Creality3D CR – 10 Accurate Large Size Desktop DIY 3D Printer – Multi EU Plug

Creality3D CR – 10 3D Large Size Desktop DIY Printer LCD Screen Display with SD Card Off-line Printing Function

Description:
The Creality3D CR – 10 3D Desktop Printer is a 3D printer with the imported special aluminum frame. It features with super large 300 x 300 x 400mm build volume, standard 0.4mm nozzle diameter ( can be replaced to 0.3 / 0.2mm ). To maintain the garage-built feel and the handmade charms, CR – 10 3D desktop printer is also a build-it-yourself kit, which provides you an unforgettable step-by-step learning experience of 3D printer!

Main Features:
● With LCD screen and keypad for easy offline use

● Supports SD card off-line printing, can also directly print with USB adapter

● 300 x 300 x 400mm build volume, just right for you

● Supports multiple 3D printing filaments: ABS / PLA / TPU and so on

● Further simplified structure means fast assembly and easy adjustment, which saves you both time and energy

● Enhanced stability and reliability: aluminum plate ensures more stable printing

● Assembly is simple and suitable for DIY customers

● It is an unassembled DIY kit, which provides you an unforgettable step-by-step learning experience for the 3D printer from scratch. As long as you have a passion for creativity, you can not afford to miss this product

● Nozzle temperature: below 250 Deg.C in a normal state, max. 270 Deg.C

ব্যাংক ভাইভাতে যেসব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে জেনে নিন

  1. VIVA_VOCE EXAM ER JONNO IMPORTANT KICHU QUESTION
    ১। ব্যাংক কাকে বলে ?
    উত্তর : ব্যাংক হলো মধ্যস্থতাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান
    যা জনগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে নগদ অর্থ
    জমা রাখে এবং এদের ঋণদান করে।
    ২। ব্যাংকিং কি ?
    উত্তর : ব্যাংকের সকল কার্যক্রমকে ব্যাংকিং বলে।
    ৩। বাণিজ্যিক ব্যাংক কি ?
    উত্তর : আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদানের মাধ্যমে মুনাফা
    অর্জনের উদ্দেশ্যে যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে
    বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
    বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংক –৯ টি।
    ৬+৩= ৯ টি।
    ৪। বাণিজ্যিক ব্যাংকের পোর্টফলিও কি ?
    উত্তর : কোন বিনিয়োগকারী তার মোট মূলধনকে বিভিন্ন
    আর্থিক সম্পদে আনুপাতিক হারে বিনিয়োগ করে যে আয়
    পায় তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পোর্টফলিও বলে।
    ৫। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক
    ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৬টি (1.SBL, 2.JBL, 3.ABL, 4.RBL, 5.BDBL, 6.BASIC
    Bank)
    ৬। তফছিলি ব্যাংক কি ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স গ্রহণকারী
    ব্যাংক যা সকল বিধি বিধান যথা ন্যুনতম মূলধন,CRR, SLR,
    প্রভিশন, রিটার্ন দেয়া ইত্যাদি মেনে চলে । Cash reserve
    Ratio (CRR) এবং Statutory liquidity ratio (SLR)
    ৭। বাংলাদেশে তফছিলিভুক্ত ব্যাংক ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৫৮টি (সর্বশেষ—প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
    ৮। বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যবস্থা কি ?
    উত্তর :বিশেষ অর্থনৈতিক খাতে বিশেষ লক্ষ্য অর্জনের
    জন্য যে ব্যাংক বাবস্থা পরিচালিত হয় তাকে
    বিশেষায়িত ব্যাংক বাবস্থা বলে।
    ৯। বাংলাদেশে সরকারী মালিকানাধীন বিশেষায়িত
    ব্যাংক কতটি ?
    উত্তর : ৩টি (1.BKB, 2.RAKUB,PKB)
    ১০। উন্নয়ন ব্যাংক কি ?
    উত্তর : উন্নয়ন ব্যাংক বলতে বিশেষায়িত সরকারী এবং
    বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় যারা মূলত
    বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গঠন এবং প্রসারের জন্য মধ্যম
    ও দীর্ঘমেয়াদী তহবিল সরবরাহ করে।
    ১১। বাংলাদেশের ২টি উন্নয়ন ব্যাংকের নাম বলুন।
    উত্তর : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন
    ব্যাংক।
    Part-2
    ———
    ১। সুদের হার কি ?
    উত্তর :ঋণ গ্রহণের জন্য প্রদত্ত অর্থের শতকরা হারকে
    সুদের হার বলে।
    ২। ব্যাংক হার কি ?
    উত্তর : কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে হারে তফসিলীভুক্ত
    ব্যাংকসমূহকে ঋণ প্রদান করে তাকে ব্যাংক হার বলে।
    বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক হার ৫%
    ৩। ব্যাংক হার নীতি কি ?
    উত্তর : যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক
    ব্যাংকগুলকে ঋণ প্রদান করে থাকে তাকে ব্যাংক হার
    নীতি বলে।
    ৪। ঋণ নীতি কি ?
    উত্তর :ব্যাংক জনগণের সঞ্চিত অর্থ আমানত হিসাবে
    গ্রহণ করে এবং এই আমানতের নির্দিষ্ট অংশে জনগণকে
    আবার ঋণ হিসাবে মঞ্জুর করে এজন্য ব্যাংককে ঋণ
    মঞ্জুর ও আদায়ের ক্ষেত্রে যথাযথ নীতি নির্ধারণ করতে
    হয়। এরূপ নীতিকে ঋণ নীতি বলা হয়।
    ৫। আর্থিক নীতি কি ?
    উত্তর : একটি দেশের মুদ্রার যোগান ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ
    নীতিকে আর্থিক নীতি বলে।
    ৬। খোলাবাজার নীতি কি ?
    উত্তর : কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক অর্থের যোগান
    নিয়ন্ত্রণের জন্য খোলাবাজারে হুন্ডি, শেয়ার, ঋণপত্র
    ইত্যাদি বিক্রয়ের মাধ্যমে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিকে
    খোলাবাজার নীতি বলে।
    ৭। প্রকৃত আমানত কি ?
    উত্তর : কোনো ব্যাংক তার নিজস্ব মূলধনের যে অংশ
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে তাকে প্রকৃত আমানত
    বলে।
    ৮। মুদ্রাপাচার কি ?
    উত্তর :দেশ থেকে বিদেশে অথবা, বিদেশ থেকে অবৈধ
    উপায়ে মুদ্রা স্থানান্তর করলে তাকে মুদ্রা পাচার বলে।
    ৯। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ফজলে
    কবির (১১ তম)।
    ১০। বিহিত মুদ্রা কী ?
    সরকারের পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত নোট ও
    মুদ্রাকেই বিহিত মুদ্রা।
    ১১। SDR কি ?
    উত্তর : SDR হলো কতিপয় দেশের মুদ্রার একটি গড়
    গুরুত্বসূচক ম্যান যা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল সত্তর
    দশকের শেষের দিকে চালু করে।
    ১২। ইউরো ডলার কি ?
    উত্তর :ইউরোপীও ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো একত্রিত হয়ে যে
    একক মুদ্রা চালু করেছে তাকে ইউরো ডলার বলে।
    ১৩। SDR এর পুর্ণরূপ বলুন । উত্তর : SDR এর পুর্ণরূপ Special
    Drawing Rights
    ১৪। CIB এর পুর্ণরূপ বলুন । উত্তর : CIB এর পুর্ণরূপ Credit
    Information Bureau
    ১৫। মার্ক আপ নীতি কি ?
    উত্তর :কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্য প্রতিষ্ঠানের মূল্য
    নির্ধারণ নীতির উপর ভিত্তি করে নিজস্ব সেবার মূল্য
    নির্ধারণ করে তখন তাকে মার্ক আপ নীতি বলে।
    ১৬। নিকাশ ঘর কি ?
    উত্তর :বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা-পাওনা মেটানোর
    জন্য যে প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত থাকে তাকে নিকাশ ঘর
    বলে। অন্যভাবে,
    নিকাশ ঘর হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যাতে কোনো
    নির্দিষ্ট স্থানে আনীত সব চেক ও হুন্ডির উদ্বৃত্ত পরস্পর
    দাবির বিপক্ষে যোগ-বিয়োগ করা হয়। এটি প্রাত্যহিক
    লেনদেন নিষ্পত্তির স্থান।
    ১৭। নিকাশ ঘর কে নিয়ন্ত্রণ করে ?
    উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক।
    ১৮। ঋণপত্র কি ?
    উত্তর : ঋণপত্র হচ্ছে ঋণ প্রদানকারী ও ঋণ গ্রহণকারীর
    মধ্যে এমন একটি চুক্তিপত্র যার মধ্যে ঋণকৃত অর্থের
    পরিমাণ, সুদের হার, মেয়াদ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
    Courtesy – Mithun Chakroborthy

ব্যাংকে নিয়োগ – ফের আবেদন ফি আরোপের সিদ্ধান্ত

ব্যাংকে চাকরির আবেদনে প্রার্থীদের আবারও ফি দিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে আবেদন ফি হবে দুইশ’ টাকা। তবে কী উপায়ে এ ফি প্রার্থীরা জমা দিবেন তা এখনও যাচাই-বাছাই চলছে। সম্প্রতি দেশের সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রণালয়ের ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২০১৫ সালে ড. আতিউর রহমান গভর্নর থাকাকালে ব্যাংকে চাকরি প্রার্থীদের আবেদনে ফি না নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে অনেক প্রার্থী আবেদন করে। তার মধ্য থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক প্রার্থীই পরীক্ষা দিতে আসেন না। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করতে হয় সবার জন্যই। এতে অর্থের অপচয় হয়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আবেদন ফি সংক্রান্ত বৈঠকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সরকারি ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে ৩০০ টাকার বেশি ফি নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

কিন্তু গভর্নর তা কমিয়ে ২০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত দেন। এক্ষেত্রে সরকারি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ফি সোনালী ব্যাংক কিংবা টেলিটকের মাধ্যমে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশে বর্তমানে ৫৯টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। প্রতি বছর এসব ব্যাংকের ৪০০ থেকে ৫০০টি শাখা সম্প্রসারিত হচ্ছে। নতুন শাখা পরিচালনা ও অবসরে যাওয়া শূন্য পদের বিপরীতে জনবল নিয়োগে বছরব্যাপী জনবল নিয়োগ করে থাকে ব্যাংকগুলো।

যমুনা ব্যাংকে চাকুরির সুযোগ আসছে। বেতন ৬২০০০ হাজার – বিস্তারিত দেখুন

Career Opportunity at “Jamuna Bank Ltd.”

Position:
1. Management Trainee
2. Probationary Officer
Salary on probation:
★MTO=50000/=
★PO =40000/=
Satisfactory completion of 1 year probation period “Management Trainee” will be absorbed as “First Executive Officer” with salary 62000/= and “Probationary Officer” will be absorbed as “Officer-General” with salary 46000/=

Educational Requirement:
4 years graduation in any discipline from any reputed University of the country or any reputed foreign university. Candidates should have minimum CGPA 3.0 out of 4.00 in Graduation and 4.50 out of 5.00 in SSC and HSC.
Apply Link:
jamunabankbd.com/index.php/career

Note: Circular will available at “Jamuna Bank” website Tomorrow

বেগম জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন নির্দিষ্ট সময়ের আগেই মানববন্ধনে বিএনপি নেতাকর্মীরা

দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় ধরে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তাঁর সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করছে বিএনপি। মানববন্ধনে যোগ দিতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপুল সংখ্যক বিএনপি ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।

বুধবার ৬ মার্চ দুপুর ১২টার আগেই মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে যান নেতাকর্মীরা। মানববন্ধনটি আনুষ্ঠানিকভাবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

৪০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি

#৪০_তম_বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি আশা করছি ভালভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আপনাদের জন্য বিষয়ভিত্তিক কিছু কথা লিখলাম। তবে এক একজনের প্রস্তুতির ধরন এক একরকম। শেষ পর্যন্ত প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হওয়ার মত কাট-অফ মার্ক থাকাটাই মুখ্য কথা।
#English_Language_and_Literature
১। প্রস্তুতির সময় আমাদের অনেকেই ইংরেজী বিষয়টা ভয় বা অনিচ্ছায় প্রথমে না পড়ে পরে পড়ার জন্য রেখে দেই। কিন্তু কেউ যদি এই অংশকে গুরুত্ব দিয়ে প্রথম থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারে তাহলে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অনেক ভালো। মনে রাখবেন যারা পরীক্ষাতে ইংরেজি অংশে ভালো করবে তারা অন্যদের চেয়ে অনেকাংশে এগিয়ে থাকবে।
২। Job Solution, English for Competitive Exam, MATRIX অথবা এ ধরনের বইগুলো থেকে গ্রামারের আগের পরীক্ষার প্রশ্নগুলো পড়ে নিবেন।
৩। বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা গ্রামারের একই প্রশ্নগুলো ভালো করে দেখবেন।
৪। Synonyms, Antonyms পড়াতে বেশি সময় না দিয়ে তা Grammar বা Literature এ দিন। Spellings ভালো করে পড়ে যান। Composition অংশ ছোট হলেও দেখতে ভুলবেন না।
৫। Literature অংশ অনেক সময়ই মনে থাকে না। এই অংশ বারবার করে পড়েন।
৬। University Wits, Elizabethan Age থেকে Shakespeare, Marlowe, Bacon, Spencer, Ben Jonson, Robert Herrick, Metaphysical Poets থেকে Marvell, Donne, Herbert, Neo-Classical থেকে Milton,Defoe, Gray, Swift, Pope, Henry Fielding, Burke, Samuel Johnson, Romantic Period*** থেকে Blake, Wordsworth, S.T.Coleridge, P.B. Shelley, Keats, Byron, Jane Austin (ব্যাতিক্রম এই Period এ), Scott, Victorian Period থেকে Tennyson, Browning, Matthew Arnold, Dumas, William Makepeace Thackeray, Dickens, Tolstoy, Hardy, Modern and Post-modern Period থেকে G.B.Shaw, Bertrand Russell, O’Henry, W.B.Yeats, Maugham, Joyce, Wolf, D.H. Lawrence, Eliot, Orwell, Hemingway, Buckett, Pearl S. Buck, Pinter অবশ্যই দেখে যাবেন।
৭। Fundamental যেসব Literary Terms আছে সেগুলো ভালো করে পড়বেন।
৮। Shakespeare সহ গুরুত্বপূর্ণ কবি-সাহিত্যিকদের এর পপুলার Play/ Book গুলো কী বিষয়ে লেখা সেগুলো পড়বেন।
৯। অনেকেরই বিভিন্ন নভেলের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নামগুলো প্রায়ই মনে থাকে না। এক্ষেত্রে শুধু বিখ্যাত সব বইয়ের character গুলোর নাম ভালো করে দেখে যেতে পারেন।
১০। Philosophers, Essayist, Romantic Period এর লেখকদের কোটেশন ভালো করে দেখে যাবেন।
সকলের প্রতি অনেক শুভকামনা রইলো।
–রাজীব দাশ পুরকায়স্থ
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
৩৬ ব্যাচ

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার
১. প্রতিহিংসা বা জিঘাংসা নয়, জাতীয় ঐক্যই লক্ষ্য:

• বিগত দশ বছরে কল্পনাতীত স্বেচ্ছাচারিতা এবং পুলিশকে দলীয় ক্যাডার হিসাবে ব্যবহার করে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা, গুম, খুন, মামলার ঘুষ বাণিজ্য ও বিচার বহির্ভূত হত্যায় লাখো পরিবার ক্ষুব্ধ ও বিপর্যস্ত। এই সমস্যা সমাধান করে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী, আইনজীবী সমন্বিত সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন (Truth and Reconciliation) কমিশন গঠন করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অতীতের হয়রানিমূলক মামলা সুরাহার লক্ষ্যে খোলামনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সৃষ্ট সব ফৌজদারি মামলা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সৃষ্ট মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

• সকল জাতীয় বীরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করে স্কুল-কলেজে পড়ানো হবে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করা হবে।

• এক দলীয় শাসনের যেন পুন:জন্ম না ঘটে তা নিশ্চিত করা হবে।

২. ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনি আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার:
• রাষ্ট্রের মালিক জনগণের ভোটের অধিকার শতভাগ রক্ষা করার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় নাগরিকদের পছন্দের জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার পূর্ণাঙ্গ অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
• সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি করা হবে।
• নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় তার কাজে সরকারের প্রভাবমুক্ত থাকবে এবং তার স্বাধীন বাজেট থাকবে।
• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংস্কার করে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন সহজ করা হবে এবং স্বতন্ত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটারের সর্থনের বিধান বাতিল করা হবে।
• প্রতিটি পর্যায়ের নির্বাচনে পেশিশক্তি, কালো টাকা এবং গণমাধ্যমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

৩. মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ:
• ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করা হবে।
• মত প্রকাশের ক্ষেত্রে মানুষ পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। গণমাধ্যমের ওপর কোনও রকম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।
• সামাজিক গণমাধ্যমে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি নিষেধ থাকবে না।
• সরকারি পদক্ষেপ এবং পদধারীদের বিরুদ্ধে সমালোচনা, এমনকি ব্যঙ্গ-বিদ্রুপেরও অধিকার থাকবে। এসব ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে মানহানির মামলা তার নিজেকেই করতে হবে (অন্য কেউ করতে পারবে না) এবং এই ধরনের মামলা কোনোভাবেই ফৌজদারি মামলা হবে না।

৪. ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতকরণ:
• দেশের বিচার ব্যবস্থা, বিশেষ করে নিম্ন আদালত এখনও কার্যত সরকারের অধীনেই আছে। সংবিধানের ১১৫ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে নিম্ন আদালতকে পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে দেওয়া হবে।
• সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুধু অনাস্থা ভোট এবং অর্থবিল ছাড়া অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে দলীয় সংসদ সদস্য দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও তাদের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে না এমন সংশোধনী ৭০ অনুচ্ছেদে আনা হবে।
• সংসদের উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করা হবে। সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে উচ্চকক্ষের গঠন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।
• সকল সাংবিধানিক পদে নিয়োগের জন্য সুস্পষ্ট আইন তৈরি করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিসহ সব সাংবিধানিক পদে নিয়োগের জন্য স্বাধীন কমিশন (বিরোধীদলীয় প্রতিনিধিসহ) গঠন করা হবে। উক্ত কমিশন কর্তৃক প্রাথমিক মনোনয়নের পর নিয়োগের পূর্বে তাদের নাম জনগণের মতামতের জন্য প্রচার করা হবে।
• সংসদীয় স্থায়ী কমিটির উল্লেখযোগ্য পদ সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।
• প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হবে। মন্ত্রিসভাসহ প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকার সাংবিধানিক বাধ্যবাদকতা নিশ্চিত করা হবে। পর পর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না।
• সংসদের ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে।
• আইন এবং রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়ন এবং পর্যালোচনাই হবে সংসদ সদস্যদের মূল কাজ। খবরদারি নয়, সংসদ সদস্যগণ স্থানীয় উন্নয়নে স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সহায়তামূলক ভূমিকা পালন করবেন।
• বিরোধী দলের সাংবিধানিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রপরিচালনায় বিরোধী দলের মতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

৫. স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা এবং বিকেন্দ্রীকরণ:
• দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের হাতে।
• বর্তমানে কমবেশি ৫ শতাংশ বাজেট স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে ব্যয়ের পরিবর্তে প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে বাড়িয়ে পাঁচ বছরে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ বাজেট স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে ব্যয়ের বিধান করা হবে।
• বাজেটে প্রতিটা জেলার জন্য জেলা বাজেট এবং সেটা পর্যায়ক্রমে নিচের দিকে স্থানীয় সরকারের মধ্যে বণ্টন করা হবে।
• জেলা পরিষদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবে।
• রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
• পৌর এলাকাগুলোতে সব সেবা সংস্থা মেয়রের অধীনে রেখে সিটি গভর্নমেন্ট চালু করা হবে।
• স্থানীয় সরকারের দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে নির্বাচনের প্রথা বাতিল করা হবে।
• ঢাকার কাছাকাছি বিভিন্ন জেলায় উন্নত নাগরিক সুবিধাসহ কয়েকটি শহর গড়ে তোলা হবে যেখান থেকে ঢাকায় খুব দ্রুত যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকবে।
• জনকল্যাণে প্রশাসনিক কাঠামো প্রাদেশিক পর্যায়ে বিন্যস্ত করা এবং স্থানীয় সরকারের স্তর নির্ধারনের লক্ষ্যে কমিশন গঠন করা হবে।

৬. তরুণদের কর্মসংস্থান:
বেকার সমস্যার সমাধান হবে আমাদের সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের একটি। সরকারের সীমাহীন ব্যর্থতার ফলে ‘কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির’ দুষ্টচক্র থেকে তরুণ সমাজকে বের করে আনতে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী ব্যতীত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের জন্য কোনও বয়সসীমা থাকবে না।
• সরকারি চাকুরিতে শুধুমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা ছাড়া আর কোনও কোটা থাকবে না।
• ত্রিশোর্ধ্ব শিক্ষিত বেকারের জন্য বেকার ভাতা চালু করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা পরীক্ষা করে বাস্তবায়ন করার জন্য একটি কমিশন গঠন করা হবে।
• আগামী ৫ বছরের মধ্যে সব সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।
• প্রতি জেলা-উপজেলায় তরুণদের কর্মমুখী করার লক্ষ্যে কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা ও স্বীকৃতি প্রদানের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। বেকার তরুণদের উদ্যোক্তা করার প্রয়াসে বেসরকারি ঋণ প্রদান ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রশাসনিক জটিলতা, ঘুষ-দুর্নীতি, রাজনৈতিক পোষকতা মুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• বড় নিয়োগ পরীক্ষাগুলো বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের মতো বিভাগীয় শহরগুলোতেও নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ‌সরকারি কর্মকমিশনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে জনবল বৃদ্ধি করে সরকারি সকল চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। প্রয়োজনে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে আলাদা বোর্ড গঠন করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• সরকারি চাকরি আইনের আলোকে বেসরকারি চাকরি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে বিদ্যমান বৈষম্য কমানো হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• দেশে কাজ করা ওয়ার্ক পারমিটবিহীন অবৈধ সকল বিদেশি নাগরিকের চাকরি বন্ধ করা হবে। যেসব সেক্টরে বৈধ বিদেশি চাকুরিজীবী আছেন, সেসব ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশীয় তরুণদের নিয়োগে উৎসাহ দেয়া হবে। বৈধ বিদেশি চাকরিজীবীদের আয়কর প্রদানে বাধ্য করা হবে।
• সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয় দেশে নিয়ে আসার জন্য দ্রুততম সময়ে পেপ্যাল সেবা দেশে আনা হবে।
• বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা, ভোকেশনাল ট্রেনিং এবং চাকরি উপযোগী প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণদেরকে বিদেশে কর্মসংস্থানে সহায়তা করা হবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যয় বর্তমানের তুলনায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। চূড়ান্তভাবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলে নামমাত্র সুদে ঋণ দেওয়া হবে।
• গ্রামে অবস্থান করে দেশবাসীর পুষ্টির উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত তরুণ তরুণীরা ক্ষুদ্র পোলট্রি ফার্ম স্থাপন করে উৎপাদন ও বাজারজাতে নিয়োজিত হলে তাদের বিনা সুদে ঋণ ও অন্যান্য বিশেষ প্রণোদনা সাহায্য দেয়া হবে এবং পোলট্রি সংশ্লিষ্ট প্রাণী ও উৎপাদন সামগ্রীর পুরো আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর মুক্ত হবে আগামী ১০ (দশ) বছরের জন্য। তবে বড় পুঁজির পোলট্রিতে ১৫ শতাংশ বিক্রয় শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
• উদ্যোক্তা তরুণদের জন্য খুব কম সুদে ঋণ প্রদান করা হবে।
• ব্যাপক সংখ্যক নন-গ্র্যাজুয়েটের কর্মসংস্থান হবে কৃষি উৎপাদন এবং কৃষি বিপণন সমবায়ে। প্রয়োজন মাফিক বহুল ব্যবহৃত এবং প্রয়োজনীয় স্বল্প উৎপাদিত কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিশেষ উৎসাহ ভর্তুকি দেওয়া হবে।
• দরিদ্র ও স্বল্প শিক্ষিত যুবকদের একটি আফ্রিকান ভাষায় কথোপকথন ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার সর্ম্পকিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের কৃষিতে তাদের ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। জাপানেও কৃষিতে কর্মসংস্থানের উজ্জ্বল সম্ভাবনা আছে।
• তরুণদের সরকারি উন্নয়নকাজে সংযুক্ত করা হবে।
• বেশি সংখ্যক কর্মসংস্থানের জন্য শ্রমঘন মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প খাতকে উৎসাহিত করা হবে এবং প্রণোদনা দেয়া হবে।

৭. শিক্ষা:
• কর্মসংস্থানকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কারের জন্য কমিশন গঠন করা হবে।
• সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আসন সংরক্ষণ করা হবে।
• জাতির ভবিষ্যৎ যোগ্য নেতৃত্ব বিকাশের পথকে সুগম করার লক্ষ্যে প্রথম বছরেই ডাকসুসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করা হবে।
• পিইসি এবং জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
• প্রকৃত দরিদ্র অস্বচ্ছল মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে উপযুক্ত হারে বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে এবং এই ক্ষেত্রে অর্থায়নের সাহায্যের জন্য সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিএসআর বাধ্যতামূলকভাবে চালুর ব্যবস্থা করা হবে।(তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গুলোকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাগ করে সরকারিভাবে শিক্ষাব্যয় সুনির্দিষ্ট করে ফি নির্ধারণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• মেধাপাচার রোধে মেধা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি যথার্থ মূল্যায়ন ও উপযুক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। ট্যালেন্ট সার্চ কর্পোরেশন গঠনের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন কৃত্রিম সংকট দূর করে আবাসন সমস্যার সমাধান করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হলের সংখ্যা (বিশেষ করে মেয়েদের হল) বৃদ্ধি করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ছাত্র রাজনীতির নামে আবাসিক হলগুলোতে সিট বাণিজ্য জোরপূর্বক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও শিক্ষার্থী নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং আবাসিক হলের বরাদ্দ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে হল প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর খাবারের মানোন্নয়ন ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত ভর্তুকি দেওয়া হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আলাদা আলাদাভাবে না নিয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল কৃষি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ করে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষক নির্বাচনে একাডেমিক ফলাফল গবেষণা কর্ম বা পিএইচডি ডিগ্রি ছাড়া নিয়োগ প্রদান করা হবে না। ‌শিক্ষকদের পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা নির্ধারণ এবং গবেষণা কর্মের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সহশিক্ষকতার সার্বিক দক্ষতাকে বিবেচনা করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• ‘প্রশ্ন ফাঁস বিরোধী সেল’ গঠন এবং প্রশ্নফাঁস রোধে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ মহলে জবাবদিহিতা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। (তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ থেকে সংযুক্ত)
• বেসরকারি স্কুলগুলোকে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করা হবে।
• ধসে পড়া শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• সকল পর্যায়ের শিক্ষকদের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষন বৃদ্ধি করা হবে।
• প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নতুন ক্যাডার সার্ভিস চালু করা হবে।
• শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• কর্মমুখী শিক্ষায় আগ্রহীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে।
• মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কারিগরী শিক্ষা দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থান করা হবে।
• প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষার জন্য শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
• শিক্ষা ক্ষেত্রে জিডিপি’ অনুপাতে বরাদ্দ বর্তমানের ২.২৫ শতাংশের পরিবর্তে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ইউনেস্কো নির্দেশিত ৬ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
৮. দুর্নীতি দমন:
বৃহৎ প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মুখোমুখি হওয়া বিভিন্ন সেবা খাতের দুর্নীতি দমনকে আমাদের সরকার অগ্রাধিকারের শীর্ষে রাখবে।
• দায়িত্ব পাবার সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বর্তমান সরকারের সব দুর্নীতির তদন্ত করে তার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
• সংবিধান নির্দেশিত পথে ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে এবং সংবিধান নির্দেশিত সব দায়িত্ব পালনে ন্যায়পালকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হবে। কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিটি ইউনিটে ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে।
• দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে।
• দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতারে সরকারের অনুমতির বিধান (সরকারি চাকরি আইন – ২০১৮) বাতিল করা হবে।
• স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য তথ্য অধিকার আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
• সরকারি-বেসরকারি নানা দুর্নীতি অনিয়ম প্রকাশকারী ব্যক্তিদের (হুইসেল ব্লোয়ার) সুরক্ষা দানকারী হুইসেল ব্লোয়ার’স অ্যাক্ট সংশোধন করে আরও শক্তিশালী করা হবে এবং সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি ফাঁসকারিদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
• দেশ থেকে টাকা পাচারের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাচারকৃত টাকা দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৯. স্বাস্থ্য:
• দেশের সব ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রসমূহ স্বাস্থ্যক্যাডারের একজন সরকারি কর্মকর্তার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
• ৩১ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পর্যায়ক্রমিকভাবে ৫০ শয্যাবিশিষ্টে রূপান্তর করা হবে।
• সব জেলায় একটি করে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনপূর্বক ৫০০ শয্যার হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।
• সব জেলায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট সিসিইউ, ২০ শয্যার আইসিইউ, ১০ শয্যার এনআইসিইউ স্থাপন করা হবে।
• পুরাতন ২১ জেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিক একটি করে ২০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং একটি করে ক্যান্সার কেমোথেরাপি সেন্টার গড়ে তোলা হবে এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে তা সব জেলায় প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা হবে।
• গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সকল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এক বৎসর ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করে এক বছর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হবে।
• সকল বড় ও জেলা শহরে জেনারেল প্র্যাকটিশনার প্রথা চিকিৎসা সৃষ্টি করে দ্রুত যথাযথ চিকিৎসার জন্য রেফারেল ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। মেট্রোপলিটন শহরে নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক জেনারেল প্র্যাকটিশনার পদ্ধতি চালু করা হবে। নাগরিকগণ একজন স্থানীয় জেনারেল প্র্যাকটিশনারের সঙ্গে নিবন্ধিত থাকবেন। জেনারেল প্র্যাকটিশনার রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ দেবেন এবং প্রয়োজন মাফিক রোগীকে জেনারেল ও বিশেষায়িত হাসপাতালে রেফার করবেন। জেনারেল প্র্যাকটিশনার ক্লিনিকে পূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসা পরিচর্যা ও রোগ নির্ণয়, ৫০টি অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ ও ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা থাকবে। কেন্দ্রীয় বাজেটে জেনারেল প্র্যাকটিশনার পদ্ধতি প্রচলনের জন্য পর্যাপ্ত বার্ষিক বরাদ্দ থাকবে।
• তিন মাসের মধ্যে ওষুধ এবং ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার খরচ নির্ধারণ করে সেটা প্রয়োগের মাধ্যমে এসব খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হবে।
• এনজিও ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্রিয় সাহায্য সহযোগিতায় সব রোগ প্রতিষেধক ব্যবস্থা, পরিবার পরিকল্পনার ব্যাপক প্রসার, নিরাপদ পানীয় ও পয়:প্রনালি, অসংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ ও গর্ভবতীর শতভাগ সেবা প্রচলন ও অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সঙ্গে স্থানীয় ধাইদের অব্যাহত প্রশিক্ষণ দিয়ে নিজ বাড়িতে নিরাপদ প্রসবের চেষ্টা বিস্তৃত করা হবে।
• অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন সংস্কার করা হবে যাতে কোনও সুস্থ ব্যক্তি স্ব-ইচ্ছায় নিজের একটি অঙ্গ বা অঙ্গের অংশবিশেষ দান করতে পারেন। স্ব-ইচ্ছায় অঙ্গ দান করা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য করা হবে। অঙ্গ দানকারীকে সরকার বিশেষভাবে সম্মানিত করবেন।
• বেসরকারি পর্যায়ে একজন সার্জনকে ৫০ হাজার টাকা অপারেশন ফি দেওয়ার পরও অঙ্গ প্রতিস্থাপন দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকায় করা সম্ভব হবে। উন্নত মানের চোখের ফ্যাকো সার্জারি ১৫ হাজার টাকায় এবং ৩০-৪০ হাজার টাকায় হৃদরোগের স্টেন্ট স্থাপন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত মুনাফা করতে পারবেন। স্বাস্থ্য খাতে লাগামহীন মুনাফা অকল্পনীয় দুর্নীতির সমতুল্য। সরকার, বিজ্ঞ নি:স্বার্থ পেশাজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিক কমিটির মাধ্যমেএসব ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
• বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অত্যাবশ্যকীয় ৪০০ অনধিক ওষুধের কাঁচামালের আমদানি শুল্কমুক্ত করা হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকা বহির্ভূত ওষুধের উৎপাদন ও আমদানির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য হবে। ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য অধিকতর প্রণোদনা দেওয়া হবে। দেশের প্রধান ৫০টি ওষুধ ফরমুলেশন কোম্পানি কমপক্ষে দুটি করে কাঁচামাল উৎপাদনে বাধ্য থাকবেন, যাতে ওষুধের কাঁচামালের জন্য বিদেশনির্ভরতা কমে এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নামমাত্র সুদে অর্থায়নের সুবিধা দেয়া হবে এবং সকল কেমিক্যালস আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর মুক্ত হবে।
• সরকারি হাসপাতাল সমূহে ক্যান্সার ও অন্যান্য অসংক্রামক রোগের ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারি এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিটেডের অপর একটি ইউনিট দ্রুত চট্টগ্রামে স্থাপন করা হবে ।
• এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানির উৎপাদিত সকল ওষুধ উন্মুক্ত বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে জনসাধারণ সরকারি হাসপাতালের বাইরে উন্নতমানের ওষুধ সুলভে কিনতে পারেন। প্রতিযোগিতার কারণে ওষুধের বাজারে মূল্য স্থিতি আসবে।
• দেশের সকল খুচরা ওষুধের দোকানে ছয় মাস মেয়াদে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ন্যূনতম এইচএসসি পাশ দুইজন ওষুধ বিক্রেতা এবং ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টকে রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে যাতে ওষুধের ভুল প্রয়োগ কমে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে রোগীরা সচেতেন হন।
• জেলা শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালসমূহে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার জন্য স্থানীয়ভাবে সরাসরি মনোনীত ২০০ জন আগ্রহী বিভিন্ন উদীয়মান বিশেষজ্ঞদের রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালে দুই বছর সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণ দিয়ে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হবে।
• শারীরিক সুস্থতা থাকলে বিশেষজ্ঞদের অবসর বয়স হবে ৭০ (সত্তর) বছর। সব বিশেষজ্ঞদের বিনে ভাড়ায় হাসপাতাল সংলগ্ন বাসস্থান এবং বিশেষ বেতন-ভাতা দেওয়া হবে।
• শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালের বিশেষজ্ঞগণ নিজ নিজ হাসপাতালে বিকালে প্র্যাকটিস করতে পারবেন। সকল সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাককটিস নিষিদ্ধ করা হবে।
• নার্সিং শিক্ষার সংস্কার করা হবে। তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা এসএসসি পাশ (জিপিএ ২.৫) এবং সেবার মনোবৃত্তি। সকল প্রশিক্ষণরত: নার্সগণ ন্যূনতম ৬ মাস উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করে শিক্ষা নেবেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রশিক্ষণার্থী নার্সদের জন্য ২৫০০ বর্গফুটের ডরমিটরি নির্মাণ করা হবে।
• সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ও বয়োঃবৃদ্ধদের সেবার জন্য অতিরিক্ত একলাখ ডিপ্লোমাধারী নার্স, ২৫ হাজার টেকনিশিয়ান এবং ৫০ হাজার ডিগ্রিধারী ফিজিওথেরাপিস্ট ও এক লাখ সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ফিজিওথেরাপিস্ট সহকারীর প্রয়োজন রয়েছে। মেধার ভিত্তিতে এমবিবিএস অধ্যয়নরত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রদের জন্য ১০ শতাংশ বৃত্তির ব্যবস্থা থাকবে। সরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের টিউশন ফি ও হোস্টেল ভাড়া বাড়িয়ে যৌক্তিক হারে নির্ধারিত হবে।
• প্রত্যেক মেডিক্যাল ছাত্র ৫ (পাঁচ) বছর অধ্যয়নকালে ন্যূনতম দু’বার এক মাস করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে অবস্থান করে প্রশিক্ষণ নেবে এবং গ্রামের সঙ্গে পরিচিত হবেন।
• সকল নবীন চিকিৎসক ন্যূনতম দুই বৎসর উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত থাকার পর উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন। মফস্বলে ন্যূনতম বৎসর চিকিৎসা না দিয়ে কোনও চিকিৎসক উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবেন না। বেসরকারি চিকিৎসকদের বেলাতে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
• ১৯৯০ সালের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির আলোকে জেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হবে যার একজন নির্বাচিত চেয়ারপারসন থাকবেন এবং জেলা সিভিল সার্জন হবেন নির্বাহী ভাইস চেয়ারপারসন। জেলায় কার্যরত সকল চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর ব্যবস্থাপনা এই কর্তৃপক্ষের ওপর ন্যস্ত হবে।
• জেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে নতুন সব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সাধারণ চিকিৎসকদের মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেবেন। প্রত্যেক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের জন্য প্রাথমিকভাবে দু’জন নবীন চিকিৎসককে জেলা স্বাস্থ্যকর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োগ দেবেন। অদূর ভবিষ্যতে আরও একজন নবীন চিকিৎসককে নিয়োগ দেওয়া হবে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসকরা কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত যেয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবেন, তাদের চিকিৎসা পর্যালোচনা করবেন এবং রেফারেল রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসা দেবেন।
• জেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রত্যক্ষ পরিচালনায় প্রত্যেক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও ইর্ন্টানদের ও মেডিক্যাল ছাত্রদের বাসস্থান এবং ক্লাসরুম ও ডরমিটরির জন্য অনূ্ন্য পাঁচ হাজার বর্গফুটের স্থাপনা তৈরি করা হবে। জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় বাজেটের বিশেষ বরাদ্দ থেকে এটি নির্মাণ করা হবে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত নার্স ও টেকনিশিয়ানদের জন্য অনধিক তিন হাজার বর্গফুটের বাসস্থান ও ডরমিটরি নির্মাণ করা হবে।
• পাঁচ বছর ইউনিয়ন ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র সার্বক্ষণিকভাবে কর্মরত থাকার পর নবীন চিকিৎসকগণ সরকারি অর্থায়নে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন। উচ্চ শিক্ষার পর তারা স্ব স্ব জেলার বিশেষায়িত হাসপাতালে সহযোগী বিশেষজ্ঞ পদ পাবেন। কয়েক বৎসর পরপর ক্রমে নবীন বিশেষজ্ঞ সিনিয়র বিশেষজ্ঞ, প্রধান বিশেষজ্ঞ পদে উন্নীত হবেন।
• জেলা শহরগুলোতে বিশেষায়িত হাসপাতালসমূহ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীতে নতুন কোনও সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে না।
• স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করনের জন্য একজন ‘ন্যায়পাল’ থাকবেন। তার অধীনে কয়েকজন বিজ্ঞানী, পরিসংখ্যানবিদ, ফার্মাকোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মাইক্রোবায়োলজিস্ট ও ইপিডিমিওলজিস্ট থাকবেন যারা নিয়মিত ওষুধের অপপ্রয়োগ রোধে ব্যবস্থাপত্র নিরীক্ষা এবং সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর খতিয়ান নিয়মিত পরীক্ষা করে জনসাধারণকে ফলাফল অবহিত করবেন।
• ন্যূনতম প্রিমিয়ামের ভিত্তিতে সব কৃষক-শ্রমিকের জন্য স্বাস্থ্যবীমা নিশ্চিত করা হবে।
• স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির বর্তমান বরাদ্দ ০.৯ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ৩ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। চেষ্টা থকাবে দ্রুত যেন সেটা কমপক্ষে ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া যায়।

১০. খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ:
• ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’ এর যুগোপযোগী সংস্কার করা হবে এবং এর কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্তির এক বছরের মধ্যে মানুষকে নিরাপদ খাদ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।
• বিএসটিআইয়ের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন করে খাদ্য এবং অন্যান্য পণ্যের মান নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্তভাবে ক্ষমতায়ন করা হবে।
১১. মাদক নিয়ন্ত্রণ:
• দায়িত্বপ্রাপ্তির প্রথম দিন থেকেই মাদক নিয়ন্ত্রণকে সরকারের খুব গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের তালিকায় আনা হবে। মাদক পরিবহন এবং বিপণনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক চোরাচালান রোধে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সহায়তামূলক সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
• মাদকাসক্তির জন্য দায়ী সামাজিক এবং পারিবারিক কারণসমূহ সমাধান করার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।
• এর মধ্যে যারা মাদকাসক্ত হয়ে গেছে তাদের জন্য চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা হবে। এই লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
• সিগারেট এবং সব তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক ধার্য করা হবে।

১২. আইনশৃঙ্খলা বাহিনী:
• বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গুম (এনফর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারান্স) পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। ইতোপূর্বে সংগঠিত এ ধরনের সব ঘটনার তদন্ত করা হবে।
• মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে।
• পুলিশ সকল অভিযোগ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত করতে বাধ্য থাকবে। চার্জশিট হলে আদালতে লিখিত অনুমতি দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবে, তার পূর্বে না। বিনা পরোয়ানায় কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।
• রিমান্ডের নামে পুলিশি হেফাজতে কোনও প্রকার শারীরিক নির্যাতন করা যাবে না।
• পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে পুরোপুরি স্বাধীন করা হবে।
• ৩৩ শতাংশ এসপি নিযুক্ত হবেন সাব-ইন্সপেক্টর হিসাবে চাকরি শুরু করা অফিসারদের মধ্য থেকে।
• পুলিশ অ্যাক্ট রিভিউ করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।
• পুলিশ সকল অভিযোগ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত করতে বাধ্য থাকবে, চার্জশিট হলে পরে আদালতের লিখিত অনুমতি নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবে, তার পূর্বে নয়। এতে হয়রানি ও পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ হবে।
• মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবাং মিথ্যা মামলায় সহায়তাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
• বর্তমানে সাধারণ মানুষের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে স্থানীয় অসৎ নেতৃত্ব ও পুলিশ প্রশাসন ব্যাপক দূর্নীতির মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়া প্রতিহত করার লক্ষ্যে মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। ময়নাতদন্ত ও ছুরতহাল রির্পোট ছাড়া কোনও অস্বাভাবিকভাবে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন করা যাবে না।
• অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে মানহানির মামলা করতে পারবেন কেবলমাত্র সরকার বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি, অন্য কেউ নয়। তা বর্তমান আইনে সুস্পষ্ট থাকা সত্ত্বেও নিম্ন আদালতের বিচারকদের অজ্ঞতা কিংবা সরকারকে তুষ্টি করার কারণে আইনের ব্যত্যয় ঘটছে এবং শত শত মামলা সৃষ্টি হচ্ছে। কেবলমাত্র নির্ধারিত কোর্ট ফি দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিকটস্থ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। বিক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ছাড়াও যে কোনও ব্যক্তি বিনা কোর্ট ফিতে দেশের যে কোনও আদালতে মামলা করার প্রথা বন্ধ করা হলে অপ্রয়োজনীয় মামলার জট কমবে।
• বিভিন্ন জায়গায় এবং মহাসড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
• হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে সাদা পোশাকে কাউকে গ্রেফতার করা হবে না।
• টিআইবির খানা জরিপ বলছে এই সরকারের আমলে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী দুর্নীতিতে সবচেয়ে ওপরে রয়েছে। খুব দ্রুত রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে রেখে কঠোর ব্যবস্থার মাধ্যমে এই বাহিনীর জবাবদিহিতা এবং পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে। সম্পূর্ণ দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে পুলিশ হবে সত্যিকার অর্থেই একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী।
• পুলিশ বাহিনীর ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি করা হবে। পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• জাতিসংঘ বাহিনীতে পুলিশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প গৃহীত হবে।

খুবিতে সি ইউনিটের শুন্য আসন ২৪ টি দ্বিতীয় পর্যায়ে ভর্তি ১১ ডিসেম্বর

খুবিতে সি ইউনিটের শুন্য আসন ২৪ টি
দ্বিতীয় পর্যায়ে ভর্তি ১১ ডিসেম্বর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সি ইউনিটের মেধা তালিকার প্রথম পর্যায় থেকে আজ ৪ ডিসেম্বর ভর্তি শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে এবং তা চলে বেলা ২-৩০ টা পর্যন্ত।

সি ইউনিটে সাধারণ ৯১ টি আসনের মধ্যে ভর্তির পর ২৪ টি শুন্য রয়েছে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২টি আসন শুন্য রয়েছে।

আগামী ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রি. তারিখ মেধা তালিকার দ্বিতীয় পর্যায় থেকে উক্ত শুন্য আসনে ভর্তি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন ও সি ইউনিটের ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ জানান।

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীঃ ভূ-রাজনীতি

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীঃ ভূ-রাজনীতি
>>বিসিএস প্রিলি ও রিটেনের জন্য<<
>> সংকলনেঃ Ajgar Ali
১. Warm-water outlet policy কোন দেশটির সাথে সম্পর্কিত?
ক) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
গ) যুক্তরাজ্য
ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর : সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন।
ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তাকে জারের আমল থেকেই দক্ষিণ দিকে সম্প্রসারণ নীতি গ্রহণ করতে হয়েছে। দার্দানেলিস ও বসফরাস প্রণালী পার হয়ে ভূমধ্যসাগরে ও কৃষ্ণ সাগরে আধিপত্য বিস্তারে তার এই প্রচেষ্টা Warm-water outlet policy নামে পরিচিত।
২. বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় নৌবহরের অধিকারী দেশ কোনটি?
ক) জাপান
খ) চীন
গ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ব্যাখ্যা: মার্কিন সপ্তম নৌবহর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবহর। প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌ-বহরের সদর দপ্তর ইউকোসুক।এই বহর গঠিত হয়েছিল ১৯৪৩ সালের ১৫ মার্চ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসব্রেনে। সপ্তম নৌবহরের কার্যপরিধির ব্যাপ্তি জাপান থেকে ভারত-পাকিস্তান পূর্ব সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বহরে বর্তমান অগ্রগামী ঘাঁটির প্রধান স্থাপনাটি জাপানের ইউকোসুক নৌবন্দরে।
৩. এশিয়ার সর্ববৃহৎ নৌঘাটি কোন দেশে অবস্থিত?
ক) চীন
খ) জাপান
গ) ভারত
ঘ) সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর : ভারত।
ব্যাখ্যা: ভারতের পশ্চিম তটে মুম্বাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে সি বার্ড (See Bird) প্রকল্পাধীন ঘাঁটিটি এশিয়ার সর্ববৃহৎ নৌঘাটি।
৪. বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ নৌবাহিনীর দেশ কোনটি?
ক) চীন
খ) জাপান
গ) ভারত
ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর: ভারত।
ব্যাখ্যা: ভারত মহাসাগরীয় তীরবর্তী দেশগুলোর মধ্যে ভারত সর্ববৃহৎ। সামরিক শক্তির দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিধর দেশ হিসেবে ভারত মহাসাগরেকে নিজের প্রভাব বলয়ে রাখতে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ নৌবাহিনী তৈরী করেছে।
৫. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যবর্তী দেশ বেলজিয়ামকে বলা হতো –
ক) বাফার স্টেট
খ) সেকুলার স্টেট
গ) স্যাটেলাইট স্টেট
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: বাফার স্টেট।
ব্যাখ্যা: বিবদমান দুটি বৃহৎ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্র যা সরাসরি সংঘর্ষে বাঁধাস্বরুপ তাকে বলা হয় বাফার স্টেট।
৬. Checkerboard Phenomena এবং Hertlanad Thesis ধারণা দুটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
ক) ভূ-রাজনীতি
খ) ভূ-অর্থনীতি
গ) সার্বভৌমত্ব
ঘ) রাষ্ট্রীয় সীমানা
সঠিক উত্তর: ভূ-রাজনীতি।
ব্যাখ্যা: Checkerboard Phenomena ধারণা হলো- আমার পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীরা আমার শত্রু; আর তাদের পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীরা আমার বন্ধু। অন্যদিকে Hertlanad Thesis-এ গুরুত্ব দেয়া হয় মহাদেশীয় Core Country কে, যে দেশটি অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি সুবিধা লাভ করতে পারে।
৭. ১৯২০ এবং ১৯৩০-এর দশকে কোন যুদ্ধের সময় প্যারাগুয়ে তার সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছিল?
ক) The Triple Alliance War
খ) Chaco War
গ) First World War
ঘ) Second Word War
সঠিক উত্তর: Chaco War
ব্যাখ্যা : The Triple Alliance War এবং Chaco War উভয়ই ছিল সীমান্ত সংঘাত। উল্লেখ্য, প্যারাগুয়ে Chaco War-এ বিরোধিতাকারী বলিভিয়ার যে কোন ধরণের আক্রমণ থেকেও নিরাপত্তা চেয়েছিল।
৮. ভূ-রাজনীতি ধারণাটির জন্ম হয় –
ক) সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্নায়ুযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায়
খ) প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায়
গ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায়
ঘ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায়
সঠিক উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্নায়ুযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায়।
ব্যাখ্যা: ভূ-রাজনীতির ধারণাটি আধুনিক। যার জন্ম বিশ শতকের প্রথম ভাগে। মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থায় ভূ-রাজনীতি ধারণাটির জন্ম হয়।
৯. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র জাপানের কোন দ্বীপটি দখল করে নেয়?
ক) হনসু
খ) কিউসু
গ) শিকোকু
ঘ) ওকিনাওয়া
সঠিক উত্তর: ওকিনাওয়া।
ব্যাখ্যা: জাপানের একটি বিখ্যাত দ্বীপ ওকিনাওয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটি দখল করে নেয়। ১৯৭২ সালে দ্বীপটি পুনরায় জাপানের কাছে ফেরত দেয়। কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই ঘাটিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল নৌঘাটি রয়েছে।
১০. লেসোথো নিচের কোন দেশটি দ্বারা পরিবেষ্টিত?
ক) ইতালি
খ) সানম্যারিনো
গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘ) ইসরাইল
সঠিক উত্তর: দক্ষিণ আফ্রিকা।
ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক পরিসরে যেসব রাষ্ট্রের মাঝে অন্য কোন রাষ্ট্রের অংশবিশেষ বা পুরো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অবস্থান রয়েছে, সেসব রাষ্ট্রকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে। উদাহরণস্বরুপ- ইতালির অভ্যন্তরে স্যানম্যারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্র অবস্থিত। একইভাবে লেসোথো স্থলবেষ্টিত একটিমাত্র দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত। যে কারণে তাকে উক্ত দেশটির বর্ণবাদী সরকারের কর্তৃত্ব স্বীকার করতে হতো। ক্ষুদ্র দেশ ইসরাইল আরব বিশ্বে অনেক শত্রুদেশ দ্বারা বেষ্টিত। এই দেশগুলো সবাই একত্রে চতুর্দিক দিয়ে আক্রমণ করলে ইসরাইলের অস্তিত্ব অল্পক্ষণের মধ্যে বিপন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু সমুদ্রে সহজে প্রবেশাধিকার আছে বলে ইসরাইল জলপথে দূরবর্তী বন্ধুদেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

তথ্য সংগ্রহ ও সম্পাদনাঃ Ajgar Ali
পোস্ট শেয়ার করলে কার্টেসি দিতে ভুলবেন না।

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি : সাধারণ বিজ্ঞান

৪০তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
সাধারণ বিজ্ঞান
১। রাসায়নিক দূত হিসেবে বিবেচনা করা হয় কাকে?
= হরমোন
২। কোন প্রাণী দাঁড়িয়ে ঘুমায় ? 
= ঘোড়া
৩। সাবানকে শক্ত করে
=সোডিয়াম সিলিকেট
৪। বিমান ও মোটর গাড়ির বিভিন্ন অংশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়
=ডুরালুমিন
৫। ইস্পাত কোনটির সংকর
= লোহা (ধাতু) এবং কার্বন (অধাতু
৬। বায়ুদূষক গ্যাস কোনটি?
= সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) 


৭। জার্মান সিলভার কী ?
= তামা (50%), দস্তা (30%) এবং নিকেল (20%) -এর সমন্বয়ে গঠিত একটি ধাতু সংকর । এটি বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ।
৮। তামা (90%) এবং টিন (10%) -এর ধাতু সংকর হল
=ব্রোঞ্জ
৯। বৈদ্যুতিক তার হিসাবে তামা ব্যবহার করা হয় কেন ?
= তামার পরিবাহিতা অন্যান্য ধাতু থেকে বেশি
১০ । পিতল
= তামা + দস্তার
১১। গ্যালভানাইজেশন কী ?
উত্তর:- লোহার তৈরি বস্তুকে মরচের হাত থেকে রক্ষা করতে ঐ বস্তুগুলির উপর জিঙ্কের পাতলা প্রলেপ দেওয়া হয় । একে জিঙ্কলেপন বা গ্যালভানাইজেশন বলে ।
১২। স্টেইনলেস স্টিল বা কলঙ্কহীন ইস্পাত হল =লোহা এবং ক্রোমিয়ামের ধাতু সংকর । । এটি বাসনপত্র, ছুরি, কাঁচি ইত্যাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়
১৩। মরচে হল জল যুক্ত ফেরিক অক্সাইড যার সংকেত হল Fe2O3, xH2O ।
১৪। আর্দ্র বায়ুতে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখলে দস্তার ধাতব উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় কেন ?
উত্তর:- আর্দ্র বায়ুতে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখলে দস্তার ওপর ক্ষারীয় জিঙ্ক কার্বনেটের [ZnCO3, 3Zn(OH)2] সাদা আস্তরণ পড়ে । ফলে দস্তার ধাতব উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় ।
১৫। ক্ষারের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না এমন দুটি ধাতুর নাম হল লোহা এবং তামা ।
১৬। ইস্পাত ও পেটা লোহার মধ্যে ইস্পাতে কার্বনের পরিমাণ বেশি থাকে ।
১৭ । দার্শনিকের উল কী ?
উত্তর:- দস্তাকে বায়ু বা অক্সিজেনে তীব্র উত্তপ্ত করলে সাদা ধোঁয়ার আকারে উত্পন্ন জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO) ক্রমশ শীতল হয়ে সাদা উলের মতো জমা হয় । একে দার্শনিকের উল (বা জিঙ্ক হোয়াইট) বলে
১৮। ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতুর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ?
উত্তর:- ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ।
১৯। রান্নার বাসনপত্র নির্মাণে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় না কেন ?
উত্তর:- অ্যালুমিনিয়াম তাপের সুপরিবাহী এবং হালকা ধাতু এজন্য রান্নার বাসনপত্র নির্মাণে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা হয় না ।
২০। সোনা, রুপা, প্লাটিনাম প্রভৃতি ধাতুগুলি কম সক্রিয় । এজন্য এদের প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় ।