,

কুয়েতে গ্রেফতার সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল যেভাবে এম পি হলেন

রাজনীতিতে পোড়খাওয়া প্রবীণ নেতারা এমপি হতে না পারলেও হঠাৎ বিদেশ থেকে ‘উড়ে এসে জুড়ে বসেই’ হয়ে গেছেন বাংলাদেশের আইন প্রণেতা বা জাতীয় সংসদ সদস্য। শুধু কী তাই? এই ‘এমপি’র স্ত্রীর শখ পূরণে তাকেও সংসদে এনেছেন একই পথে। ‘দলবিহীন’ স্বামী-স্ত্রী এমপি হতে অবশ্য ‘কোটি-কোটি’ টাকা লগ্নি করতে হয়েছে বলে শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও সেলিনা ইসলাম দম্পত্তির ঘটনা। কুয়েতে অর্থ ও মানব পাচার মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পুলিশের হাতে আটক ও রিমান্ডে থাকা বাংলাদেশের আইন প্রণেতা পাপুল এখন বিশ্ব মিডিয়ায় আলোচনায় এসেছেন।

বিডিটুডে.নেট:বিশ্বসভায় হাসিনার ...

জন্মের পর পাপুলের বেড়ে ওঠা ঢাকা ও চট্টগ্রামে। ১৯৯২ সালে তার ভাই বিএনপি নেতা কাজী মঞ্জুরুল আলমের হাত ধরেই মরুভূমির দেশ কুয়েতে পাড়ি জমান তিনি। মরুর বুকে গড়ে তোলেন টাকার পাহাড়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেড়-দুই বছর আগে ২০১৬ সালে লক্ষ্মীপুরে আবির্ভূত হন কাজী পাপুল। স্থানীয় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা দেন এলাকায় জনসেবা করতে এসেছেন তিনি। নিজে মুখেই বলেন, ‘জন্মের পর প্রথম এসেছি। রায়পুরকে জেলায় রূপান্তরিত করতে চাই।’ এরপর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জামশেদ কবিরের হাত ধরে দান-খয়রাত শুরু করেন। স্থানীয় কিছু নেতা ও যুবকদের মোটরসাইকেল কিনে দিয়ে নিজের দলভারী করেন। কথায় কথায় টাকা পয়সা ঢেলে এলাকায় অল্প দিনে মানবতার সেবক বনে যান।

স্ত্রী-কন্যা-শ্যালিকাসহ পাপুলের ...

২০১৮ সালে তিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে বিশাল শোডাউন করে ধানমন্ডি দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। আর তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম সিআইপি নৌকা পেতে কুমিল্লা-১ (মেঘনা-দাউদকান্দি) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় দুজনই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হন। লক্ষ্মীপুর-২ আসনটি আওয়ামী লীগ মহাজোট প্রার্থীকে ছেড়ে দেয়। মহাজোটের প্রার্থী করা হয় জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ নোমানকে।

কে এই কাজী পাপুল?

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও ‘এমপি’ হওয়ার দৌড়ে থেমে থাকেননি পাপুল। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি। আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা-কর্মী মহাজোটের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালায়। পাপুলের শখের ‘এমপি’ হতে বাধা হয়ে দাঁড়ান জাতীয় পার্টির নোমান। তার সঙ্গে সমাঝোতার চেষ্টা করেন পাপুল। অবশেষে সফল হন। ১৯ ডিসেম্বর হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘বিজ্ঞপ্তি’ দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

প্রিয় | ইন্টারনেট লাইফ

লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসন ২৭৫ এর মহাজোট মনোনীত প্রার্থী মো. নোমান মহাজোটের বৃহত্তর স্বার্থে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহীদ ইসলামের সমর্থনে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আপনাদের জানা আছে যে, মো. শহীদ ইসলাম আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত নেতা ও সক্রিয় কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বৃহত্তর স্বার্থে এই আসনের বিজয় দলের পক্ষে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এরপর ২২ ডিসেম্বর শহরের তাজমহল সিনেমা হলের সামনে দলের জরুরি সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু প্রকাশ্যে বলেন, ‘বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নোমান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।…অনেক টাকা, অনেক টাকা।’ তার এই বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সভায় নেতাদের মধ্যে বিতন্ডা ও হাতাহাতিও হয়।

তখনকার জাপা দলীয় এমপি নোমানের ব্যক্তিগত সহকারী শাহ আলম নিজেও তখন গণমাধ্যমের কাছে বলেছিলেন, ‘পাপুলের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে তিনি (নোমান) সরে দাঁড়িয়েছেন বলে আমরা শুনেছি। তবে ওনাকে (নোমানকে) কয়েক দিন ধরে ফোনেও আমরা পাচ্ছি না।’ আর পাপুল তখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘গত আড়াই বছরে আমি এলাকায় বিপুল কাজ করেছি। প্রায় ৩২ কোটি টাকা মানবসেবায় খরচ করেছি।’ নোমানের সঙ্গে টাকার লেনদেনের বিষয়ে পাপুল তখন বলেছিলেন, ‘উনি ফাইন্যান্সিয়ালি (আর্থিকভাবে) দুর্বল।

নিজের স্বপ্ন পূরণ হলেও নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত স্ত্রী সেলিনা ইসলামকে সংসদে আনার মিশনে নামেন হঠাৎ এমপি হওয়া পাপুল। প্রথমে স্বতন্ত্র কোটায় এমপি করার মিশনে নামেন তিনি। বর্তমান সংসদে তিনজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য থাকায় কিছুটা হোঁচট খান। কারণ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে হলে ছয়জন এমপির ভোট প্রয়োজন হয়। সে সময়ে আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার পরামর্শে এমপিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাপুল। এবারও তার সাফল্য হাতে ধরা দেয়। বউকে এমপি বানাতে তার স্বপ্ন পূরণ হয়। এতে অবশ্য কোটি কোটি টাকার খরচ করতে হয়েছে বলেও পাপুলের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে অবৈধ ভিসা ব্যবসার দায়ে পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েত সিআইডি রিপোর্ট করলে গা ঢাকা দিতে দেশে ফিরে আসেন তিনি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তখন খবর আসে ‘কুয়েত থেকে লাপাত্তা পাপুল।’ এবার তিনি করোনার মধ্যেই কুয়েত ফিরে নিজেকে জাহির করতে ৯ মার্চ ফেসবুক লাইভে আসেন এবং সেখানে দম্ভ নিয়ে বলেন, ‘আমি কাচের পাহাড় তৈরি করিনি, আমি পাথরের পাহাড় তৈরি করেছি… এটা ভাঙবে না, কেউ ভাঙতে পারবে না।’ গত শনিবার রাতে তিনি কুয়েত সিআইডি পুলিশের হাতে আটক হয়ে রিমান্ডে রয়েছেন। বিষয়টি শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্ব মিডিয়ায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের একজন আইন প্রণেতার অর্থ ও মানব পাচারের ঘৃণ্য অপরাধটির।

অর্থ ও মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার হওয়া লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এমপি পাপলু ও তার স্ত্রী-কন্যার ...

গত শনিবার রাতে কুয়েতের মুশরিফ আবাসিক এলাকার বাসা থেকে পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েত সিআইডি। রবিবার তাকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। সোমবার তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় কুয়েতের আদালত। কুয়েতে মুদ্রা ও মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে কুয়েতি আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তারই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী ৫ বাংলাদেশি। সাক্ষীদের সবাইকে কুয়েতে নিয়েছিলেন পাপুল। কুয়েতি আদালতকে তারা বলেন, ‘কুয়েত আসার জন্য তারা পাপুলকে তিন হাজার কুয়েতি দিনার করে দিয়েছেন। এ ছাড়া প্রতি বছর আকামা নবায়নের জন্য দিয়েছেন ৩০০ দিনার বা তারও বেশি।’

এমপি পাপুল রিমান্ডে, দেয়া হবে ...

গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট থেকে সরে দাঁড়ালো ঐক্যফ্রন্ট

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক। দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১০, দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি।

এর আগে, জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক। এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। ভোট ডাকাতি, ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বক্স আগের রাতেই ভর্তির মহোৎসব ঘটেছে। এ কারণে এ আসনেও নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। তাই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।

একইসঙ্গে নির্বাচন বাতিল ও পুনরায় নির্বাচনের দাবিও জানান তিনি। এসময় জেলা ও সাদুল্যাপুর উপজেলা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসির ‘আচরণে’ ঐক্যফ্রন্টের সভা বর্জন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সভা বর্জন করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৫, দুপুর পৌনে ২টার দিকে সভা বর্জন করে সাংবাদিকদের একথা জানান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

এর আগে সাড়ে ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সাথে বৈঠকে বসে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, ড. মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গণফোরামের প্রেসিডেয়াম সদস্য মোস্তফা মহসিন মন্টু এবং ড. জাফুরুল্লাহ প্রমুখ।

ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানান, বৈঠকে তারা তাদের প্রার্থীর ওপর সারা দেশে হামলা, গ্রেফতার ও প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। বৈঠকের শেষের দিকে সিইসি কে এম নূরুল হুদার আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈঠক শেষ না করেই তারা বের হয়ে আসেন।

মিসেস আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে হামলা, সাংবাদিকসহ আহত অনেকে

মিসেস আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে হামলা, সাংবাদিকসহ আহত অনেকে

ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে আবারো হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। আজ ২৩ ডিসেম্বর রোববার দুপুর ১টার দিকে মুগদা এলাকার মানিকনগর পুকুরপাড় এলাকায় মিছিলের পেছন থেকে এ হামলা চালায় সরকার দলীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। হামলায় নারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনার পর আফরোজা আব্বাস গণসংযোগ বন্ধ করে বাসায় ফিরে গেছেন । এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আফরোজা আব্বাস।

দুপুর ১২টায় শাহজাহান পুরের নিজ বাসা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল নিয়ে মহিলাদল সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস গণসংযোগে বের হন। মিছিলটি মুগদা এবং মান্ডা হয়ে মানিকনগর মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় ¯ে^চ্ছাসেবক লীগ নেতা টুন্ডা বাবুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা হলো, মান্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি শামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল, মুগদা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাম্পু, ,মুগদা ¯ে^চ্ছাসেবক লীগ নেতা শামীম হোসেন, শাহাজাদা বাবু, আওলাদ, রুবেল, জীবন, মানিকনগর যুবলীগ নেতা জীবন, মান্ডা যুবলীগ নেতা হাজী বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ, বিচ্ছু রনি, চাঁনতারা ফারুক, পিচ্ছি রাসেল, শাহিন, প্লাবন, মান্ডা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আনোয়ার, মুগদা আওয়ামীলীগ নেতা গেলাম কিবরিয়া রাজা।

এ ঘটনায় হায়দার আলী, নামে একজন ফটো সাংবাদিক মারাত্মক আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। একইসঙ্গে তাকে মাটিতে ফেলে উপর্যুপরি লাথি মারতে থাকে ও পিটিয়ে আহত করে। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে আছেন, আসাদ, মিন্টু, পারভেজ।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন, মহিলাদল নেত্রী নূরজাহান আক্তার ইভা, শোভা, মনোয়ারা রহমান, জয়া, শারমিন আক্তার, মিজানুর রহমান, সোনিয়া আহমেদ, পারভিন, মর্জিনা আক্তার, ফরিদা পারভিন, সুলতানা রাজিয়া, আসিফ, সোহেল, ইসমাইল, কাজী আকবর প্রমুখ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ অঙ্গীকার

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ অঙ্গীকার—

১. আমার গ্রাম, আমার শহর- প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ

২. তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি: তরুণ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিকে রূপান্তরিত করা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।

৩. দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ

৪. নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ

৫. পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা,

৬. সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল

৭. মেগা প্রজেক্টগুলোর দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়ন

৮. গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা

৯. দারিদ্র্য নির্মূল

১০ সকল স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি

১১. সকলের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা

১২. সার্বিক উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির অধিকতর ব্যবহার

১৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা

১৪. আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা- লক্ষ্য যান্ত্রিকিকরণ

১৫. দক্ষ ও সেবামুখী জনপ্রশাসন

১৬. জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা

১৭ ব্লু ইকোনোমি- সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন

১৮. নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা

১৯ . প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অটিজম কল্যাণ

২০. টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ

২১. সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি

৩০ ডিসেম্বর দেশের মানুষের মুক্তির দিন — কাদের সিদ্দিকী

আগামী ৩০ ডিসেম্বর মানুষের মুক্তির দিন। আমাকে একজন বলেছিল, আপনি বঙ্গবন্ধুকে মনে রেখে রাজনীতি করেন। বঙ্গবন্ধুর মেয়ে মানুষ হত্যা করে। ’৭১ সালে পাকিস্তানিরা পারেনি। এই সরকারও জুলুম করে ঠিকে থাকতে পারবে না।

বুধবার, ডিসেম্বর ১৯, বিকেল ৪টায় কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিণ-লালমাই) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষের কারারন্তরীণ মনিরুল হক চৌধুরীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ দিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করা যায় না। খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলে ৩০ তারিখ ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। ভোটকেন্দ্র রক্ষা করতে হবে। সুতরাং, সবাই প্রস্তুত হোন।

তিনি নলেন, নাঙ্গলকোট থানার ওসি নাকি প্রতিদিন গ্রেফতার করেন, আমি হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এক মাঘে শীত যায় না। মনিরুল হক চৌধুরীকে জেলখানায় রেখে কোনোকিছু করতে পারবে না। ধানের শীষের একমাত্র প্রতীক খালেদা জিয়া। মনিরুল হক চৌধুরীকে সেই প্রতীকে নির্বাচিত করুন।

‘জিয়াউর রহমান, আসম আব্দুর রব, কাদের সিদ্দিকী যেখানে, আমি বলবো, আমরাই স্বাধীনতা। পুলিশ প্রতিদিন গ্রেফতার করে, আমরা ভয় পাই না। ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকলে বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। এই সরকার ভয় পেয়েছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা, পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এসময় পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর দুপুরে বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বানারহাট নামক স্থানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ ঙ্গলবার তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে গণসংযোগ করছেন। ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে জনসভায় যোগ দেয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে হঠাৎ করেই দুর্বৃত্তরা তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়।

ওই সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম গাড়িতেই ছিলেন তবে কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে পাঁচটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলার পর গাড়ি বহরে থাকা নেতাকর্মীরা নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন।

৩০ বছর বিএনপি করেও যে কারণে পদত্যাগ করলেন মনির খান Bangladesh Election 2018

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় আর কখনও বিএনপিতে ফিরবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মনির খান।

মনির খান বলেন, রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করব। আমি আর কখনও দলে ফিরব না। আমি আমার নিজ জীবন এবং সংগীতচর্চা নিয়ে থাকব।

মনির খান বলেন, আমি বাংলাদেশের একজন জাতীয় সংগীত শিল্পী। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বেগম জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) মহাসচিব হিসেবে দলে যোগদান করি। আমি এলাকার সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের পাশে থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছি।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মনির খান। কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

,

খেলোয়াড়ি জীবন শেষ না হতেই কেন রাজনীতিতে এলেন? জানালেন মাশরাফি নিজেই

আমার ক্যারিয়ার অবশ্যই শেষের দিকে। না আমি শচীন টেন্ডুলকার, না আমি গ্লেন ম্যাকগ্রা যে মানুষ আমাকে স্মরণ করবে। আমার মতো করেই ক্রিকেট খেলেছি। আমার মতো করেই সংগ্রামমুখর ক্যারিয়ারটা গড়েছি।

মানুষের জন্য কিছু করা সব সময়ই উপভোগ করেছি। এটা আমার ছোটবেলার শখ ছিল বলতে পারেন। ছোটবেলার চাওয়া-পাওয়া ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে সুযোগটা দিয়েছেন। যদি বৃহৎ পরিসরে কিছু করা যায়, এ ভাবনাতেই রাজনীতিতে আসা।

খেলা শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে আর প্রশ্ন না হোক, যে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এখন দিয়ে ফেলছি’, খেলার মধ্যে রাজনীতি যেন না আসে, মাশরাফি বললেন, সে কারণেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।

খেলার মানুষ রাজনীতিতে জড়িয়েছেন, মাশরাফি চাইলেও কি আর এড়াতে পারবেন?

বাংলাদেশ ভালো করলেও আসবে, খারাপ করলেও আসবে। এমনকি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে টস করতে গিয়েও যদি ধারাভাষ্যকররা তাঁর কাছে রাজনৈতিক-বিষয়ক মন্তব্য জানতে চান, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না!

,

মাশরাফি বিন মুর্তজা : জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদ বিবরণী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নড়াইল ২ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এরইমধ্যে বৈধতা পেয়েছেন মনোনয়নপত্রেরও।
নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যাক্তি মাশরাফির সবকিছু ঠিকঠাক না থাকলে হয়তো মনোনয়নপত্র পেতে ব্যাঘাত ঘটতো।

নির্বাচন কমিশনে দেয়া সম্পদ বিবরণীতে মাশরাফি বিন মুর্তজা জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় মাশরাফি জানিয়েছেন, তিনি কৃষিখাত থেকে বছরে ৫ লাখ ২০ হাজার, ব্যবসা (এমডি, দি ম্যাশ লি.) থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার, চাকরি (ক্রিকেট খেলে) করে ৩১ লাখ ৭৪ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪ হাজার ৭০০ টাকা আয় করেন।


সম্পত্তির বিবরণীতে তিনি জানান, তার মোট ৯ কোটি ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ৫১ টাকার (৫০ তোলা স্বর্ণবাদে) সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে তার হাতে রয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা রয়েছে। তিন ব্যাংকে রয়েছে ৬ কোটি ৩৭ লাখ ২৯ হাজার ৫১ টাকা। এ ছাড়া তার একটি কার, দুটি মাইক্রো এবং একটি জিপ রয়েছে যেগুলোর মূল্য ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।


স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে মাশরাফির ২ হাজার ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে যার মূল্য ১ কোটি ৮ লাখ টাকা। পূর্বাচলে তার একটি প্লট রয়েছে যার মূল্য ৮ লাখ ২৪ হাজার টাকা, ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের দালান রয়েছে।
:: সততা যার কাছে সবার উপরে, তার সঙ্গেই তো থাকবে সবাই!