খুবিতে নেদারল্যান্ডসের গবেষকদের নিবন্ধ উপস্থাপন পুকুরে মাছ চাষে ব্যবহৃত খাদ্যের ৬০ভাগই অপচয় হয়

খুবিতে নেদারল্যান্ডসের গবেষকদের নিবন্ধ উপস্থাপন
পুকুরে মাছ চাষে ব্যবহৃত খাদ্যের ৬০ভাগই অপচয় হয়

আজ ২১ মার্চ ২০১৯ খ্রি. তারিখ বিকেল সাড়ে ৩ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফররত নেদারল্যান্ডসের ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন গবেষক প্রফেসর ড. এডোলপ ডেবপোর্ট অ্যাকোয়াকালচার এবং প্রফেসর ড. মার্ক ম্যানগ্রোভ নিয়ে নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় গবেষকদ্বয়ের মধ্যে প্রফেসর ড. এডোলপ ডেবপোর্ট পুকুরে মাছ চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ফিড বিষয়ে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বনের জন্য আহাবান জানান।

তিনি বলেন পুকুরে বা পুকুরের আকারের ঘেরে মাছ চাষে যে খাদ্য দেওয়া হয় তার ৬০ভাগই অপচয় হয় যা তলানি হিসেবে মাটি এবং কিছু অংশ পানির সাথে মিশে যায়। পানিতে নাইট্রোজেনের অংশ আনুপাতিক হারে বেশি হওয়ার কারণ এটি যেমন, তেমনি মাটি দূষণের অংশ। এছাড়া মাছে ক্ষতিকর হেভিমেটালের উপস্থিতিরও কারণ এটি। তিনি এমনসব উপাদান মিশিয়ে বা ন্যাচারাল পদ্ধতিতে খাদ্য উপাদান তৈরি বা ব্যবহার করতে পরামর্শ দেন যাতে পানি, মাটির গুণাগুণ ভালো থাকে এবং পরিবেশ দূষিত না হয়।

তিনি ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও চিনের বিভিন্ন অংশে পুকুরে মাছ চাষের নমুনা উপস্থাপন করে দেখান কী পরিমাণ নাইট্রোজেন বছরে পানিতে মিশে যাচ্ছে। অপর গবেষক ম্যানগ্রোভের হুমকিসমূহ তুলে ধরেন এবং ইন্দোনেশিয়ার ম্যানগ্রোভের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেন।

সভাপতি দুইজন গবেষককে তাদের নিবন্ধ উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং এই নিবন্ধে তুলে ধরা তথ্য-উপাত্তে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থীদের প্রভূত উপকারে আসবে বলে উল্লেখ করেন। কর্মশালায় জীববিজ্ঞান স্কুলের অধীন বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

৩৭ তম বিসিএস থেকে আরো ৪০০০+ নিয়োগ আসবে। জেনে নিন

বি‌সিএস অাপ‌ডেট। অ‌ভিন্দন শুরু‌তেই। ৩৭ বি‌সিএ‌সের গে‌জেট হ‌য়ে গেল অাজ‌কে। অ‌ভিনন্দন অাপনা‌দের। ব‌লে‌ছিলাম অাপনারা এপ্রি‌লে যোগ দি‌তে পার‌বেন। স্ব‌স্তির খবর সেটাই হ‌চ্ছে। অাশা কর‌ছি স‌ত্যিকারভা‌বে মানুষের জন্য কিছু কর‌বেন। অন্য‌দি‌কে যারা ক্যাডার প‌দে চাকু‌রি পান‌নি তা‌দের ম‌ধ্যে ৫৭৮ জন‌কে ক‌য়েক‌দিন অা‌গে প্রথম শ্রেণীর নন ক্যাডার প‌দে চাকু‌রির সুপা‌রিশ ক‌রেছে পিএস‌সি। এটাও অা‌রেকটা ভা‌লো খবর।

৩৭ থে‌কে যারা এখ‌নো কিছু পান‌নি তা‌দের বল‌বো, অপেক্ষা করুন। অাশা কর‌ছি দ্বিতীয় শ্রেণীর একটা চাকু‌রি হ‌লেও অাপনারা পাবেন। সর্ব‌শেষ যে তথ্য অামি পে‌য়ে‌ছি তা‌তে দশম গ্রে‌ডের অারও ৩৯৬টা প‌দের চা‌হিদা র‌য়ে‌ছে। অার ১১ গ্রে‌ডের অা‌ছে ত্রিশটা। অার প্রধান শিক্ষক প‌দে চা‌হিদা অা‌ছে তিন হাজার ৭১৬ টা। তার মা‌নে এখ‌নো চার হাজার ১৪৩ টা প‌দের চা‌হিদা অা‌ছে। অার অা‌বেদনকারী সা‌ড়ে তিন হাজারের কম। পিএসসি‌কে ব‌লে‌ছি, স্যার অাপনারা দেখ‌বেন বি‌সিএস উত্তীর্ণ প্র‌ত্যেকটা ছে‌লে‌মে‌য়ে যেন একটা চাকু‌রি পায়। অাশা কর‌ছি পিএস‌সি অাপনা‌দের নিরাশ কর‌বে না।

এবার বা‌কি বি‌সিএসগু‌লোর কথা ব‌লি। যদিও জা‌নি না খুব বে‌শি নতুন তথ্য দি‌তে পার‌বো কী না। আপনারা জানেন ৩৮ তম বিসিএস থেকে লিখিত পরীক্ষার খাতা দুজন মূল্যায়ন করছেন। কোন নিরীক্ষকের অবহেলায় কেউ যেন বৈষম্যের স্বীকার না হন সে কারণেই এই উদ্যোগ। এই বিসিএসের প্রথম মূল্যায়ন শেষে দ্বিতীয় নিরীক্ষকের কাছে খাতা যাচ্ছে। অা‌গেও ব‌লে‌ছি, এই লিখিত পরীক্ষার ফল পেতে এপ্রিল হয়ে যেতে পারে। এর সা‌থে নতুন তথ্য যোগ ক‌রি, পিএসসি এখন চাই‌ছে এপ্রি‌লের ম‌ধ্যে ফল দি‌য়ে রোজার ম‌ধ্যে ভাইভা শুরু কর‌তে। কা‌জেই প্রস্তু‌তি নিন।

এবার আসি ডাক্তারদের জন্য বিশেষ বিসিএস ৩৯ এর আপডেটে। অাপনারা অ‌নেক‌দিন ধ‌রে ফ‌লের জন্য অ‌পেক্ষা কর‌ছেন। সর্ব‌শেষ যে তথ্য জা‌নি, এই পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল হ‌বে এপ্রিলে। সম্ভবত এপ্রি‌লের মাঝামাঝি। অার অা‌গেই ব‌লে‌ছি, পদ বাড়‌ছে না।

এবার ৪০ তম বিসিএস। রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী অা‌বেদন ক‌রে‌ছেন। অা‌গেও ব‌লে‌ছি, যেহেতু ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চল‌ছে অার পরে এইচএসসি পরীক্ষা আছে এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকবে কাজেই আমার মনে হয় না এপ্রিল মা‌সের অা‌গে এই পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। অাপনারা যারা শুনে‌ছেন সেটাই সর্বশেষ তথ্য। ৩ মে এই প‌রীক্ষার প্রাথ‌মিক তা‌রিখ নির্ধারণ ক‌রে এগু‌চ্ছে পিএস‌সি। কা‌জেই যারা অাল‌সে‌মি কর‌ছেন তারা পু‌রোদ‌মে প্রস্তু‌তি নেয়া শুরু ক‌রেন।

এবার ৪১ তম। এই বি‌শেষ না‌কি সাধারণ হ‌বে, সেই প্র‌শ্নের সরাস‌রি কোন উত্তর এখন দি‌তে পার‌বো না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় পিএস‌সি‌কে অা‌গে জা‌নি‌য়ে‌ছিল তারা বিপুল প‌রিমান ক‌লেজ শিক্ষক নি‌য়োগ দি‌তে একটা বি‌শেষ বি‌সিএস চায়। কিন্তু এরপর অার কোন সাড়াশব্দ নেই। জনপ্রশাসন এখ‌নো কিছু জানায়নি। কা‌জেই এই বি‌সিএস শুধুই বি‌শেষ এটা যারা বল‌ছে তারা কী‌সের ভি‌ত্তি‌তে বল‌ছে অা‌মি জা‌নি না।

আরেকটা পুরান কথা। অা‌গেও ব‌লে‌ছি, এখ‌নো বলি আপনারা সবাই স্বীকার করবেন যে এখন বিসিএসের মাধ্যমে কোন তদবির ছাড়াই সাধারণ ছেলেমেয়েরা চাকুরি পাচ্ছে। যার কোন তদ‌বির নেই তার জন্য অা‌ছে পিএস‌সি। সরকার পিএস‌সির নি‌য়ো‌গে কোন ধর‌নের হস্ত‌ক্ষেপ কর‌ছে অা‌মি এমনটা শু‌নি‌নি। বরং সরকা‌রের যে কয়টা সাং‌বিধা‌নিক প্র‌তিষ্ঠান অা‌ছে তার ম‌ধ্যে পিএস‌সির ব্যাপা‌রেই এখন সাধার‌ণের স‌বে‌চেয়ে বে‌শি অাস্থা।

আমার নি‌জের ভাবনাটা অা‌গেও ব‌লে‌ছি, এখ‌নো ব‌লি। বিসিএস পদ্ধতিতে আরও কিছু সংস্কার করা দরকার। বিশেষ করে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা গে‌লে খুব ভালো হবে। অার বছ‌রে একটা বি‌সিএস পরীক্ষা নি‌য়ে সেখান থে‌কে ক্যাডার, নন ক্যাডার, প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী এমন‌কি অন্য সব প‌দে নিয়োগ দেয়া উচিত। তা‌তে নি‌য়ো‌গে অ‌নিয়ম কম‌বে। একইভা‌বে ব্যাং‌কেরও একটা পরীক্ষা নেয়া উচিত। সম‌ন্বিত ব্যা‌কিং নি‌য়ো‌গে এখ‌নো য‌থেষ্ঠ সমন্ব‌য়ের অভাব। প‌রে এক‌দিন বিস্তা‌রিত লিখ‌বো।

অার নি‌য়োগ পদ্ধ‌তি নি‌য়ে অামার এতো লেখা‌লে‌খির কারণ, আমি মনে করি একটা দেশের নিয়োগ পদ্ধতি যতো ভালো হবে ততো ভালো ছেলেমেয়েরা আসবে জনপ্রশাসনে। রাষ্ট্রও এগিয়ে যাবে। এমন‌কি তৃত‌ীয় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী বা অ‌ফিস সহকারী নি‌য়োগেরও একটা সম‌ন্বিত ব্যবস্থা থাকা উচিত। তা‌তে দুর্নী‌তি কম‌বে। সেবা বাড়‌বে। আশা করছি নী‌তি নির্ধারকরা ভাব‌বেন। ত‌বে অাবারও ব‌লি, সব‌কিছু বাদ দি‌য়ে শুধু সরকা‌রি চাকু‌রি এই নী‌তি থে‌কেও সবাই‌কে বের হ‌তে হ‌বে। সবার জন্য শুভ কামনা। তারু‌ণ্যের জন্য ভা‌লোবাসা।

ব্যাংক ভাইভাতে যেসব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে জেনে নিন

  1. VIVA_VOCE EXAM ER JONNO IMPORTANT KICHU QUESTION
    ১। ব্যাংক কাকে বলে ?
    উত্তর : ব্যাংক হলো মধ্যস্থতাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান
    যা জনগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে নগদ অর্থ
    জমা রাখে এবং এদের ঋণদান করে।
    ২। ব্যাংকিং কি ?
    উত্তর : ব্যাংকের সকল কার্যক্রমকে ব্যাংকিং বলে।
    ৩। বাণিজ্যিক ব্যাংক কি ?
    উত্তর : আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদানের মাধ্যমে মুনাফা
    অর্জনের উদ্দেশ্যে যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে
    বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
    বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংক –৯ টি।
    ৬+৩= ৯ টি।
    ৪। বাণিজ্যিক ব্যাংকের পোর্টফলিও কি ?
    উত্তর : কোন বিনিয়োগকারী তার মোট মূলধনকে বিভিন্ন
    আর্থিক সম্পদে আনুপাতিক হারে বিনিয়োগ করে যে আয়
    পায় তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পোর্টফলিও বলে।
    ৫। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক
    ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৬টি (1.SBL, 2.JBL, 3.ABL, 4.RBL, 5.BDBL, 6.BASIC
    Bank)
    ৬। তফছিলি ব্যাংক কি ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স গ্রহণকারী
    ব্যাংক যা সকল বিধি বিধান যথা ন্যুনতম মূলধন,CRR, SLR,
    প্রভিশন, রিটার্ন দেয়া ইত্যাদি মেনে চলে । Cash reserve
    Ratio (CRR) এবং Statutory liquidity ratio (SLR)
    ৭। বাংলাদেশে তফছিলিভুক্ত ব্যাংক ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৫৮টি (সর্বশেষ—প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
    ৮। বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যবস্থা কি ?
    উত্তর :বিশেষ অর্থনৈতিক খাতে বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের
    জন্য যে ব্যাংক বাবস্থা পরিচালিত হয় তাকে
    বিশেষায়িত ব্যাংক বাবস্থা বলে।
    ৯। বাংলাদেশে সরকারী মালিকানাধীন বিশেষায়িত
    ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৩টি (1.BKB, 2.RAKUB,PKB)
    ১০। উন্নয়ন ব্যাংক কি ?
    উত্তর : উন্নয়ন ব্যাংক বলতে বিশেষায়িত সরকারী এবং
    বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় যারা মূলত
    বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গঠন এবং প্রসারের জন্য মধ্যম
    ও দীর্ঘমেয়াদী তহবিল সরবরাহ করে।
    ১১। বাংলাদেশের ২টি উন্নয়ন ব্যাংকের নাম বলুন।
    উত্তর : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন
    ব্যাংক।
    Part-2
    ———
    ১। সুদের হার কি ?
    উত্তর :ঋণ গ্রহণের জন্য প্রদত্ত অর্থের শতকরা হারকে
    সুদের হার বলে।
    ২। ব্যাংক হার কি ?
    উত্তর : কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে হারে তফসিলীভুক্ত
    ব্যাংকসমূহকে ঋণ প্রদান করে তাকে ব্যাংক হার বলে।
    বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক হার ৫%
    ৩। ব্যাংক হার নীতি কি ?
    উত্তর : যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক
    ব্যাংকগুলকে ঋণ প্রদান করে থাকে তাকে ব্যাংক হার
    নীতি বলে।
    ৪। ঋণ নীতি কি ?
    উত্তর :ব্যাংক জনগণের সঞ্চিত অর্থ আমানত হিসাবে
    গ্রহণ করে এবং এই আমানতের নির্দিষ্ট অংশে জনগণকে
    আবার ঋণ হিসাবে মঞ্জুর করে এজন্য ব্যাংককে ঋণ
    মঞ্জুর ও আদায়ের ক্ষেত্রে যথাযথ নীতি নির্ধারণ করতে
    হয়। এরূপ নীতিকে ঋণ নীতি বলা হয়।
    ৫। আর্থিক নীতি কি ?
    উত্তর : একটি দেশের মুদ্রার যোগান ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ
    নীতিকে আর্থিক নীতি বলে।
    ৬। খোলাবাজার নীতি কি ?
    উত্তর : কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক অর্থের যোগান
    নিয়ন্ত্রণের জন্য খোলাবাজারে হুন্ডি, শেয়ার, ঋণপত্র
    ইত্যাদি বিক্রয়ের মাধ্যমে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিকে
    খোলাবাজার নীতি বলে।
    ৭। প্রকৃত আমানত কি ?
    উত্তর : কোনো ব্যাংক তার নিজস্ব মূলধনের যে অংশ
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে তাকে প্রকৃত আমানত
    বলে।
    ৮। মুদ্রাপাচার কি ?
    উত্তর :দেশ থেকে বিদেশে অথবা, বিদেশ থেকে অবৈধ
    উপায়ে মুদ্রা স্থানান্তর করলে তাকে মুদ্রা পাচার বলে।
    ৯। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ফজলে
    কবির (১১ তম)।
    ১০। বিহিত মুদ্রা কী ?
    সরকারের পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত নোট ও
    মুদ্রাকেই বিহিত মুদ্রা।
    ১১। SDR কি ?
    উত্তর : SDR হলো কতিপয় দেশের মুদ্রার একটি গড়
    গুরুত্বসূচক ম্যান যা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল সত্তর
    দশকের শেষের দিকে চালু করে।
    ১২। ইউরো ডলার কি ?
    উত্তর :ইউরোপীও ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো একত্রিত হয়ে যে
    একক মুদ্রা চালু করেছে তাকে ইউরো ডলার বলে।
    ১৩। SDR এর পুর্ণরূপ বলুন । উত্তর : SDR এর পুর্ণরূপ Special
    Drawing Rights
    ১৪। CIB এর পুর্ণরূপ বলুন । উত্তর : CIB এর পুর্ণরূপ Credit
    Information Bureau
    ১৫। মার্ক আপ নীতি কি ?
    উত্তর :কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্য প্রতিষ্ঠানের মূল্য
    নির্ধারণ নীতির উপর ভিত্তি করে নিজস্ব সেবার মূল্য
    নির্ধারণ করে তখন তাকে মার্ক আপ নীতি বলে।
    ১৬। নিকাশ ঘর কি ?
    উত্তর :বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা-পাওনা মেটানোর
    জন্য যে প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত থাকে তাকে নিকাশ ঘর
    বলে। অন্যভাবে,
    নিকাশ ঘর হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যাতে কোনো
    নির্দিষ্ট স্থানে আনীত সব চেক ও হুন্ডির উদ্বৃত্ত পরস্পর
    দাবির বিপক্ষে যোগ-বিয়োগ করা হয়। এটি প্রাত্যহিক
    লেনদেন নিষ্পত্তির স্থান।
    ১৭। নিকাশ ঘর কে নিয়ন্ত্রণ করে ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক।
    ১৮। ঋণপত্র কি ?
    উত্তর : ঋণপত্র হচ্ছে ঋণ প্রদানকারী ও ঋণ গ্রহণকারীর
    মধ্যে এমন একটি চুক্তিপত্র যার মধ্যে ঋণকৃত অর্থের
    পরিমাণ, সুদের হার, মেয়াদ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
    Courtesy – Mithun Chakroborthy

যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা জোরদারে ঐকমত্য খুবি উপাচার্য সকাশে নেদারল্যান্ডসের ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক প্রতিনিধিদল

আজ ১৯ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেদারল্যান্ডসের ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকদের একটি প্রতিনিধিদল উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতকালে ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদ্বয় যথাক্রমে প্রফেসর ড. এডোলপ ডেবপোর্ট ও প্রফেসর ড. মার্ক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স এবং পিএইচডি গবেষণারত এবং গবেষণা সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের বিষয় এবং যৌথ প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন।

উপাচার্য সফররত প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ শিক্ষা- গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র সম্প্রসারণে আগ্রহী। তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের পানি ভৌত অবকাঠামো, পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো জ্ঞান, গবেষণা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা তাদের এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষা-গবেষণায় সমৃদ্ধকরণ ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্য ত্বরান্বিত করতে চাই। তিনি ভবিষ্যতে ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সফরের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান, প্রফেসর ড. মোসাঃ মুসলিমা খাতুন, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডিরত খুবির প্রাক্তন ছাত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 


এর আগে আজ সকাল ১০ টায় স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে কচুরীপানা থেকে মূল্যসংযোজিত দ্রব্যাদির উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বিকল্প জীবীকা নির্বাহ এবং প্রতিবেশ সহনশীলতা শীর্ষক প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। নেদারল্যান্ডস এর উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ব্লু গোল্ডের ইনোভেশন ফান্ডের সহযোগিতায় গৃহীত এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। সূচনা বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য, সুযোগ এবং গবেষণা পরিকল্পনা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম। নেদারল্যান্ডসের কচুরীপানা সমস্যার অভিজ্ঞতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন ওয়াগনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এডোলপ ডেবপোর্ট। কর্মশালায় কচুরীপানার বাণিজ্যিক সম্ভাবনার বিষয় বিশ্লেষণ করে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. নূর-উন নবী। প্রারম্ভিক এই কর্মশালায় ব্লু গোল্ড প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত উপকূলীয় বাঁধ এলাকায় পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

রাজধানীর নর্দ্দায় সুপ্রভাত বাসের চাপায় এক শিক্ষার্থী নিহতে ঘটনায় আন্দোলনে রাজপথে সহপাঠিরা

রাজধানীর নর্দ্দায় সুপ্রভাত বাসের চাপায় এক শিক্ষার্থী নিহতে ঘটনায় আন্দোলনে রাজপথে সহপাঠিরা আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ইনডিপেনডেন্ট, নর্থ সাউথ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সহ আশেপাশের শিক্ষার্থীরা। এই অবস্থায় তাদের ফাঁসাতে ভিন্ন কৌশল নেয়া হয়। এক পরিবহন শ্রমিক নিজেই বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা ওই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়!

জানা যায়, আন্দোলন চলাকালে দুপুর সাড়ে ১২টার দিক সুপ্রভাত বাসেরই এক হেলপার হঠাৎ করে এসে বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এতে শিক্ষার্থীরা হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। এ নিয়ে ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে শ্রমিকের আগুন লাগানোর বিষয়টি ধরা পড়লে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়।

এদিকে বাসে আগুন দেয়া ওই শ্রমিককে ধরতে গেলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় শিক্ষার্থী পানি এনে বাসের আগুন নেভানোর চেষ্টা করে!

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা স্কুলের তিনজন শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান

আজ ১৮ মার্চ ২০১৯ খ্রি. তারিখ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবনের নীচ তলায় অবস্থিত চারুকলা স্কুলের স্মার্ট ক্লাসরুমে তিনজন শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চারুকলা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, যে তিনজন শিক্ষক চাকরিকাল শেষে বিদায় নিয়েছেন তারা ছিলেন নিভৃতচারী শিক্ষক। তারা কখনো নিজেদেরকে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের বাইরে কিছু ভাবেননি। তিনি তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্য ডিসিপ্লিনের প্রয়োজনে সাড়া দেওয়ার জন্য আহবান জানান। উপাচার্য বলেন, শিল্প, সঙ্গীত, নাট্যকলার জন্য সতন্ত্র ক্যাম্পাস প্রয়োজন। এ বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার জন্য তিনি স্কুলের শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষক যথাক্রমে শ্যামল কুমার দেবনাথ, বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস এবং নিখিল চন্দ্র মিত্র বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিন প্রধান শেখ সাদী ভুইয়া। অনুষ্ঠানে উপাচার্য তাদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন। পরে উপাচার্য শিল্পী শশিভূষণ পাল আর্টগ্যালারি উদ্বোধন করেন।

এ সময় স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন প্রধান ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যমুনা ফিউচার পার্ক এর সামনে সুপ্রভাত বাসের চাপায় #BUP ছাত্র নিহত

রাজধানীতে ‘ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ’ চলার মধ্যেই নর্দ্দা এলাকায় বাসের চাপায় এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত পরিবহন নামের বাসের চাপায় ওই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনায় বাসচালককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত শিক্ষার্থীর নাম আবরার আহমেদ চৌধুরী (২০)। তাঁর বাবা আরিফ আহমেদ চৌধুরী।

আবরার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী ছিলেন।

দুর্ঘটনার পর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের রাস্তা অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিলেন।অবরোধের কারণে সড়কের দুপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিইউপির একটি বাস সকালে যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আবরার বাসে উঠতে যাচ্ছিলেন। এ সময় পাশে থাকা গাজীপুরগামী সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাঁকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত বলেন, বাসের চালক সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজী নজরুল ইসলাম ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শীষর্ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আজ ১৮ মার্চ ২০১৯ খ্রি. তারিখ সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক স্কুলের উদ্যোগে ‘কাজী নজরুল ইসলাম ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নানা প্রেক্ষাপট ও যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, যুদ্ধ আপনা আপনি হয় না। আসলে যুদ্ধ জিনিষটাই হচ্ছে সৃষ্টি করা। তুচ্ছ ঘটনা নিয়েও যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেওয়া হয়েছে ইতিহাসে এমন নজীরও আছে। প্রভাব বলয় সৃষ্টি করতে, ভূ-ভাগ দখলে, অন্যদেশের ও জাতিগোষ্ঠীর সম্পদ লুণ্ঠন করতে, শোষণ করতে অনেক যুদ্ধ হয়েছে এবং আজও হচ্ছে। প্রাসঙ্গিকভাবে তুরস্কের কামাল পাশাসহ আরও অনেকের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিহাসের যারা মহানায়ক তাদের টেনে কখনও নীচে নামানো যায় না।

ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর গত ৪৭ বছরে অনেকবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও নীচে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তাঁর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ইতিহাস মহাসত্যকেই সবসময় ধারণ করে। তাই বঙ্গবন্ধুকে নীচে নামানোর সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি নজরুলের কথা তুলে ধরে বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের বহুমাত্রিক প্রতিভা ও কর্ম নানাভাবে বাঙালিকে উজ্জীবীত করেছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।

নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সাম্য, সৌহার্দ্যবোধ, মানবিক চেতনা আজও আমাদের প্রাত্যহিক স্মরণীয়, বরণীয় বিষয়। তিনি বলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সময়কার প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলী তরুণ নজরুলের মানসে নতুন ভাবনার সৃষ্টি করে। সৈনিক জীবন থেকেও তার নানা অভিজ্ঞতা অর্জন পরবর্তীতে লেখনীর জন্য কাজ করেছে। উপমহাদেশে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, অন্যায়, অবিচার, শোষণ-বঞ্চনা, বৈষম্যে বিরুদ্ধে তিনি তাঁর লেখনি দিয়ে সাধারণ মানুষকে উজ্জীবীত করেছেন। নজরুল-রবীন্দ্রনাথ নাম ও কর্ম আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে স্মরণীয় বলে উল্লেখ করে বলেন যতোদিন বাঙালি থাকবে, বাঙালাভাষা থাকবে ততোদিন তাঁরা বাঙালির হৃদয়ে অমর, অক্ষয় হয়ে থাকবে।

তিনি এ সেমিনার আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ দেন। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত দেশের প্রথম সয়েল আর্কাইভ ল্যাব ও ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের মৌলিকুলার ল্যাব পরিদর্শন করেন।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসনসোলস্থ কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. মোনালিসা দাস। তিনি তাঁর তথ্যবহুল নিবন্ধে অত্যন্ত সাবলীল ও চমৎকারভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের তদানিন্তন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট, উপমহাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা ও পরিবেশ তুলে ধরেন। তার নিবন্ধে নজরুলের সৈনিক জীবন, বিপ্লবী চেতনার উৎসপট, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের মনোভাবনার নানাদিক ও প্রেক্ষাপট তুলে আনেন।

রুশ বিপ্লব ও কামাল পাশার আন্দোলন তার মনোভাবনায় নতুন মাত্রা যোগ করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নজরুল তাঁর আড়াই বছরের সৈনিক জীবনে করাচিতে যা আয়ত্ব করেছিলেন তার বহুমাত্রিক প্রতিফলনের কথাও উল্লেখ করেন নিবন্ধকার। তিনি বলেন নজরুল তাঁর কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় অত্যন্ত সংগ্রাম করেছেন এবং তিনিই উপমহাদেশের প্রথম কবি যিনি লেখার জন্য কারাবন্দী হন, জেল খাটেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁর লেখনিতে দিয়ে বাঙালির মনে আন্দোলনের সঞ্জীবনীমন্ত্র যুগিয়েছেন।

অন্যদিকে তাঁর লেখনী দুর্বলের প্রতি, উৎপীড়নের শিকার জনগোষ্ঠির সহায়ক ছিলো। তিনি সম্প্রদায়িকতা, সংস্কারমুক্ত মনের মানুষ হিসেবে চিরকাল মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তাকে কেবল বিদ্রোহী কবি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বদ্ধ করে রাখা ঠিক হবে না। তাঁর জীবন ও কর্মের বহুমাত্রিক দিক নিয়ে চর্চা ও চর্যা করতে এগিয়ে আসতে হবে। আজ এই অস্থির সমাজ ও সময়ে, হিংসে ও হানাহানির পরিবেশে নজরুলকে এড়িয়ে না যেয়ে তাঁকে জড়িয়েই সুস্থ জীবন চর্চার জন্য এবং তাঁর মানবতার দর্শনকে প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহবান জানান নিবন্ধকার।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামের বহুমাত্রিক প্রতিভা, তাঁর জীবন ও কর্ম বাঙালির মানসপটে অবিস্মৃত হয়ে আছে। তাঁর লেখনি শোষিত বঞ্চিত মানুষের মুক্তি ও স্বাধীকারের পক্ষে, অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের পক্ষে প্রেরণা যুগিয়েছে। বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে সবিশেষ অবদান রেখেছে। তাঁর লেখনী, দর্শন ও বিদ্রোহী চেতনা পরবর্তীতে বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনায় প্রেরণা সঞ্চার করে।

বাঙালির শোষণ মুক্তি, বৈষম্যের বিরুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করেছে। আমাদের স্বাধীকার আদায়ের আন্দোলনের পথে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে। এমনকি আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তাঁর রাজনৈতিক মনোভাবনায় নজরুলের লেখনী ও সহচার্য দ্বারা দিপ্ত হয়েছেন, প্রেরণা পেয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই অনুসরণ করেছেন। উপাচার্য বলেন বঙ্গবন্ধু কবিকে অসীম শ্রদ্ধা করতেন, ভালোবাসতেন। কবির শেষ জীবদ্দশায় বঙ্গবন্ধু তাঁকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে নিয়ে এসে যথাযথ সম্মান দিয়েছেন,তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির সম্মানে ভূষিত করেছেন।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শেখ মোঃ রজিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রবন্ধকারকে উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয় এবং সম্মাননা স্মারক উপহার দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মাচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কি হচ্ছে এগুলো? সব বিশ্ববিদ্যালয়েই অনৈতিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে!

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কি হচ্ছে এগুলো? সব বিশ্ববিদ্যালয়েই অনৈতিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে!
.
ঢাবি, জাবি, বুয়েট, চবি, ইবি, জবি, রাবি, হাবিপ্রবি, কুবি, বেরোবি, মাভাবিপ্রবি, SUST , বাকৃবি, পবিপ্রবি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টদের ও শিক্ষক দের কিছু কুকীর্তির নিউজ :
.
১) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াশরুম থেকে আপত্তিকর অবস্থায় তরুণ-তরুণী আটক 🤔 আটককৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ইমাম হাসান ও বাংলাদের স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাইন ফরিদ।
.
২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বোরহান উদ্দীনকে হল কর্মচারীর মেয়েসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক।
.
৩) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
গণিত বিভাগের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী লামিয়া এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা হয়। এই অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক গ্রহণে বাধা দেওয়ায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ওমর ফারুককে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় টাঙ্গাইল জজ কোর্টে মামলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
.
৪) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার চিত্রা হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার তিনি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সাথে হোটেলে অবৈধ কাজে লিপ্ত ছিলেন। গোপন সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে আটক করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক নেত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ছাত্রলীগের সহ-সহভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
.
৫) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জসিম উদ্দিন হলের ছাত্রলীগ নেতা শেখ মাসুদ রানার প্রেমিক বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী সাদিয়া আরেফিন সাথে বিএম কলেজের বনমালী ছাত্রী হোস্টেলের বাবুর্চী আনছারের বাসায় অনৈতিক কাজে লিপ্ত ছিল।
এ বিষয় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয় । পরে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাদের নিয়ে যায়।
.
৬) বান্ধবীকে নিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় বসে থেকে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর আহসানুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক তাহমিদ আহমদ।
.
৭) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানজিলা আফরিন পিয়াকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তার কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আর, তার নামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ একটি ফেসবুক আইডি থেকে একের পর এক পোস্ট দেয়া হচ্ছে। এসব পোস্টে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতা ও বেরোবি ছাত্রলীগের কয়েক নেতার সাথে হোটেলে রাত্রী যাপনের দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে।
.
৮) তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। ওই তিন ছাত্রীর মধ্যে দুজন ঢাবির এবং আরেকজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক ছাত্রী।
.
৯) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজির হলের একটি কক্ষের তালাবদ্ধ ট্রাঙ্ক থেকে নবজাতক উদ্ধার!! নবজাতকের মা,বাবা দুজনেই জাবির স্টুডেন্ট। 🤔 তবে শেষপর্যন্ত সেই নবজাতক মারা গেছে। শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার দুপুর ৩টার দিকে ওই নবজাতকটি উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
.
১০) ইডেন কলেজের ছাত্রী ” পাপিয়া রায় ” এর বিরুদ্ধে অন্যের স্বামী ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে! এমনকি মিরপুরে এক বাসায় ” মৃদুল ” নামের ছেলেটির সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে পাপিয়া!
.
১১) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
গণিত বিভাগের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী লামিয়া এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা হয়। এই অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক গ্রহণে বাধা দেওয়ায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ওমর ফারুককে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় টাঙ্গাইল জজ কোর্টে মামলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
.
১২) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের এক ছাত্রী এবং আইএমএল এর ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্র আইইআর বিভাগ (পুরাতন আইন অনুষদ) ভবনের পিছনে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়া অবস্থায় হাতে নাতে ধরা পরে!
.
১৩) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের এক ছাত্রের কাছে ড্রয়িং শিখতে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ওই বিভাগে ভর্তিচ্ছু এক ছাত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ভবনের দোতলায় এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী অভিযুক্ত নাসিম ঐশ্বর্য যৌন হয়রানির দায় স্বীকার করেছে।
.
১৪) ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে SUST এর শিক্ষকের অফার! ” রমণীরা নাচো আমি টাকা ওড়াবো ” 🤔
.
.
এছাড়াও
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়ায় প্রহরীকে মারধর করেছে শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অসিফ হোসেন রনি। বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন মারধরের শিকার প্রহরী লিটন দেব। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দায়িত্বরত অবস্থায় এক ছেলে এক মেয়েকে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে দেখি। এ সময় তাদের পরিচয় জানতে চাইলে প্রথমে তারা ‘সাস্টিয়ান’ পরিচয় দিলেও পরে তারা ওসমানী মেডিকেল কলেজের ছাত্র বলে পরিচয় দেয়।
.
১৫) বহিরাগত মেয়ে সহ আপত্তিকর অবস্থায় বোটানিক্যাল গার্ডেনে আবারো ধরা খেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রবিউল
.
১৬) পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া সেই প্রেমিক যুগলকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আবাসিক হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিস্কৃত ব্রোজেন মন্ডল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র এবং জয়শ্রী মন্ডল পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান অনুষদের তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী।
.
১৭) এবার গৃহকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাবিপ্রবি শিক্ষক! দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষকদের একটি অংশ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগ আসছে।
.
এবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণও পাওয়া গেছে তবে অদৃশ্য ক্ষমতার কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিক্যুলার বায়োলজি বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর রমজান আলীর বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও গৃহকর্মীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
.
১৮) আপত্তিকর’ ও ‘অশালীন’ অবস্থায় থাকার কারণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। আহত ঐ শিক্ষার্থীর নাম ইমরান খান। সে বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার সঙ্গে থাকা তার বান্ধবী ফারজানা ইয়াসমিন পুতুলকেও হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ করেছে ঐ ছাত্রী।
ফ্যাকাল্টির ছাদের চিলেকোটায় তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেই তারা হল (শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল) থেকে গিয়েছেন বলে জানান নিয়াজ মোহাম্মদ শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা হল থেকে বাজে অবস্থায় দেখে তাদের জিজ্ঞাসা করার জন্য গিয়েছিলাম। তাদের গায়ে আমরা হাত দিইনি। ”
ক্যাসাইয় মং মারমা (বামী) জানান, ‘আমরা তাদের ফ্যাকাল্টির ছাদে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছি। আর সেটা অনেকক্ষণ ধরে। যখন গিয়ে জিজ্ঞেস করেছি তখন সে আমাদের সাথে উচু গলায় কথা বলেছে। তাকে ধরতে গেলে সে দৌড় দেওয়ার সময় তার শার্ট ছিঁড়ে যায়।’
.
১৯) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ‘ইউনিট-২’ (মানবিক শাখা)-এর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে তাদের পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এরা হলেন মার্কেটিং বিভাগের ২য় সেমিস্টারের ছাত্র জয়নুল আবেদীন ও মোবারক ঠাকুর প্রিন্স।
.
২০) অশ্লীলতার অভায়ারণ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রায় ১৭টি স্পট।
সন্ধ্যা নামলেই প্রেমের নামে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বহিরাগতরা।
ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চলাফেরা করতে অস্বস্থিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কর্মকতা ও কর্মচারীদের। এসব অপকর্ম বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ধরণের পদক্ষেপ না নেওয়ায় দিনের পর দিন এ কর্মকান্ডের মাত্রা বেড়েই চলেছে।
.
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ মাঠ ও মাঠের দুপাশের আম বাগান, বেগম রোকেয়া হলের পেছনের রাস্তায়, সিনেট ভবন, মমতাজ উদ্দিন কলা ভবনের সামনের আম বাগান, জুবেরী মাঠ ও জুবেরী ভবনের সামনের আম বাগান, তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের পেছনে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের মাঝে পুকুর পাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর রহমান হলের মাঠ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সামনে, ইসমাঈল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনের বাগান ও ভবনের ছাদ, রহমতুন্নেছা হলের সামনে পুকুর পাড়, বধ্যভূমি ও বধ্যভূমি সংলগ্ন পুকুর পাড়সহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে সন্ধ্যার পরে প্রেমিক যুগল অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে।
.
বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে অসামাজিক কর্মকান্ডগুলো ব্যাপক বেড়ে গেছে। গত শনিবার আমার বাবা-মা রাজশাহীতে আসেন। তাদের নিয়ে সন্ধ্যায় ঘুরতে বের হয়েছিলাম কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি চত্বরে এক প্রেমিক যুগলক অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকতে দেখে বাবা-মা’র সামনে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আমাদের অভিভাবকের মনে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণ সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
.
রাসেল ইকবাল নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে অনৈতিক কাজ হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের জন্য অন্যদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বহিরাগতরাও এসে ক্যাম্পাসটাকে নোংরা বানানোর চেষ্টা করা হলেও এখানো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
.
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানার্জনের জায়গা কিন্তু সন্ধ্যার পরে এ ক্যাম্পাসে যে ধরণের অভদ্রতা হয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ক্যাম্পাসের পাশাপাশি শিক্ষকদের আবাসিক এলাকাতেও এ ধরণের অভদ্রতা দেখা যায়। ফলে বাচ্চা নিয়ে চলাচল করতে অস্বস্থিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় আমাদের। বিশেষ করে রোকেয়া হলের পেছনে অবস্থা খুবই খারাপ। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এসব অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য বলেন, যারা ক্যাম্পাসে অবৈধ কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের কোন নির্দেশনা আমাদের দেননি যার ফলে আমরা প্রতিদিন টহল দিলেও কাউকে আটক করি না। প্রক্টর স্যার মাঝে মাঝে দু’এক জনকে আটক করে আমাদের হাতে তুলে দিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া আমাদের কিছু করার থাকে না।
.
.
এগুলো তো নমুনা মাত্র! আরো অনেক কিছুই ঘটে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে! কয়টা আর প্রকাশ পায়!

ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি মানুষ হত্যাকারী এরা, সবাই অমুসলিম

✔ হিটলার, একজন অমুসলিম । ৬০ লক্ষ ইহুদি হত্যা করেছিলো। মিডিয়া একবারও তাকে জঙ্গি বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ জোসেফ স্ট্যালিন, একজন অমুসলিম । সে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে, এবং ১৪. ৫ মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ হয়ে ধুকে ধুকে মারা গেছে। মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ মাও সেতুং একজন অমুসলিম। ১৪ থেকে ২০ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে বৌদ্ধ টেররিস্ট !!!

✔ মুসোলিনী (ইটালী) ৪ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! সে কি মুসলিম ছিল ? অন্ধ মিডিয়া একবারো বলে নাই খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ অশোকা (কালিঙ্গা বেটল) ১ লাখ মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া একবারও তাকে বলেনি সে হিন্দু টেররিস্ট !!!

✔ আর জজ বুশ ইরাকে, আফগানিস্থানে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে ! মিডিয়া তো বলে নাই, খৃষ্টান টেররিস্ট !!!

✔ এখনো মায়ানমারে প্রতিদিন মুসলিম রোহিঙ্গাদের খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, উচ্ছেদ করছে ! তবুও কোনো মিডিয়া বলে না বৌদ্ধরা টেরোরিস্ট !!!

✒ ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় বড় গনহত্যা করেছে নন মুসলিমরা আর এরাই দিন রাত গণতন্ত্র জপে মুখে ফেনা তুলে ! অথচ এদের দ্বারাই মানবতা লুন্ঠিত ! বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার প্রশ্নঃ….☟☟☟☟

☞ যারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

☞ যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের পর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য ২০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল?

☞ যারা আমেরিকা আবিষ্কারের পর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য উত্তর আমেরিকাতে ১০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিন আমেরিকাতে ৫০ মিলিয়ন রেড-ইন্ডিয়ানকে হত্যা করেছিল, তারা কি মুসলিম ছিল ?

☞ যারা ১৮০ মিলিয়ন আফ্রিকান কালো মানুষকে কৃতদাস বানিয়ে আমেরিকা নিয়ে গিয়েছিল। যাদের ৮৮ ভাগ সমুদ্রেই মারা গিয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহকে আটলান্টিক মহাসাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তারা কি মুসলিম ?

✒যখন কোন অমুসলিম কোন খারাপ কাজ করে, নির্যাতন করে, খুন করে তখন এটাকে বলা হয় অপরাধ !

আর যখন কোন মুসলিম হাজার নির্যাতনের শিকার হয়ে একবার প্রতিবাদ করে তখন এটাকে বলা হয় মৌলবাদ ! জঙ্গীবাদ !!!