একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র নির্বাচিতদের শপথ নেয়ার বিষয়ে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা, মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনুরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসাবে সংসদে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতীয় রাজনীতির এই সংকটময় জটিল প্রেক্ষিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা, মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনুরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসাবে আমাদের দল সংসদে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ ২৯ এপ্রিল ২০১৯,সোমবার, বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিএনপি মহাসচিব ।

সংবাদ সম্মেলনে পঠিত লিখিত বক্তব্য-

“ বাংলাদেশের নির্বাচনে ইতিহাসে গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ছিল একটি কলঙ্কজনক প্রহসনের নির্বাচন। যা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলও প্রহসনের নির্বাচন হিসাবে চিহ্নত করেছে। এই নির্বাচনের ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ সাজানো এবং দেশের দল মত নির্বিশেষে সকল ভোটারাই এই নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার থেকে জোর পূর্বক বঞ্ছিত হয়েছেন। যা ক্ষমতাসীন মহলের কারো কারো মুখ থেকেও স্বীকার উক্তি হিসাবে বেরিয়ে এসেছে।

নজীরবিহীন সন্ত্রাস, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সর্বপরি নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে ভোটের দিনের আগের রাতেই ভোটের ফলাফল একতরফা ভাবেই তাদের পক্ষে সাজিয়েছে সরকার। আমরা সংগত কারণেই ভোটাধিকার বঞ্ছিত জনগণের ক্ষোভের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছিলাম এবং জাতীয় সংসদে আমাদের মনোনীত বিজয়ী প্রার্থীদের শপথ গ্রহণ না করার জন্য আহŸান করেছিলাম।

আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। আমরা বিশ^াস করি নির্বাচনই ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র পথ। কিন্তু ক্ষমতাসীন মহল নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আজ এমনভাবে দলীয় করণ করেছে যে, গোটা নির্বাচনী প্রতিষ্ঠান আজ ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা প্রলম্বিত করার একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার অন্য সকল পদ্ধতিও সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। বিশ^বাসীর কাছে এই সরকার তার গ্রহণযোগ্যতার জন্য ভোটারবিহীন এই সংসদকে সচল দেখাতে চায়। এইটুকুই কেবল আজ গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার নুন্যতম সুযোগ হিসাবে বিরোধী জনমতের জন্য অবশিষ্ট আছে।

আমরা বরাবরের মতই দাবী করছি, দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনরায় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে জনগণের সংসদ নির্বাচন করাই এই সংকট সমাধান করার একমাত্র পথ। তাই একদিকে নতুন নির্বাচনের দাবি ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহারের অব্যাহত দাবি অন্যদিকে দেশের চলমান অর্থনৈতিক, আইন-শৃংখলা ও সামাজিক চরম সংকট যথাক্রমে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি, শেয়ার বাজার কেলেংকারী, ব্যাংক লুট, নারী নির্যাতন, গুম-খুন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ-এর বিরুদ্ধে একটি কার্যকরী ও জোরালো গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আমাদেরকে নতুনভাবে উদ্দীপ্ত হতে হবে ।

ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনেত্রীর মুক্তির দাবিতে সংসদে কথা বলার সীমিত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সংসদ ও রাজপথের সংগ্রামকে যুগপৎভাবে চালিয়ে যাওয়াকে আমরা যুক্তিযুক্ত মনে করছি। জাতীয় রাজনীতির এই সংকটময় জটিল প্রেক্ষিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা, মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনুরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসাবে আমাদের দল সংসদে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আশা করি দেশবাসীকে সাথে নিয়ে আমাদের এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় অবিলম্বে একটি অবাধ জাতীয় নির্বাচন আদায় করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রীসহ সকল রাজবন্দীকে মুক্ত করে আমরা আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত জাতীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”

লাক্স সুন্দরী থেকে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার – এখান থেকে শিক্ষা নিন

ইট পাথরের নগরী ঢাকা শহরেই জন্ম ও বেড়ে উঠা। বাবা ডা. আজিজুল হক খান একজন সরকারী কর্মকর্তা। মা সালমা সুলতানা গৃহিণী। ৫ম শ্রেণীতে পেয়েছেন ট্যালেন্টপুল বৃত্তি। ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতেন। অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে গান ও একক অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার। কাব স্কাউট জাতীয় পর্যায়ে রানার্স আপ হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নাচ,অভিনয় ও গানে সেরা হয়ে পেয়েছেন পুরস্কার। এসব কাজে সব সময় তার মা অনুপ্রেরণা দিতেন ও তার সাথে যেতেন।
পড়ালেখাও সেরা ছিলেন। সব সময় ক্লাসে প্রথম হতেন। বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিকে কুমুদিনী সরকারী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে এবারও জিপিএ ৫ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের সমাপ্তি ঘটান।
উচ্চ মাধ্যমিকের সফল সমাপ্তির ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে। 😊
.
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর শুরু থেকেই ভালো পড়াশোনা করেন। সুন্দরী হওয়াতে বন্ধুদের উৎসাহে লাক্স চ্যালেন আই সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার-২০১০ এ টপ সেভেনে জায়গা করে নেন। পুরস্কার জিতে নেন ক্লোজ আপ মিস বিউটিফুল স্মাইল ক্যাটাগরিতে। তারপর কিছু টিভিসিও করেন।
.
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভালো ফলাফলের মাধ্যমে স্নাতক সম্পন্ন করার পর স্বপ্ন দেখেন বিসিএস ক্যাডার হয়ে দেশের সেবায় নিয়োজিত হবেন। তখন থেকেই বিসিএসের জন্য জোর প্রস্তুতি শুরু করেন। বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকা নিয়মিত পড়তেন। বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দেশ বিদেশের ঘটনাগুলো জানতেন। আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নোট করে রাখতেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হওয়ায় এসব বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হয়।😊
তাছাড়া তিনি যেকোনো বিষয়ে মুক্তহস্তে লিখতে পারতেন। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ থাকায় গণিত আর ইংরেজিতে দক্ষ ছিলেন। প্রতিদিন একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা পুরণ করতেন। একঘেয়েঁমি যাতে না আসে এজন্য প্রতিদিন ৩-৪টা বিষয় পড়তেন। তখনকার সহপাঠী বর্তমান স্বামী মেহেদী হাসান ফুয়াদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতেন। ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস ভাইভাবে কাজে দিয়েছে। নিয়মিত ও কৌশলী পড়ালেখার দরুন জীবনের প্রথম চাকরির ভাইভায় ২০১৭ সালে সাধারন বিমা কর্পোরেশনে সহকারী ব্যবস্থাপক পদে চাকরি পান। তারপর ৩৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
বিসিএস ক্যাডার হতে: যারা বিসিএস ক্যাডার হতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে সোহানিয়া পরামর্শ দিয়ে বলেন, নিয়মিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা পড়া উচিত। প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিনই শেষ করতে হবে। প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য হলেও কিছু লেখা উচিত। লেখালেখির দক্ষতা বেশ কাজে দেয়। আর ব্যসিক তৈরি করার জন্য মাধ্যমিকের মৌলিক বইগুলো পড়া যেতে পারে। সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে পড়াশোনা করতে হবে। যদি আত্মবিশ্বাস আর লক্ষ্য ঠিক থাকে তাহলে স্বপ্ন পুরণ হবেই। মন থেকে কিছু চাইলে আর সে অনুযায়ী পরিশ্রম করলে আল্লাহ তার স্বপ্ন পুরণ করেন।

খুবিতে নুন্যতম শতকরা ৯০ভাগ ক্রেডিট অর্জন করতে পারলে শিক্ষার্থীকে প্রদান করা হবে শুধু পাস সার্টিফিকেট

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর স্বাস্থ্যগত বা অন্যকোনো যৌক্তিক কারণে নির্দিষ্ট কোর্স মেয়াদে অভীষ্ট ক্রেডিট অর্জন করে সিজিপিএ হিসেবে অনার্স ডিগ্রি লাভ করতে পারছে না তারা যদি অন্তত নুন্যতম শতকরা ৯০ভাগ ক্রেডিট অর্জন করতে পারে তবে তাদেরকে শুধু পাস সনদ দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বস্তুত ভর্তির পর স্বাস্থ্যগত এবং অন্যান্য কিছু কারণে অনেক শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট শিক্ষামেয়াদে নির্দিষ্ট সর্বনিম্ন ক্রেডিট অর্জনে ব্যর্থ হলে তাদেরকে খালি হাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করতে হয় এবং পরবর্তী জীবনে তাদের ভর্তির যেমন সুযোগ থাকে না, তেমনি বিনা সনদে কোনো কর্মসংস্থান করার মতো সুযোগও থাকে না।

ওইসব শিক্ষার্থীর এরূপ অবস্থায় অভিভাবকসহ পুরো পরিবার হতাশায় নিমজ্জিত হয়। বিষয়টি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান একাডেমিক কাউন্সিলের গত ৬ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ১৬৩তম সভায় উপস্থাপন করলে কাউন্সিল মানবিক দিক বিবেচনা করে অন্তত শতকরা ৯০ভাগ ক্রেডিট অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের শুধু পাস সনদ দেওয়ার ব্যাপারে নিয়মানুয়ায়ী সিন্ডিকেট সভায় সুপারিশ করে।

সে প্রেক্ষিতে গত ১২ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১৯৯তম সভায় একাডেমিক কাউন্সিলের ওই সুপারিশ সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে আজ ২৮ এপ্রিল রেজিষ্ট্রার অফিস থেকে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিষয়টি সিন্ডিকেট সভার তারিখ গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হওয়ার দীর্ঘপ্রায় তিন দশকের মধ্যে এ ধরনের মানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এর ফলে পাস সনদধারী শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কিছু করার সুযোগ পাবে। সিন্ডিকেট সভার সভাপতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এ ব্যাপারে বলেন খুব অল্প ক্রেডিট অর্জনের অভাবে ৭-৮বছর লেখাপড়া করেও অনেক শিক্ষার্থী যখন খালি হাতে বিদায় হয় তখন তার এবং অভিভাবকের কান্নায় ভেঙ্গে পড়ার অনেক দৃশ্যই আমাদের দেখতে হয়।

এ ধরনের ঘটনায় অনেক পদস্থ ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীর মানবিক দিক বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করে থাকেন। এমনকি অনেক শিক্ষার্থী পাওয়া যায় যারা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা অনেকে আর্থিকভাবে খুবই অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। কিন্তু সিন্ডিকেট সভায় কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় বা শিক্ষা অধ্যাদেশে বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত না থাকায় এ পর্যন্ত এ ধরনের কোনো মানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন আমাদেরকে সবক্ষেত্রে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এখানে শিক্ষাকার্যক্রমের প্রতিটিদিকে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিপালনের মাধ্যমে অভীষ্ট ক্রেডিট অর্জন করতে পারলেই সিজিপিএ অনুয়ায়ী অনার্স ডিগ্রি দেওয়া হয়। যদিও এখানে একমাত্র স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে নির্দিষ্ট কোর্স ৮বছরের মধ্যে শেষ করতে হয়। তবে সেখানে ২০০ক্রেডিট অর্জন করতে হয়। অন্যান্য স্কুলে এই ক্রেডিট ১৬০-১৩৬ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ এবং শিক্ষাকোর্সের সময়সীমা ৭বছর।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত মানবিক এবং যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক। তিনি বলেন তার সন্তান মাত্র আর তিন ক্রেডিট অর্জনের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭বছর লেখাপড়া করে খালি হাতে বের হওয়ার উপক্রম হয়েছিলো। ফলে তাদের পুরো পরিবার হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছিলো। ওই সন্তানটি শেষে জটিল নিউরো কেসে ভুগেছিলো। যে কারণে সে ভালো করতে পারেনি।

তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ মানিবক সিদ্ধান্তে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের আলোকে বিজ্ঞপ্তি জারির কথা জানিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পড়েছে বলে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বের অনেক উন্নত ও প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের সনদপত্র দেওয়ার বিধান চালু রয়েছে।

বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি – ইংলিশ সাহিত্য দেখে নিন

✪ ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য হল- Beowulf
✪ ইংরেজি গদ্যের জনক – John Wyclif
✪ শেক্সপিয়র জন্মগ্রহণ করেন-১৫৬৪ সালে
✪ শেক্সপিয়র মৃত্যুবরণ করেন- ১৬১৬ সালে
✪ শেক্সপিয়র নাটক লিখেছেন – ৩৭ টি।
✪ William Wordsworth এর উপাধি হল- The Poet of Nature.
✪ John Keats এর উপাধি হল- The Poet of Beauty.
✪ John Milton এর উপাধি হল- English Epic Poet.
✪ George Orwell এর মূল নাম হল- Eric Arthur Blair
✪ George Eliot এর মূল নাম হল-Mary Ann Evans.

✪P.B. Shelley কে Oxford University থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।
✪S.T. Coleridge আফিমে আসক্ত ছিল।
✪ইংরেজি উপন্যাসের জনক- Henry Fielding
✪T.S. Eliot কে তার বিখ্যাত কবিতা ‘The Waste Land’ এর জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিল
✪John Keats পেশাগতভাবে একজন ডাক্তারছিলেন।
✪ Winston Churchill ছিলেন এমন একজন রাষ্ট্রপতি যিনি সাহিত্যে নোবেল পেয়েছিলেন।
✪Sydney William Porter এর pen name হল O’ Henry.
✪T.S.Eliot তার তত্ত্ব ‘Objective Co- relative এর জন্যবিখ্যাত।
✪Sigmund Freud তার তত্ত্ব ‘Psycho Analysis’ এর জন্য বিখ্যাত।
✪James Joyce তার তত্ত্ব ‘Stream of Consciousness’ এর জন্য বিখ্যাত
✪ইংরেজি সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি বলা হয়- Lord Byron

✪ইংরেজি কবিতার জনক- Geoffrey Chaucer
✪জন কিটস মারা গিয়েছিলেন- যক্ষায়
✪Bertrand Russel হলেন একজন দার্শনিক কিন্তু সাহিত্যে নোবেল পেয়েছিলেন।
✪প্রথম ইংরেজি ডিকশনারি রচনা করেন- Samuel Johnson

========
প্রায় একই রকম নাম কিন্তু ভিন্ন সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্ম :
১) To Daffodil =Robert Herrick
The Daffodil= Wiliam Wordsworth
২)A tale of tubs=jonathan swift
A tale of Two cities=Charls Dickens
3)The battle of books= jonathan Swift
The battle of life=Dickens
4)The Patriot= Robert browning
Patriotism =sir walter scott
5)Rape upon rape= henry fielding
Rape of the lock=Alexander pope
6) Candide=voltaire
Candida= G.B. Shaw

7)Rainbow(poem)=William wordsworth
Rainbow(novel)= D.H Lawarence
8) prometheus bound=Aeschylus
Prometheus unbound = P.B. Shelly.

ইংরেজী ও বাংলা সাহিত্যের চমৎকার মিলবন্ধন:
১)বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ,
ইংরেজী সািহিত্যের আদি নিদর্শন বিউলফ(Beowulf)
২)চর্যাপদ তথা বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা,
ইংরেজীতে Caedmon(ক্যাডমন)
৩)বাংলা সাহিত্যের ১ম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী
আর ইংরেজী সাহিত্যে Aphra benn
৪) বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন কোচবিহারের রাজার চিঠি,
ইংরেজী গদ্যের আদি নিদর্শন Anglo saxon chronicle.
৫)বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,
ইংরেজী গদ্যের জনক John wycliffe.

৬) বাংলা সাহিত্যে তুর্কি শাসকদের কারনে অন্ধকার যুগ ১২০১-১৩৫০,
ইংরেজীতে ফরাসি নরম্যান শাসকদের কারনে ১৪০০-১৫০০।
৭) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক ১ম গ্রন্থ লিখেছে দীনেশ চন্দ্রসেন,
ইংরেজীতে Saint vernable Bede.
৮)বাংলা মূদ্রাক্ষরোর জনক চার্লস উইলকিন্স
ইংরেজীর william caxton.
৯) ১ম রোমান্টিক উপন্যাস কপালকুন্ডলা
ইংরেজীতে Morte D’ Arthur.
১০)বাংলা প্রথম ট্র্যাজিডি কীর্তিবিলাস,
ইংরেজী Gorbuduc.
১১)প্রথম সার্থক ট্র্যাজিডি কৃষ্ণকুমারী,
ইংরেজী Dr.Faustaus.
১২)বাংলা সাহিত্যে ছিল ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী,
ইংরেজীতে university wits.
১৩)কবিদের কবি নির্মলেন্দু গুন,
ইংরেজী সাহিত্যে Edmund spencer.

১৪)প্রথম সার্থক কমেডি মাইকেল মধূসূদন দত্তের পদ্মাবতী,
ইংরেজীতে Nicholus udal এর Rulf roister Doister.
১৫)ইংরেজী সনেটের প্রবর্তক স্যার থমাস ওয়াট,
বাংলা সনেটের মাইকেল মধূসূদন দত্ত।
১৬)১ম বাংলা উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল,
ইংরেজী samuel richardson এর Pamela.
১৭) বাংলায় অমিত্রাক্ষর(Blank verse) এর জনক মধূসূদন,
ইংরেজীতে ক্রিস্টোফার মার্লো।
১৮) ১ম ইংরেজ মহাকবি মিল্টন,
বাংলা সাহিত্যের মহাকবি বলা হয় আলাওলকে।
১৯)অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাথবধ কাব্য,
ইংরেজীতে মিল্টনের প্যারাডাইজ লস্ট।
২০)বাংলা প্রথম শোকগাথা ঈশ্বরচন্দ্রের প্রভাবতী সম্ভাষণ,
ইংরেজী সাহিত্যে জন মিল্টনে লাইচিডাস(Lycidas)
২১) বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক বঙ্কিম চন্দ্র,
ইংরেজী সার্থক উপন্যাসের জনক হেনরি ফিল্ডিং (Henry Fielding)

২২)ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত স্যার ওয়াল্টার স্কট,
বাংলার ওয়াল্টার স্কট বঙ্কিম চন্দ্র।
২৩)বাংলা সাহিত্যের করুন চরিত্র হৈমন্তী,
একই রকম ইংরেজী চরিত্র Clarissa.
২৪)মনোসমীক্ষামূলক উপন্যাস সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চাদের আমাবস্যা,
ইংরেজী তে ডেনিয়েল ডিফোর Robinson crusoe(বিতর্ক আছে ভ্রমন কাহিনী)
২৫)বাংলার শেলী হিসেবে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ কে বলা হয় প্রকৃতির কবি,
ইংরেজীতে (poet of nature) প্রকৃতির কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (wilian wordsworth)
২৬) বাংলাদেশের বিদ্রোহী কবি ও সৈনিক কাজী নজরুল ইসলাম,
ইংরেজীতে soldier & poet হলেন লর্ড বায়রন(Lord Byron)
২৭) বাংলা সাহিত্যে শ্রষ্ঠ Dramatic Monologue (স্বগতোক্তি) জসীম উদ্দীনের কবর কবিতা,
ইংরেজীতেRobert browning এর Andre del sarto.

২৮)বাংলা সাহিত্যে দূ:খবাদী কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত,
ইংরেজী সাহিত্যে ম্যাথু আর্নল্ড(Mathewo Arnold)
২৯)বাংলা সাহিত্যে কবি ও চিত্রকর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
ইংরেজীতে wilam Blake
৩০)রবীন্দ্রনাথের কিশোর চরিত্র ফটিকের করুন গল্প ছুটি,
ইংরেজীতে চার্লস ডিকেন্সের Oliver twist.
৩১) বাংলা ছোট গল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
ইংরেজী Short srtory র জনক Edgar allan poe.
৩২)বাংলা সাহিত্যের পল্লী কবি জসীমউদ্দীন,
ইংরেজী সাহিত্যের Pearl S Buck।

পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে সরকার — মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার চক্রান্ত করে সুপরিকল্পিত ভাবে গণতান্ত্রিক সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে।

সোমবার, এপ্রিল ২২, জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান ছাত্রফোরাম আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্ররা বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে দেশের জন্য ভূমিকা রেখে এসেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য জনগণকে সম্পৃক্ত করে গনআন্দোলন করতে হবে। সেই আন্দোলনেও সারাদেশের ছাত্রদের একত্রিত করে ছাত্রদলকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল খালেক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান রিপন, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডাকসুর সাবেক জিএস ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন প্রমুখ।

বিএনপি মহাসচিব শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আমরা সবসময় সকল ধরনের সন্ত্রাসী হামলার বিপক্ষে। আমরা এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এধরণের সন্ত্রাসী হামলা বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে আন্দোলন গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন: উপাচার্য

মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা: ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে চলমান বিচার প্রক্রিয়া শীর্ষক খুবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন করে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন: উপাচার্য

আজ ২৫ এপ্রিল বিকেল ৩ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা: ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে চলমান বিচার প্রক্রিয়া’ শীর্ষক খুবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আইন স্কুলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি বলেন একাত্তরে স্বাধীনতাকামী এ দেশের সাধরাণ, নিরস্ত্র লাখ লাখ মানুষকে পাক দখলদার বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলসামস, শান্তিবাহিনীর সহায়তায় হত্যা করে, গুম করে, মা বোনদের সম্ভ্রম হানি করে। এর সাথে জড়িত এবং সম্পৃক্ত ছিলো তাদের বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে কোলাবোরেটরস আইন এবং ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন।

এটি যথাযথ ছিলো এবং এই আইনে বিচার কাজ শুরু হয় এবং কয়েকটি রায়ও কার্যকর হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর ষড়যন্ত্রকারীরা ইন্ডেমেনিট অধ্যাদেশ জারি করে। এর প্রধান কারণ, মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে যারা জড়িত, যারা পঁচাত্তরের ১৫ আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের যেনো বিচার না হয়। এর পরই আমরা লক্ষ্য করি মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িতরা মন্ত্রী হয়, দেশের পতকাবাহী গাড়িতে চড়ে। এর চেয়ে দুঃখজনক কিছু হতে পারে না।

তিনি বলেন ইতিহাসের সেই কালো অধ্যায় থেকে দেশ ও জাতির উত্তরণ ঘটেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে পার্লামেন্টে পাস করে বর্তমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেন। এর মাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেকগুলো মামলার রায় হয়েছে এবং তা কার্যকরের মাধ্যমে জাতি অনেকটা কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন এই ট্রাইবুন্যালের মাধ্যমে আরও মামলার বিচার হবে জাতি সে অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন স্কুল কর্র্তৃক এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং সেখানে আইসিটির প্রসকিউটার, অতিরিক্ত এটর্নী জেনারেলে জিয়াদ আল মালুমের মতো ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি আইনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারিদের সম্যক ধারনা লাভের সুযোগ করে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের মূল আলোচক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসকিউটর জিয়াদ আল মালুম তার ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্যে ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত রাজনৈতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পাকিস্তানের দুটি অংশ একটি অপরটি থেকে প্রায় ১৪শ মাইল দূরে থাকলেও এবং এই দুই অংশের মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, শরীরের গঠন ও রং সবেরই পার্থক্য থাকলেও ধর্মের দোহাই দিয়ে পশ্চিমারা আমাদেরকে কেবল শোষণ ও বঞ্চনার হাতিয়ার বানিয়েছিলো। এর পরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের রক্তদানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মধ্যে জাতীয়তাবোধর নবজাগৃতি ঘটে।

তিনি আরও বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অসীম ত্যাগ, সাহসীকতা, দূরদর্শীতা নেতৃত্ব, এদেশের মানুষের প্রতি তাঁর অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসার জন্য তিনি নেতৃত্ব দিয়ে একটি স্বাধীন দেশ ও জাতি উপহার দিয়েছেন। তিনি বলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণহত্যা ঘটে ১৯৭১ সালের ২৫মে এই খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগরে, মাত্র দেড় ঘন্টায় ১০ সহ¯্রাধিক নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখক নারী ও শিশু ছিলো। তিনি বলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন পাশ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠন করলে এর পুনরায় যাত্রা শুরু হয়।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে পার্লামেন্টে এ আইন পাশ হয়েছে এবং নিঃসন্দেহে বলা যায় বাংলাদেশে এই আইসিটি আন্তর্জাতিক মানের এবং এ পর্যন্ত যে রায় হয়েছে তা অত্যন্ত স্বচ্ছ। তিনি আইসিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে এবং এর বিচার কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য দিক নিয়ে আলোচনা করেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের সাথে আইসিটি আইনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম এবং আইসিটি মামলার বিচারকার্য পর্যবেক্ষণের সুযোগ প্রদানের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ সারোয়ার জাহান। সভাপতির বক্তৃতায় প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত বলেন আইনের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের জন্য এ অনুষ্ঠান অত্যন্ত কার্যকর হবে। তিনি বলেন আইসিটি মামলার আসামী যারা এখনো বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে এনে বিচারকার্য সম্পন্ন করলে জাতি আরো কলঙ্ক মুক্ত হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিসিএস প্রিলি – সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

১। বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় – ১৯০৯মার্কিন ডলার
২। বাংলাদেশের বর্তমান জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার – ৮.১৩%
৩। বঙ্গবন্ধু -১ স্যাটেলাইট কবে উৎক্ষেপন হয়েছে? ১২মে, ২০১৮
৪। বাংলাদেশকে কবে উন্নয়ন শীল দেশের ক্যাটাগরির শর্ত পূরণ করে ? ১৬ মার্চ ,২০১৮।
৫। ডাক বিভাগের অার্থিক লেনদেনের জন্য চালু টাকার নাম কী ? =ডাকটাকা।
৬।দেশের ১ম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম কোথায় ? =কক্সবাজারে।
7)বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বাসস্থান, শিক্ষা সহায়তা ও অন্যান্য ঝুঁকি মোকাবেলায় ১০ মাসের জন্য জাতিসংঘের নেয়া প্ল্যানের নাম কি? উঃ- জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান।
৮.শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত? =লেবুখালী, পটুয়াখালী
৯।পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষে প্রথম হিন্দু দলিত নারী সিনেটর – =কৃষ্ণা কুমারি কোহলি
১০। পাটের তৈরি পলি ব্যাগ / সোনালী ব্যাগ তৈরীর আবিষ্কিরক কে? = ডঃ মুবারক আহমদ খান।।।
11)সম্প্রতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ই-ডেটাবেজ তৈরির জন্য কী নামে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে? #উঃ – ইউনিক স্মার্টকার্ড
১২। দেশের ১২ তম বা সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি ? = ময়মনসিংহ
১৩। বাংলা সন কত? = ১৪২৬
১৪। দেশের বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হার কত ? 5.68%
১৫। মুন্সি গন্জে ২ মার্চ উন্মোচন করা ”পতাকা ৭১” ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে? = রুপম রায়।
১৬।দেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার কে ? = শাহেদা মুস্তাফিজ
১৭।জাতীয় ভোটার দিবস কবে ? =১ মার্চ
১৮।মালদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী ? =ইব্রাহিম মোঃ সোলিহ
১৯।পূর্ব গৌতা ও ডুমা শহরটি অবস্থিত কোথায় ? = সিরিয়া।
20) বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্ণরের নাম কী? # উঃ- আহমেদ জামাল
২১। কমনওয়েলথ এর বর্তমান সদস্য কত? = ৫৩ ( নতুন গাম্বিয়া )
২২।সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহে পৌছানো ”মঙ্গলযান” প্রেরনকারী দেশের নাম কী ? =ভারত
২৩।বিশ্ব অটিজম দিবস কবে ? =২রা এপ্রিল
২৪।স্বাধীনতা পদক কত জনকে দেওয়া হয়? = ১৮
২৫।বাংলাদেশের কোনটিকে ২০১৮ সালের product of the year ঘোষণা করা হয়? =ওষুধ
২৬.কাঁকন বিবি কখন মৃত্যু বরণ করেন? =২১ মার্চ ২০১৮।
২৭।কাঁকন বিবি কে কোন সালে “বীর প্রতীক” উপাধি দেয়া হয়? উঃ১৯৯৬।।
২৮।কাঁকন বিবি কোন সম্প্রদায়ের ছিলেন? উঃখাঁসিয়া।
২৯।৯১ তম আস্কারে সেরা অভিনেএীর পুরষ্কার কে পান? উঃ অলিভিয়া কোলম্যান
30। স্টিফেন হকিং মারা যান কবে, কত বছর বয়সে? # ১৪মার্চ, ২০১৮। (৭৬ বছর)
31। নেপালে বিদ্ধস্ত বিমানটি কোন মডেলের, বিমানের কোড নম্বর কত? US Bangla Airline, মডেলঃ- ড্যাশ ৮- কিউ-৪০০(কোড নাম্বারঃ-এস-২ এজিইউ), ফ্লাইট নাম্বার-২১১
32। সর্বশেষ ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রাপ্ত দেশের নাম কি? ওমান
33। সুখি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ কততম? ১২৫ তম ( পূর্বে ছিল ১১৫)
34। দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন প্রেসিডেন্টের নাম কী? # সিরিল রামাফোসা
35। ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কতজন? ১৩ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান
36। শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি? # সোমালিয়া
37। আগামী কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে কোথায়? ইংল্যান্ড
38। স্টিফেন হকিং কোন রোগে আক্রান্ত ছিলেন? Motor Neurone
39। বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে এবং কত তম? # সৈয়দ মাহমুদ হাসান, ২২ তম।
40। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক কে হলেন? # রশিদ খান (আফগানিস্তান)
41। প্রথম কোন শহর শীতকালীন ও গরমকালীন অলিম্পিক আয়োজন করবে? # বেজিং
42। সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোন জিনিসকে ব্যান করলেন? bumb-stock devices
43। সম্প্রতি কোন মুসলিম দেশ মহিলাদের মিলিটারিতে নিয়োগের সম্মতি দিলো? সৌদি আরব
44। চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু হয় কবে ১ ৯ফেব্রুয়ারি (২০১৮)
45। সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ – নিউজিল্যান্ড
46। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে? সুসান কাইফেল
47। দেশের ইতিহাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রী,পঞ্চগড়ে
র তেঁতুলিয়ায়।
48। বাংলাদেশের কোনটিকে ২০১৮ সালের product of the year ঘোষণা করা হয়? ওষুধ
49। বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপির নাম কি? ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি দেশের ২৯তম আইজিপি।
50। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ারের নাম কি? জ্যাকব টাওয়ার, এর উচ্চতা ২২৫ ফুট। এটি ভোলা জেলার চরফ্যাশনে অবস্থিত।
51। বাংলাদেশের প্রথম ছয় লেনের ফ্লাইওভার কোথায় অবস্থিত? ফেনীর মহিপালে। এর মুল দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার। উদ্বোধন করা হয় ৪ জানুয়ারি ২০১৮।
52। বিশ্বের সর্বশেষ প্রচলিত মুদ্রার নাম কি? South Sdanese Pound(SSP)।
53। বর্তমানে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত প্রচলিত মুদ্রার সংখ্যা : ১৮০টি।
54। বিশ্বের বৃহত্তম উভচর উড়োজাহাজ,এটি চীনের তৈরি। তার নাম কি? AG600
55। 2022 সালের শীতকালীন অলিম্পিক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? বেজিং, চীন
56। বর্তমানে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কতজন? ৪জন
57। মহাগ্রন্থ আল কুরআনের আদলে দেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য কোথায় তৈরি করা হয়? কসবা,ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৬ ফুট এবং প্রস্থ ৮ ফুট। ঢাবির কামরুল হাসান শিপন এটির ডিজাইন করেন।
58। SpaceX এর প্রতিষ্ঠাতার নাম কি? এলন মাস্ক 59। ২০১৮ বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হলো? বিহার
60। বাংলাদেশে কোন তারিখে প্রথম মুদ্রার প্রচলন হয়? ৪মার্চ, ১৯৭২
61। বাংলাদেশের Smart Card কোন দেশে তৈরি হয়? ফ্রান্স
62। বিশ্বের প্রথম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো মিসরের আলেকজান্দ্রিয়াতে
63। বর্তমান অর্থ সচিব- আব্দুর রউফ তালুকদার
64)বাংলাদেশের বর্তমান FIFA Ranking? উঃ১৯৭।
65)পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ কোনটি এবং বাংলাদেশের অবস্থান কতো? উঃফিনল্যান্ড(বাংলাদেশ-১২৫)।
66) World’s biggest flag unveils by? উঃবলিভিয়া।
67) International Earth Hour was observed on? উঃ২৪ মার্চ ২০১৮
68)স্টিফেন হকিন্স কত বছর বয়সে ‘মটর নিউরন’ রোগে আক্রান্ত হন? উঃ ২১ বছর।
69)সম্প্রতি আলোচিত ” তুমব্রু ” সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি কোথায় অবস্থিত? উঃ- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছ

বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি – কোচিং ছাড়াই যারা পড়ছেন তাদের জন্য টপ টেন

কোচিং ছাড়াই যারা পড়ছেন তাদের জন্য টপ টেন: অনেকে বলছেন ভাইয়া প্রিলির একটা রুটিন ও কিছু পরামর্শদিন। তাদের জন্য
তাদের জন্য আমার আইডিয়া তৈরি করে দিলাম।
নিজের মত আপনারা সাজিয়ে নিবেন-
,
১)আপনি হাত –মুখ ধুয়ে শুকনো বিস্কিট, কেক আর পানি খেয়ে পড়তে বসে যান। সকালে যেকোনো পাঠ্যই ভাল মুখস্ত হয়। সেক্ষেত্রে আপনি সকালে সাধারণ জ্ঞান , বাংলা সাহিত্য,ইংরেজি সাহিত্য পড়তে পারেন।
২)২/৩ ঘন্টা পড়ে তারপর আপনি সকালের নাশতা সেরে নিন। একটু হাঁটাহাঁটি করুন, ঘরে পায়চারী করতে পারেন। সকালের নিউজটা ও দেখে নিন এক ফাঁকে।
৩)তারপর আবার পড়তে বসুন। এইবার আপনি সাধারণ গনিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়টা নিয়ে বসতে পারেন। একটু সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় আপনি সাধারণ গনিত ও
মানসিক দক্ষতা বিষয়টা অনুশীলন করেন। ২/৩ ঘণ্টা অনুশীলন করে আপনি দুপুরের গোসল করা, নামাজ/ প্রার্থনা, খাবার এর পর্বটা সেরে নিতে পারেন। তারপর হালকা ঘুম দিতে পারেন।
৪)দুপুরের হালকা ঘুম থেকে উঠে আপনি একটু হাঁটাহাঁটি/পায়চারি করতে পারেন। তারপর মাগরিবের আগে আর ঘন্টাখানেক আপনি সকালে যাহা পরেছেন তা রিভিশন দিতে পারেন।
৫) তারপর সন্ধ্যা থেকে আপনি ইংরেজি গ্রামার,বাংলা গ্রামার, বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিষয় পড়তে পারেন। মোটামুটি এইভাবে একটা রুটিন আপনার মত
করে নিতে পারেন। আশা করছি আপনি সফল হবেন। ইনশা আল্লাহ
৬) রুজির মালিক আল্লাহ। তাই তার সাহায্য প্রার্থনা করুনন।
৭) বাবা মায়ের সাথে ভাল ব্যবহার করুন।তাদের দুয়া নিন।
৮) কঠোর পরিশ্রম না, বরং চতুর পরিশ্রম করুন। কৌশলি হন।
৯) খাতায় কিছু কিছু একই ধরনের জিনিস লিখে রাখবেন। অংকটা, ইংরেজি বানানগুলো খাতায় লিখে লিখে চর্চা করবেন।মনে থাকবে বেশি
১০) সব কিছু ছন্দ তৈরি করে পড়বেন না। ছোট ছোট কিছু ছন্দ মনে রাখার চেষ্টা
করুন। বাকিগুলো বুঝে মুখস্ত রাখুন। ইনশা আল্লাহ সফল হবেন।

বিএনপির নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ার প্রচারণা ভিত্তিহীন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিনিময়ে বিএনপি থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত নির্বাচিতরা শপথগ্রহণ করবেন বলে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে তা অসত্য ও ভিত্তিহীন।

শনিবার (২০ এপ্রিল) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর বাড়িতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের আগে গণমাধ্যমকে তিনি একথা জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে পাঠানোর অর্থ হলো পরিকল্পিতভাবে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা। সরকার ইচ্ছা করে বেগম খালেদা জিয়ার জামিন বিলম্বিত করছে। যার কারণে তিনি ১৪ মাস ধরে কারাগারে। সরকার দলীয় অনেকে সাজাপ্রাপ্ত হয়েও মুক্ত এবং মন্ত্রিত্ব করছেন।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবাইদা রহমানের তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এক দেশের আদালত আরেক দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধের নির্দেশনা দিলে তা বন্ধ হয় কিনা আমার জানা নেই।’

এর আগে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে এক পথসভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যে চিন্তাভাবনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, আওয়ামী লীগ সেই চেতনা ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা গণতন্ত্রকে শেষ করে দিয়েছে। মানুষের অধিকারকে হরণ করেছে। আজকে তারা পিস্তল, বন্দুকের জোরে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।’

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন– সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবির মুরাদ, মনিরুল হক চৌধুরীর মেয়ে ড. সায়মা ফেরদৌস।

 

খুবিতে নববর্ষে বর্ণাঢ্য #শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলায় মানুষের আগমনী ঢল

খুবিতে নববর্ষে বর্ণাঢ্য #শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলায় মানুষের আগমনী ঢল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপনে সকাল ৮ টায় এসো হে বৈশাখ—-বর্ষ আবাহন সঙ্গীতের মাধ্যমে মেলা শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে ৮ টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নেতৃতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মেলা অঙ্গন থেকে শুরু করে হাদী চত্বরে পৌঁছায়। সেখানে উপাচার্য বেলুন উড়িয়ে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অতঃপর শোভাযাত্রাটি নগরীর শিববাড়ী মোড় থেকে ময়লাপোতা মোড় হয়ে রয়্যাল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান সেখানে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধানবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি আইন স্কুলের ডিন ও ডিসিপ্লিন প্রধান, কমিটির সদস্য-সচিব ছাত্রবিষয়ক পরিচালকসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। নানা রংয়ের ফেস্টুন, ঘোড়া, দোয়েলসহ বর্ণিল সাজের সাথে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাসহ শোভাযাত্রাটি যখন কে ডি এ এভিনিউ ধরে অতিক্রম করছিলো তখন আশপাশের মানুষ হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান। রয়েল মোড়ে গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হলে সেখানে আনন্দ উৎসবে নেচে গেয়ে উৎফুল্লতা প্রকাশ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী।
এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বৈশাখী মেলায় শুরু হয়েছে মানুষের আগমনী ঢল। মেলা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের ফটক দিয়ে তরুণ তরুণীসহ নানা বয়সের মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। মেলার পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্বে বেলা ২ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।