হিরো আলমের সাথে নায়ক জায়েদ খানের দ্বন্দ্বের অবসান করেছেন অনন্ত জলিল

শাহরিয়ার নাজিম জয়ের এক অনুষ্ঠানে হিরো আলম কে চিনি না বলে মন্তব্য করেছিলেন জায়েদ খান। আর এতেই চটে যান হিরো আলম।
সে অনুষ্ঠানে জায়েদ খান বলেন ‘হিরো আলম নামে আমরা কাউকে চিনি না। আমরা হিরো বলতে চিনি নায়করাজ রাজ্জাক, হিরো বলতে চিনি আলমগীর সাহেবকে… হিরো আলম নামে কাউকে চিনি না।’
 
জায়েদ খানের এমন মন্তব্যের জেরে চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে অভিযোগও করেন হিরো আলম। একইসাথে এমন বক্তব্যের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়া হলে মানহানির মামলা করারও হুমকি দেন।
 
অবশেষে আলোচিত-সমালোচিত হিরো আলমের সাথে ঢাকাই ছবির নায়ক জায়েদ খানের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে। আর এতে মধ্যস্থতা করেছেন আরেক নায়ক অনন্ত জলিল।
 
Nothing is Impossible 👍 – Ananta

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি আর নেই

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি আর নেই। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

সাহারা খাতুনের ভাতিজা আনিছুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাংলাদেশ সময় ১১টা ২৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। সকালে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর আসার পর মরদেহ দেশে নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Sahara Khatun to be taken to Thailand Monday

এর আগে গত সোমবার থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে।

জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত ২ জুন সাহারা খাতুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে গত ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

সেখানে তার অবস্থার উন্নতি হলে গত ২২ জুন দুপুরে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। পরে ২৬ জুন সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারও তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

Call for unity to build Bangabandhu's 'Sonar Bangla'

১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন সাহারা খাতুন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য।

তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

সাহারা খাতুন ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন।

রিজেন্ট হাসপাতালে টেস্ট না করেই দেওয়া হতো করোনার সনদ – নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম

রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালে টেস্ট না করেই কোভিড-১৯ ‘পজিটিভ’ ও ‘নেগেটিভ’ সনদ দিতো বলে জানিয়েছে র‌্যাব। হাসপাতালটিতে অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ৮ জনকে আটক করেছে র‌্যাবের মোবাইল কোর্ট। সোমবার র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা এই পরিচালনা করে।

রিজেন্ট হাসপাতালে টেস্ট না করেই দেওয়া হতো করোনার সনদ, র‌্যাবের অভিযান

ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৪ সালে অর্থাৎ ৬ বছর আগে হাসপাতালটির লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবুও তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে কীভাবে সনদ নিয়েছে বোধগম্য নয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

হাসপাতালটির উত্তরা ও মিরপুর শাখায় একযোগে অভিযান চলছে উল্লেখ করে সারোয়ার আলম গণমাধ্যমকে আরও বলেন, সরকারিভাবে যে টেস্টগুলো ফ্রি করার কথা সেই টেস্টের জন্য রিজেস্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাড়ে তিন হাজার টাকা করে নিচ্ছে। সব চাইতে জঘন্য যে কাজ করেছে সেটা হলো টেস্ট না করে রিপোর্ট দেওয়া এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভুয়া সিল ও প্যাড ব্যবহার করা।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট বা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন (নিপসম) সহ যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্যাড ও সিল তারা ব্যবহার করেছে ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয়েছে ওই সব সিল বা প্যাড তাদের নয়। এছাড়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করোনা চিকিৎসার নামে সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে আবার রোগীদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের বিল নিচ্ছে। হাসপাতাল থেকে বিপুল পরিমাণ কভিড পরীক্ষার ভুয়া সনদ জব্দ করা হয়েছে।

গত মার্চ মাসের শেষ দিকে উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালে এলাকাবাসীর আপত্তির মুখে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা শুরু হয়। গত ২৩ মার্চ রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় এলাকার লোকজনের ভাড়া করা মাস্তান বাহিনীর হামলার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযানের আগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কখনো নমুনা সংগ্রহ করি না। এ বিষয়ে আমরা বারবার আমাদের ফেইসবুক পেজ ও বিভিন্নভাবে সতর্ক করে আসছি। আমরা বারবার বলেছি, রিজেন্টের নামে একটি ভুয়া চক্র কাজ করছে। এগুলো নিয়ে আমরা প্রেস রিলিজ দিয়েছি। আর আমাদের যেসব স্যাম্পল, সেগুলো আমরা নিপসমে জমা দিয়েছি।

সফলদের ভাইভা অভিজ্ঞতা : ৩৮তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত

সফলদের ভাইভা অভিজ্ঞতা
৩৮তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত Sumit Adritha
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়।
সাবজেক্ট-ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন।

৩৮ তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতাঃ

আমি ভাইভা দিয়েছিলাম ২৭.১০.২০১৯ তারিখ শ্রদ্ধেয় নুরজাহান বেগম এনডিসি স্যারের বোর্ডে।

ক্রম – ১২ জনের মধ্যে ৮ম।

সময় – আনুমানিক ১৫-২০ মিনিট।

আমাকে প্রথম প্রশ্ন করা শুরু করেন নুরজাহান বেগম এনডিসি স্যার।

# শুরুতেই আমার পছন্দের ক্যাডার লিস্টের সিরিয়াল জানতে চাইলেন।

খুব সাবলীলভাবেই বলতে পেরেছিলাম।

# আমার ফার্স্ট চয়েস ছিলো এডমিন,এডমিন ক্যাডারের কাজ,কেন ভেটেরিনারি ফার্স্ট চয়েস দিলাম না এসব নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করলেন।

এগুলো নিয়ে অনেকদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তাই বলার সময় কথার অভাব হয়নি।এক্ষেত্রে আমি বলতে পারি নিজের মতো করে উত্তর দিলে উনারা অনেক বেশি স্যাটিসফাইড হন।কারণ উনারা এতোই অভিজ্ঞ যে আপনার উত্তর বলার ধরনেই বুঝতে পারেন এটা আপনার নিজের নাকি সংগ্রহ করা!

# আমি এএসপির পর আনসার ক্যাডার কেন রাখলাম এটা নিয়ে ও জানতে চাইলেন।

এটা নিয়ে ও আমি আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম!

# অক্টোবর মাসের কিছু বিখ্যাত ঘটনা শুনতে চাইলেন।

আমি বেশ কিছু ঘটনা বলার পর ও দেখলাম উনারা আরো শুনতে চাচ্ছিলেন,হঠাৎ মনে পড়লো ইউনেস্কো ৩০ অক্টোবর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে “বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য” হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।সেটি বলার পর নুরজাহান বেগম এনডিসি স্যার এতো বেশি খুশি হন যে এর পরের প্রত্যেকটা প্রশ্নে তিনি আমাকে বাবা এটা বলো, বাবা ওটা বলো এভাবে সম্বোধন করছিলেন।

# ৭ ই মার্চের ভাষণের কিছু অংশ ইংলিশে শুনতে চাইলেন,বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাঁচজন বিখ্যাত ব্যক্তির উক্তি শুনতে চাইলেন।

আমি খুব দ্রুত উত্তর করাতে স্যাররা বললেন প্রশ্ন বেশি কমন পরে যাচ্ছে!

এক্স ১ – তখন বেক্সিট ছিলো বার্নিং ইস্যু,উনি বেক্সিট কেন হচ্ছে,এতে ব্রিটেনের লাভ বা ক্ষতি কি,বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি বেক্সিট ইস্যুতে,বেক্সিটের কারণে যুক্তরাজ্য থেকে নতুন কোন দেশ স্বাধীন হতে পারে কিনা এসব জানতে চাইলেন।
রিটেনের জন্য এই ইস্যু বেশ ভালো করেই পড়ছিলাম তাই খুব একটা সমস্যা হয়নি।

এক্স ১ – সাবজেক্ট থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন করছিলেন,সবই বলতে পেরেছিলাম শুধু Inbreeding এ গিয়ে উল্টাপাল্টা উত্তর দিয়েছিলাম!

এক্স ১ – বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম কেন বিসিএসমুখী হচ্ছে,আর এখন অনেকেই শুধুমাত্র ফরেন বা এডমিন বা পুলিশ এসবকে কেন প্রাধান্য দিচ্ছে?

আমি নিজের মতো করে বলেছিলাম,আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক মানুষই অসাধারণ গুণাবলি নিয়ে জন্মায় তাই চেষ্টা করলে এসব প্রশ্নের গতানুগতিক উত্তর বাদ দিয়ে নিজের মতো করে গুছিয়ে বলতে পারাটা কারো জন্য খুব একটা কঠিন কিছু নয়।

এক্স ২ – পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করেন।

বলতে পেরেছিলাম সবই।

এক্স ২ – আমি যেহেতু চট্টগ্রাম বন্দরে জব করি তাই আমার কাজের পরিবেশ,কাজের পরিধি,সুবিধা-অসুবিধা, দেশের অর্থনীতিতে বন্দরের ভূমিকা এসব নিয়ে জানতে চাইলেন।

এক্স ২ – বিশ্বে হঠাৎ করে কেন ডানপন্থী নেতাদের উত্থান হচ্ছে এটা নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।

এখানে আমার সাথে স্যারের ছোটখাটো একটা বিতর্ক হয়ে যায়।পরে অবশ্য স্যার সন্তুষ্ট হলেন বলে মনে হল।

আসার আগে নুরজাহান বেগম এনডিসি স্যার আমার মার্স্টাসের থিসিস নিয়ে জানতে চাইলেন। আমার থিসিসের টপিক শুনে তিনি বেশ আগ্রহ দেখালেন।সো এটা নিয়ে উনাকে আবার একটু করে বলতে হলো।

সবার জন্য শুভকামনা

সুমিত।
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ( সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেধাক্রম-৮৯