রয়োজন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্য ভেটোর নামে যে ক্ষমতা আরোপ করছে তা অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক। এ পদ্ধতির অবসান দরকার। তিনি বলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার যে মহতি উদ্যোগ নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা হয় তা বিগত সময়ে অনেক ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক ভূমিকা পালন করলেও বিশ্বের কয়েকটি দেশের হাতে এবং বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র একক কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠা বা অধিকতর ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠার পর বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। এর পরিণতিতে বিশ্ব ব্যস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। অতীতে ইরান-ইরাক যুদ্ধ বা ভিয়েতনাম-কম্বোডিয়ার মধ্যেকার যুদ্ধের অবসানে জাতিসংঘ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারছে না বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় কয়েকটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের স্বার্থের কারণে মানবতা ভুলুণ্ঠিত হলেও তাদের ভূমিকা হতাশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন এমনকি আঞ্চলিক স্বার্থের কারণে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের সুপ্রতিবেশি ভারতের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত ভূমিকা পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন তবে এটা ঠিক যে জেন্ডার ইস্যুতে, শিশুদের সুরক্ষায়, নারী-পুরুষের বৈষম্য বিলোপে, নারীর ক্ষমতায়নে, হিউম্যান রাইটস প্রতিষ্ঠা, খাদ্য, আবাসনসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলা, দুর্যোগ-দুর্বিপাকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এখন অনেক ব্যাপ্তিশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তাই বলা যায়, বিভিন্ন কারণে জাতিসংঘ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে না পরলেও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীর মনন তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। জাতিসংঘই এখনও বিশ্ববাসীর ভরসার স্থল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন অফিসের সহকারী হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা, অতিক্তি জেলা প্রশাসক মোঃ ইকবাল হোসেন এবং ইউনিসেফের আঞ্চলিক মাঠ প্রধান মোঃ কফিল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিন প্রধান কাজী হুমায়ুন কবীর।

উদ্বোধনী পর্বের পর টেকনিক্যাল সেশনে সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। টেকনিক্যাল সেশনে তিনটি পেপার পাওয়ার পয়েন্টে উপাস্থাপন করেন যথাক্রমে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল জববার, ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিন প্রধান কাজী হুমায়ুন কবীর এবং আইন ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক তালুকদার রাসেল মাহমুদ। সঞ্চালনা করেন সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন রায় এবং আইন ডিসিপ্লিনের প্রভাষক পুনম চক্রবর্তী।

সেমিনারে খুলনার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, প্রশাসন, তথ্য অধিদপ্তর, ইউনিসেফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, সমাজবিজ্ঞান, ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশ নেন। এর আগে সকাল দশটায় অদম্য বাংলা চত্তর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে দিয়ে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি – কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি আশা করি কমন পাবেন
১. মাল্টিমিডিয়া কত প্রকার ?
= ২ ( লিনিয়ার (সিনেমা, ভিডিও, টিভি) , নন- লিনিয়ার (কম্পিউটার )
২. বাংলাদেশে ISP – প্রোভাইডার
= আইএসআইএন , গ্রামীন সাইবার নেট, প্রশিকা নেট , ব্র্যাক বিডি নেট , প্রদেষ্টা নেট, অগ্নি সিস্টেমস , বিওএল , কায়েফ নেট , কস্ট নেট ।
৩। ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করলে কম্পিউটারের নেটওর্য়াক কত ধরনের?
= ২ ( লোকাল এরিয়া, ওয়াইড এরিয়া)
৪। কম্পিউটারে DATE – লিখার রেঞ্জ কত ?
= ৪ বাইট
৫। কম্পাইলার কী ?
= যে অনুবাদক হাই লেভেল ভাষার উৎস তথা সোর্স কোডকে মেশিন ভাষায় তথা অবজেক্ট কোডে পরিণত করে ।
৬। ইন্টারপ্রেটার কী?
= যে অনুবাদক হাই লেভেল ভাষার উৎস তথা সোর্স কোডকে মেশিন ভাষায় তথা অবজেক্ট কোডে পরিণত করে তবে অনুবাদ পদ্ধতি প্রতিটি লাইন ভিন্ন ভিন্ন ভাবে অনুবাদ করে।
৭। কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?
= ৩ভাগে
৮। তথ্যের মৌলিক একক কী ?
= উপাত্ত
৯। ডাটাবেজের প্রাণ কী?
= টেবিল
১০ । ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম একক কী ?
= ফিল্ড
১১। কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয় কবে ?
= ১৯৭১সালে
১২। ডিজিটার সিস্টেমে মৌলিক গেট কতটি ?
= ৩টি ( অর, অ্যান্ড , নট )
১৩। BCD stands for
= Binary Coded Decimal
14. BCD -এর কোড কয়টি বিট দিয়ে গঠিত ?
= ৪বিট
১৫। বাংলা ভাষায় তথ্য বিনিময়ের সংকেত কোডিং সিস্টেম হয়
= ইউনিকোড
১৬ । ইউনিকোড -এ পৃথিবীর সকল ভাষার জন্য কতটি কোডের ব্যবস্থা করা আছে ?
= ৬৫, ৫৩৬টি ।
১৭। ASCII stands for
= American Standard Codes for Information Interchange .
১৮..ASCII – কোডে সংকেত কতটি ?
= ২৫৬টি
১৯. ASCII- কোডের কতটি ইংরেজি ভাষা হরফ, সংখ্যা , ও চিহ্ন জন্য ?
= ১২৮টি
২০ । হেক্সা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে F- এর দশমিক মান কত ?
= ১৫ ।
২১। মাল্টি টাস্কিং ও মাল্টি ইউজার সিস্টেমের জন্য যে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়
= UNIX
২২। কম্পিউটারের হার্ডওয়ার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগামের মধ্যে সমন্বয় করে
= সিস্টেম অপারেটর
২৩। সফটওয়ার সাধারণত কত প্রকার ?
= ২প্রকার
২৪. USB (Universal Serial Bus) – পোর্টের ডাটা স্থানান্তর ক্ষমতা
= ১২ মেগাবাইট /সেকেন্ড
২৫। ফায়ারওয়ার পোর্টের ডাটা স্থানান্তর ক্ষমতা
= ৭৮৬ মেগাবাইট /সেকেন্ড
26. Computer – এ কত ধরণের বাস রয়েছে ?
= ৩ধরণের । ডেটা বাস, কন্ট্রল বাস, এ্যাড্রেস বাস
২৭.উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং লিনাক্স এইগুলো কে কী বলা হয় ?
Ans:অপারেটিং সিস্টেম
২৮।সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবক কে?
– সেইমার ক্রে
– ২৯।বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম সুপার কম্পিউটার — সিডিসি-৬৬০০
– ৩০।বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রিক কম্পিউটার — ENIAC
– ৩১।পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বিশেষত্ব — কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
– ৩২।PCMCIA represents a standard for — Notebook.
– ৩৩।➺ পৃথিবীতে কোন প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তিত হয় এবং কোন কোম্পানী এটি করে? — এপসন ১৯৮১, নাম: অসবর্ন
– ৩৪।বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপ — দোয়েল।
৩৫।এক ন্যানো সেকেন্ড = এক সেকেন্ড এর একশ কোটি ভাগের এক ভাগ।
৩৬।কম্পিউটারের কাজ ভুল ফলাফল দেওয়াকে বলে – GIGO
৩৭।GIGO এর পূর্ণরূপ – Garbage In Garbage.
৩৮।কম্পিউটার সেকেন্ডে যোগ করতে পারে – দুই কোটি পর্যন্ত।
৩৯।কম্পিউটার প্রোগ্রামে, একই নির্দেশনা বারবার সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াকে বলে – লুপিং।
৪০।বাংলা ফন্ট ‘আমার বর্ণমালা’ চালু হয় কবে ? ⇨ উত্তরঃ ২১ফেব্রয়ারী ২০১৩।
৪১।বাংলাদেশে ইলেষ্ট্রনিক বুক(EBOOK)-এরযাত্রা শুরু হয় কবে ? ⇨ উত্তরঃ ২৪ এপ্রিল ২০১১ ।
৪২।বাংলাদেশে গুগল স্ট্রীট ভিউ কার্যক্রম চালু হয় কবে? ⇨ উত্তর: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩..
৪৩।জাতিসংঘ রেডি ও বাংলা কবে যাত্রা শুরু করে? ⇨ উত্তর: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩..
৪৪।বাংলা সামাজিক সেবা বেশতো (Beshto) চালু হয় কবে? ⇨ উত্তর: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩..
৪৫।VLSI কথটি হল- ⇨ উত্তরঃ Very Large System Integration
৪৬।www, HTML, DVD, ipod ইত্যাদি কোন কম্পিউটার প্রজন্মের আবিষ্কার ? ⇨ উত্তরঃ ৪র্থ
৪৭।বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন “পিপীলিকা”উদ্বোধন করা হয় কবে ? ⇨ উত্তরঃ ১৩ এপ্রিল ২০১৩।
৪৮।Blogger এর জনক -Evan Willam Belli
৪৯।কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্টান সিম্বোলিকস ইন্টারনেট জগতের প্রথম ডোমেইন ডট কম রেজিস্ট্রেশন করে কবে? ⇨ উত্তরঃ ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে।
৫০।কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান চারটি কাজ হল- ⇨ উত্তরঃ Input, processing, output and
storage
৫১।বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে পরমানু শক্তি কমিশনে স্থাপিত আইবিএম-১৬২০ কম্পিউটারটি কোন প্রকারের কম্পিউটার? অথবা, বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারটি ছিল-। ⇨ উত্তরঃ – মেইনফ্রেম
৫২।কত সালে ? কোন জেলাকে বাংলাদেশের প্রথমডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয় ? ⇨ উত্তরঃ ২০ ডিসেম্বর ২০১২ । যশোর ।
৫৩।বাংলাদেশে থ্রিজি(3G) প্রযুক্তি প্রথমউদ্বোধন করা হয় কবে ? ⇨ উত্তরঃ ১৪ অষ্টোবর ২০১২ ।
৫৪।কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান চারটি কাজ হল- ⇨ উত্তরঃ Input, processing, output and
storage
৫৫.IPOS system includes- ⇨ উত্তরঃ Input, processing, output and-Storage
৫৬।কম্পিউটার সিস্টেমের কয়টি অংশ ⇨ উত্তরঃ ২
৫৭।কম্পিউটার পদ্ধতির প্রধান দুটি অংশ হচ্ছে- ⇨ উত্তরঃ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
৫৮।মেমোরির প্রকারভেদমেমোরি সাধারণ ২ প্রকার। (১) প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি) (২) সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি)
৫৯।তথ্যপ্রযুক্তির বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতিষ্ঠাতার নাম …
1. Google — Larry Page & Sergey Brin
2. Facebook— Mark Zuckerberg
3. Yahoo— David Filo & Jerry Yang
4. Twitter— Jack Dorsey & Dick Costolo
5. Internet— Tim Berners Lee
6. Linkdin— Reid Hoffman, Allen Blue& Koonstantin Guericke

7. Email— Shiva Ayyadurai
8.Blogger— Evan Willam Belli
9. Whatsapp — Jan Koum & Brian Acton
10. Hotmail— Sabeer Bhatia
11.Mozilla Firefox— Dave Hyatt & Blake Ross
12. Wikipedia— Jimmy Wales
13. You tube— Steve Chen, Chad Hurley & JawedKarim
Tom Anderson

14.Skype— Niklas Zennstrom,Janus Friis & Reid Hoffman
15. Opera— Jon Stephenson von Tetzchner & Geir lvarsoy

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ – ৪০ তম বিসিএস প্রস্তুতি

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০১৮

বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদান রাখায় চারজনকে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০১৮’এ ভূষিত করা হয়েছে। এবছর দশটি বিভাগের মধ্যে চারটি বিভাগে অর্থাৎ কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ ও গবেষণা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য শাখায় পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

যারা পেলেন-
কবিতায় : কবি কাজী রোজী
কথাসাহিত্যে : মোহিত কামাল
প্রবন্ধ ও গবেষণায় : সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে : আফসান চৌধুরী।