খুবি মসজিদে রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর মাগফিরাত কামনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী ফাতিহা নূর লিমা এবং ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুনের মাগফিরাত কামনায় আজ ২১ আগস্ট বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

খুবি মসজিদে রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর মাগফিরাত কামনা

দোয়াপূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল হক, মরহুমা ফাতিহা নূর লিমার পিতা মোঃ সুলতান আহম্মেদ এবং ডিসিপ্লিনের ১১ব্যাচের ছাত্র হাসান মোঃ আশিকুর ইসলাম। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই জন শিক্ষার্থীর  আকস্মিক মৃত্যুতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী ফাতিহা নূর লিমা ও ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুনের আকস্মিক মৃত্যুতে রসায়ন ডিসিপ্লিনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ দুই জন শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃত্যুতে ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের গভীর শোক প্রকাশে কালো ব্যাজ ধারণ, শ্রেণিকক্ষে এক মিনিট নীরবতা পালন, ক্যাম্পাসের হাদী চত্বরে এবং কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেকি ভবনের সামনে শোক সম্বলিত ব্যানার টানানো ছাড়াও আগামীকাল বুধবার বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

খুবির রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই জন শিক্ষার্থীর
আকস্মিক মৃত্যুতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এবং ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা শোক বিবৃতি প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ফাতেহা নূর লিমা গত ১১ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিলো ২১ বছর।

পরিপাকতন্ত্রে জটিলতার কারণে সর্বশেষ তাকে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধিন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। অপরদিকে একই ডিসিপ্লিনের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুন গত ১০ আগষ্ট ভোরে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। তিনি কিছুদিন যাবত লিভার জনিত রোগে ভুগছিলো।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মন্ডলকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) আওতাধীন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) পাপ্পু কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মন্ডলকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২০২তম জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আজ ৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিন্ডিকেটের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডকেটের এ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

         

সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। উক্ত শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডল গত ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়।

অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত শেষে কমিটি গত ৪ আগস্ট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে। সিন্ডিকেটের জরুরী সভায় উক্ত রিপোর্ট পেশ করা হলে কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের ঐ শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডলের (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের রেজিষ্ট্রেশন শুরু ০১ সেপ্টেম্বর থেকে

আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য খুবির ষষ্ঠ
সমাবর্তনের রেজিষ্ট্রেশন শুরু ০১ সেপ্টেম্বর থেকে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন আগামী ডিসেম্বর-২০১৯ এর প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে/হবে তাদের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আগামী ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে  প্রদত্ত নিয়মানুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। বিস্তারিত তথ্যাদির জন্য ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের মতবিনিময়

আজ ৩০ জুলাই ২০১৯খ্রি. তারিখ বেলা ২ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিদ্যমান খাল ও লেক খনন ও সংস্কার করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় খুবির খাল ও লেক খনন
করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনে গুরুত্বারোপ

মতবিনিময়কালে উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বিদ্যমান খাল খনন ও সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসন তথা পানি নিষ্কশনের সুবিধা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করেন। খাল ভরাট এবং বেদখল হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং মাঠ গবেষণার অনেক প্লট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একই কারণে জীব বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং পানি নিষ্কাশনের বাঁধা অপসারণ ও অবৈধ দখল মুক্ত করতে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান বর্তমান সরকার দেশের নদী, খাল বহমান রাখা এবং ভরাট হয়ে গেলে তা খনন করে সচল করার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদও করা হচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত উদ্যোগে গৃহীত ডেল্টা প্লানের কথা উল্লেখ করে এর আওতায় ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ টি জেলায় ছোট বড় অসংখ্য নদী ও খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে তথ্য দেন।

খুলনা জেলাতেও এ প্রকল্পের আওতায় খাল ও নদী খননের কাজ চলছে এবং কয়েকটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও সংলগ্ন খাল খননে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

একই সাথে এ সমস্ত খাল ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন সুবিধা পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, উপাচার্যের সচিব উপ-রেজিস্ট্রার হাওলাদার আলমগীর হাদী, উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) কৃষ্ণপদ দাশ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ সাইদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বিকেল ৪ টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে ষষ্ঠ সমাবর্তন বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, সিইটিএল, আইকিউএসির এবং আইসিটি সেলের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী #আগামী_২০_সেপ্টেম্বর_২০১৯_খ্রি. তারিখের মধ্যে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হবে সেই সকল শিক্ষার্থী ষষ্ঠ সমাবর্তনের জন্য অন লাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান

খুবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান
উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত

আজ ২৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফর করেন। সফরকালে তিনি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।সাক্ষাতকালে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত হন। এছাড়াও তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের ব্যাপারেও খোঁজ-খবর নেন।

উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের বিশেষ বৈশিষ্টাবলী অবহিত করেন এবং কৃষিভিত্তিক সাবজেক্টগুলোর মাঠ গবেষণায় তথা বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণে জমির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

খুলনা সফরকালে তাঁর ব্যস্ততার মধ্যেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌজন্য সফরের জন্য তিনি তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। উপাচার্য সৌজন্য স্মারক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম খচিত একটি ক্রেস্ট উপহার দেন।

এ সময় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে খুবি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলেই দ্রুত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

আজ ২৩ জুলাই স্থানীয় ও জাতীয় বেশ কিছু পত্রপত্রিকা, অনলাইন পোর্টালে সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রের দ্বারা সংঘঠিত ঘটনার যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে জনমনে যাতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ এ বিবৃতি প্রদান করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করতে চায় যে, ঘটনা অবহিত হওয়ার পরপরই ঐ ছাত্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে প্রাপ্ত অভিযোগ তদন্তের জন্য নিয়মানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কমিটি এ ঘটনা তদন্তে অত্যন্ত তৎপর এবং কর্তৃপক্ষ আশা করছেন কয়েক দিনের মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া যাবে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বা কাল ক্ষেপণের সুযোগ নেই। কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণœকারী সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে পিছ পা হবে না।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নিপীড়িত ছাত্রীকে প্রথমেই আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে নিপীড়িত ছাত্রী ও তার পরিবারের পাশে থাকবে। অতএব বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষের দৃঢ় অবস্থান নিয়ে কোনো প্রকার বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটে ধর্ষণের অভিযোগ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা ইন্সটিটিউটের লাইব্রেরিতে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র পাপ্পু কুমারের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার পর ধর্ষিতা ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতন বিরোধী কমিটি পাপ্পুর বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পাপ্পু বঙ্গবন্ধু পাঠক ফোরামের খুবি শাখার সভাপতি।

ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই পাপ্পু বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে ছাত্ররা তাকে মুখে কালি লাগিয়ে গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়।

সূত্র জানায়, গত ৩ জুলাই খুবির চারুকলা অনুষদে চিত্রকলা প্রদর্শনী ছিল। পাপ্পু প্রদর্শনী দেখানোর নাম করে ওই মেয়েকে ডেকে নেয়। মেয়েটি চারুকলায় যাওয়ার পর  চারুকলার লাইব্রেরিতে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর পাপ্পু নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

মেয়েটি লাইব্রেরির সিঁড়িতে কান্নাকাটি করার সময় রাত আড়াইটার দিকে দারোয়ান তাকে দেখতে পান। তখন তিনি পাপ্পুকে ডাকার ব্যবস্থা করেন। পরে ধর্ষিতার পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক বরাবর পাপ্পুর শাস্তি দাবি করে আবেদন করে। তবে পাপ্পু ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।

খুবির ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান জানান, এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতনবিরোধী কমিটি তদন্ত সম্পন্ন করেছে।

 

খুব শিগগিরই পাপ্পুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন যে, মেয়েটির সাথে পাপ্পুর আগেই প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল। একটা এক্সটেন্ড পর্যন্ত মেয়েটার সম্মতি ছিল। পরে জোর করা হইসে এটা সত্যি। কিন্তু ঘুমের ঔষধ খাওয়ানোর ব্যাপার টা সত্যি না। ঘটনার পরে মেয়েটাকে কন্ট্রাসেপটিভ পিল খাওয়ানো হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষা

আবেদন গ্রহণ ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুবিতে প্রথম বর্ষে #ভর্তি_পরীক্ষা_আগামী_২_নভেম্বর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্মাতক/স্মাতক(সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

আজ ২২ জুলাই সকাল ১১ টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রিয় ভর্তি কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় ভর্তি কমিটির সদস্য বিভিন্ন স্কুলের ডিনবৃন্দ এবং সচিব রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) উপস্থিত ছিলেন।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। এবার ৪টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসেই অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।