গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট থেকে সরে দাঁড়ালো ঐক্যফ্রন্ট

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক। দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১০, দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি।

এর আগে, জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক। এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। ভোট ডাকাতি, ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বক্স আগের রাতেই ভর্তির মহোৎসব ঘটেছে। এ কারণে এ আসনেও নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। তাই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

একইসঙ্গে নির্বাচন বাতিল ও পুনরায় নির্বাচনের দাবিও জানান তিনি। এসময় জেলা ও সাদুল্যাপুর উপজেলা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসির ‘আচরণে’ ঐক্যফ্রন্টের সভা বর্জন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সভা বর্জন করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৫, দুপুর পৌনে ২টার দিকে সভা বর্জন করে সাংবাদিকদের একথা জানান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

এর আগে সাড়ে ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সাথে বৈঠকে বসে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গণফোরামের প্রেসিডেয়াম সদস্য মোস্তফা মহসিন মন্টু এবং ড. জাফুরুল্লাহ প্রমুখ।

ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানান, বৈঠকে তারা তাদের প্রার্থীর ওপর সারা দেশে হামলা, গ্রেফতার ও প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। বৈঠকের শেষের দিকে সিইসি কে এম নূরুল হুদার আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈঠক শেষ না করেই তারা বের হয়ে আসেন।

মিসেস আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে হামলা, সাংবাদিকসহ আহত অনেকে

মিসেস আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে হামলা, সাংবাদিকসহ আহত অনেকে

ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে আবারো হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। আজ ২৩ ডিসেম্বর রোববার দুপুর ১টার দিকে মুগদা এলাকার মানিকনগর পুকুরপাড় এলাকায় মিছিলের পেছন থেকে এ হামলা চালায় সরকার দলীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। হামলায় নারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনার পর আফরোজা আব্বাস গণসংযোগ বন্ধ করে বাসায় ফিরে গেছেন । এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আফরোজা আব্বাস।

দুপুর ১২টায় শাহজাহান পুরের নিজ বাসা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল নিয়ে মহিলাদল সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস গণসংযোগে বের হন। মিছিলটি মুগদা এবং মান্ডা হয়ে মানিকনগর মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় ¯ে^চ্ছাসেবক লীগ নেতা টুন্ডা বাবুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা হলো, মান্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি শামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল, মুগদা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাম্পু, ,মুগদা ¯ে^চ্ছাসেবক লীগ নেতা শামীম হোসেন, শাহাজাদা বাবু, আওলাদ, রুবেল, জীবন, মানিকনগর যুবলীগ নেতা জীবন, মান্ডা যুবলীগ নেতা হাজী বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ, বিচ্ছু রনি, চাঁনতারা ফারুক, পিচ্ছি রাসেল, শাহিন, প্লাবন, মান্ডা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আনোয়ার, মুগদা আওয়ামীলীগ নেতা গেলাম কিবরিয়া রাজা।

এ ঘটনায় হায়দার আলী, নামে একজন ফটো সাংবাদিক মারাত্মক আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। একইসঙ্গে তাকে মাটিতে ফেলে উপর্যুপরি লাথি মারতে থাকে ও পিটিয়ে আহত করে। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে আছেন, আসাদ, মিন্টু, পারভেজ।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন, মহিলাদল নেত্রী নূরজাহান আক্তার ইভা, শোভা, মনোয়ারা রহমান, জয়া, শারমিন আক্তার, মিজানুর রহমান, সোনিয়া আহমেদ, পারভিন, মর্জিনা আক্তার, ফরিদা পারভিন, সুলতানা রাজিয়া, আসিফ, সোহেল, ইসমাইল, কাজী আকবর প্রমুখ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ অঙ্গীকার

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ অঙ্গীকার—

১. আমার গ্রাম, আমার শহর- প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ

২. তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি: তরুণ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিকে রূপান্তরিত করা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।

৩. দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ

৪. নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ

৫. পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা,

৬. সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল

৭. মেগা প্রজেক্টগুলোর দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়ন

৮. গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা

৯. দারিদ্র্য নির্মূল

১০ সকল স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি

১১. সকলের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা

১২. সার্বিক উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির অধিকতর ব্যবহার

১৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা

১৪. আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা- লক্ষ্য যান্ত্রিকিকরণ

১৫. দক্ষ ও সেবামুখী জনপ্রশাসন

১৬. জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা

১৭ ব্লু ইকোনোমি- সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন

১৮. নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা

১৯ . প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অটিজম কল্যাণ

২০. টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ

২১. সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি

৩০ ডিসেম্বর দেশের মানুষের মুক্তির দিন — কাদের সিদ্দিকী

আগামী ৩০ ডিসেম্বর মানুষের মুক্তির দিন। আমাকে একজন বলেছিল, আপনি বঙ্গবন্ধুকে মনে রেখে রাজনীতি করেন। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে মানুষ হত্যা করে। ’৭১ সালে পাকিস্তানিরা পারেনি। এই সরকারও জুলুম করে ঠিকে থাকতে পারবে না।

বুধবার, ডিসেম্বর ১৯, বিকেল ৪টায় কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ-লালমাই) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষের কারারন্তরীণ মনিরুল হক চৌধুরীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ দিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করা যায় না। খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলে ৩০ তারিখ ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। ভোটকেন্দ্র রক্ষা করতে হবে। সুতরাং, সবাই প্রস্তুত হোন।

তিনি নলেন, নাঙ্গলকোট থানার ওসি নাকি প্রতিদিন গ্রেফতার করেন, আমি হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এক মাঘে শীত যায় না। মনিরুল হক চৌধুরীকে জেলখানায় রেখে কোনোকিছু করতে পারবে না। ধানের শীষের একমাত্র প্রতীক খালেদা জিয়া। মনিরুল হক চৌধুরীকে সেই প্রতীকে নির্বাচিত করুন।

‘জিয়াউর রহমান, আসম আব্দুর রব, কাদের সিদ্দিকী যেখানে, আমি বলবো, আমরাই স্বাধীনতা। পুলিশ প্রতিদিন গ্রেফতার করে, আমরা ভয় পাই না। ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকলে বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। এই সরকার ভয় পেয়েছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা, পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এসময় পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বানারহাট নামক স্থানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ ঙ্গলবার তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে গণসংযোগ করছেন। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে জনসভায় যোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে হঠাৎ করেই দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়।

ওই সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম গাড়িতেই ছিলেন তবে কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলার পর গাড়ি বহরে থাকা নেতাকর্মীরা নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন।

৩০ বছর বিএনপি করেও যে কারণে পদত্যাগ করলেন মনির খান Bangladesh Election 2018

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় আর কখনও বিএনপিতে ফিরবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মনির খান।

মনির খান বলেন, রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করব। আমি আর কখনও দলে ফিরব না। আমি আমার নিজ জীবন এবং সংগীতচর্চা নিয়ে থাকব।

মনির খান বলেন, আমি বাংলাদেশের একজন জাতীয় সংগীত শিল্পী। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগম জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) মহাসচিব হিসেবে দলে যোগদান করি। আমি এলাকার সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের পাশে থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছি।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মনির খান। কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

,

খেলোয়াড়ি জীবন শেষ না হতেই কেন রাজনীতিতে এলেন? জানালেন মাশরাফি নিজেই

আমার ক্যারিয়ার অবশ্যই শেষের দিকে। না আমি শচীন টেন্ডুলকার, না আমি গ্লেন ম্যাকগ্রা যে মানুষ আমাকে স্মরণ করবে। আমার মতো করেই ক্রিকেট খেলেছি। আমার মতো করেই সংগ্রামমুখর ক্যারিয়ারটা গড়েছি।

মানুষের জন্য কিছু করা সব সময়ই উপভোগ করেছি। এটা আমার ছোটবেলার শখ ছিল বলতে পারেন। ছোটবেলার চাওয়া-পাওয়া ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে সুযোগটা দিয়েছেন। যদি বৃহৎ পরিসরে কিছু করা যায়, এ ভাবনাতেই রাজনীতিতে আসা।

খেলা শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে আর প্রশ্ন না হোক, যে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এখন দিয়ে ফেলছি’, খেলার মধ্যে রাজনীতি যেন না আসে, মাশরাফি বললেন, সে কারণেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।

খেলার মানুষ রাজনীতিতে জড়িয়েছেন, মাশরাফি চাইলেও কি আর এড়াতে পারবেন?

বাংলাদেশ ভালো করলেও আসবে, খারাপ করলেও আসবে। এমনকি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে টস করতে গিয়েও যদি ধারাভাষ্যকররা তাঁর কাছে রাজনৈতিক-বিষয়ক মন্তব্য জানতে চান, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না!

,

মাশরাফি বিন মুর্তজা : জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদ বিবরণী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নড়াইল ২ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এরইমধ্যে বৈধতা পেয়েছেন মনোনয়নপত্রেরও।
নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যাক্তি মাশরাফির সবকিছু ঠিকঠাক না থাকলে হয়তো মনোনয়নপত্র পেতে ব্যাঘাত ঘটতো।

নির্বাচন কমিশনে দেয়া সম্পদ বিবরণীতে মাশরাফি বিন মুর্তজা জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় মাশরাফি জানিয়েছেন, তিনি কৃষিখাত থেকে বছরে ৫ লাখ ২০ হাজার, ব্যবসা (এমডি, দি ম্যাশ লি.) থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার, চাকরি (ক্রিকেট খেলে) করে ৩১ লাখ ৭৪ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪ হাজার ৭০০ টাকা আয় করেন।


সম্পত্তির বিবরণীতে তিনি জানান, তার মোট ৯ কোটি ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ৫১ টাকার (৫০ তোলা স্বর্ণবাদে) সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে তার হাতে রয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা রয়েছে। তিন ব্যাংকে রয়েছে ৬ কোটি ৩৭ লাখ ২৯ হাজার ৫১ টাকা। এ ছাড়া তার একটি কার, দুটি মাইক্রো এবং একটি জিপ রয়েছে যেগুলোর মূল্য ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।


স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে মাশরাফির ২ হাজার ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে যার মূল্য ১ কোটি ৮ লাখ টাকা। পূর্বাচলে তার একটি প্লট রয়েছে যার মূল্য ৮ লাখ ২৪ হাজার টাকা, ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের দালান রয়েছে।
:: সততা যার কাছে সবার উপরে, তার সঙ্গেই তো থাকবে সবাই!

 

১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল নোয়াখালীতে

নোয়াখালীতে রবিবার বিকেলে জেলা প্রশসাক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার তন্ময় দাসের কার্যালয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে ৬ টি আসনে ৭১ প্রার্থীর মধে ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

ঋণ খেলাপির দায়ে নোয়াখালী-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহীনুর বেগম, ভূয়া স্বাক্ষরের দায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস, নোয়াখালী-৬ আসনে ভুয়া স্বাক্ষরের দায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল উদ্দিন রাশেদ ও ভুয়া স্বাক্ষর ও ঋণ খেলাপির দায়ে সাইফুদ্দিন আহম্মেদ সহ বিভিন্ন আসনের ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

বিকেলে আসনসমূহের প্রার্থীতা যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে।