খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের ল্যাবে জেলা প্রশাসনের জন্য তৈরি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের ল্যাবে জেলা প্রশাসনের জন্য তৈরি হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিসিপ্লিনে তৈরি হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ফর্মুলায় বিশ্বমানের হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশের নেতৃত্বে ১০ জন শিক্ষক ও ২০ জন শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে গঠিত টিম দুটি ল্যাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রথম পর্যায়ে তারা ১০০ মিলি লিটারের সাড়ে ছয় হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করবে।

খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও এ কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, এসব হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, স্বাস্থ্যকর্মী ও গ্রাম পুলিশসহ যারা সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন তাদের বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি কার্যক্রমের সার্বক্ষণিক সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন খুলনার কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়ক মোঃ ইকবাল হাসান।

দুর্যোগ মুহূর্তে দেশের মানুষের পাশে থাকতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই এসোসিয়েশন (কুয়া) সর্বদা বদ্ধপরিকর

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস (Covid19)-এর প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের দুর্যোগ মুহূর্তে দেশের মানুষের পাশে থাকতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই এসোসিয়েশন (কুয়া) সর্বদা বদ্ধপরিকর । এই প্রাদুর্ভাবের প্রাথমিক পর্যায়ে অতিদ্রুততার সাথে কুয়া কার্যনির্বাহী পর্ষদ ১.৫ লক্ষাধিক টাকার ফান্ড গঠন করে এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরী করে যা গতকাল ২২শে মার্চ তারিখে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার সীমিতসংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে (খুলনা মেডিকেল কলেজ , খুলনা সদর হাসপাতাল , রেল স্টেশন , খুলনা সিভিল সার্জন অফিস, হোমকোরাইনটাইনে কর্মরত পুলিশ সদস্য , বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিক , ছুটির পরও কর্মরত কর্মচারী , বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাঙ্ক , গুরুত্বপূর্ণ কিছু এটিএম বুথ) বিতরণ করা হয় ।

 

পাশাপাশি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারনা এবং স্যানিটাইজার/মাস্ক ব্যবহারবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয় । এই কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিদিন ১০০ লিটার অ্যালকোহলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং প্রতিদিনকার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০,০০০ টাকা। আজ বিকেলের মধ্যে আগামী দুদিনের জন্য ২০০ লিটার কাঁচামাল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পৌছে যাবে।

 

খুলনার মেডিকেল সেন্টারগুলোতে মাস্ক স্বল্পতা বিবেচনায় নিয়ে কুয়া ১০০০ পিস মাস্ক সংগ্রহ করেছে, যা ঢাকা হতে খুলনার পথে রয়েছে। কুয়া’র এই উদ্যোগ বর্তমান চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। উল্লেখ্য যে, কুয়া অতিদ্রুততার সাথে খুলনায় অবস্থিত বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকদের মাঝে PPE প্রদানে ঐকান্তিক চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনুমোদনকৃত PPE সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রস্তুত করণের জন্য প্রক্রিয়া চলমান। এই সকল জিনিষপত্রের প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু উপস্থিত বিবেচনা দিয়ে অনুক্রম করা হয়ে থাকে, যেমনঃ ঝুঁকির মাত্রা, আর্থিক সক্ষমতা সহ কাজের ধরণ বিবেচনা এবং যেসব চিকিৎসা সেবক সরাসরি Covid-19 রোগীর সংস্পর্শে কাজ করছেন ।

আমরা সাধুবাদ জানাই আমাদের সেইসব ভাই-বোনদের যারা কুয়া’র কর্মকান্ডে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গতকাল দেশ-বিদেশ থেকে কুয়ার সম্মানিত সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং অনেকে ফোনের মাধ্যমে দেশের এই পরিস্থিতিতে কুয়ার মাধ্যমে পরিচালিত সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমরা বরাবরের মত কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি দেশে এবং বিদেশে আমাদের সেই সব আঞ্চলিক কুয়া পরিবারকে (KUAA North America, Jessore, Cox’s Bazar) যারা স্বপ্রনোদিত হয়ে আর্থিকভাবে কুয়া’র এই প্রচেষ্টায় শরীক হতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং অর্থ সংগ্রহের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে PPE, Hand Sanitizer, Mask এর বিশাল চাহিদার বিপরীতে কুয়া পরিবার তার সর্বোচ্চ অবদান রাখতে বদ্ধপরিকর। কুয়া’র এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সকল সদস্য নিম্নলিখিত মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

*ব্যাংক একাউন্টঃ* ( টাকা জমা রশিদে নিজের নাম অথবা রোল নম্বর উল্লেখ করবেন)
==============================
একাউন্ট নামঃ KUAA REUNION 2015
একাউন্ট নম্বরঃ ১২৬.১৫১.৬১২৯৩
ব্যাংক নামঃ ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
শাখাঃ এলিফ্যান্ট রোড শাখা, ঢাকা।

এছাড়াও KUAA Webpage-এ Donation/Wellfare Fund নামে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে যেখান থেকে Debit/Credit Card/BKash/Rocket -এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দিয়ে সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

আমরা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের সমষ্টিগত শক্তিই আমাদের আগামীর পাথেয়।

ধন্যবাদান্তে,
ফজলে রেজা সুমন Fazle Reza Sumon
সাধারন সম্পাদক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই এসোসিয়েশন(কুয়া)

খুবির রসায়ন ডিসিপ্লিনের পর এবার ল্যাবে হ্যান্ড সেনিটাইজার তৈরি করলো এ্যাগ্রোটেকনোলজি এবং ফার্মেসী

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ করে সতর্কতামূলক প্রতিরোধব্যবস্থা হিসেবে হ্যান্ড সেনিটাইজারের ব্যবহার বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের গবেষণা ল্যাবে ইতোমধ্যেই বিশ্বমানের হ্যান্ড সেনিটাইজার তৈরি করা হয়েছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন এবং ফার্মেসী ডিসিপ্লিনও স্ব-স্ব ল্যাবে হ্যান্ড সেনিটাইজার তৈরি করলো।

আজ রবিবার দুপুরে প্রথমে রসায়ন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরার নেতৃত্বে এ কাজে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্যাম্পল হস্তান্তর করেন।

পরে বিকেল চারটায় এ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহানের নেতৃত্বে ল্যাবে এ কাজে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপাচার্যের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে এই স্যানিটাইজার তৈরির ব্যাপারে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের একান্ত প্রচেষ্টার কথা ব্যক্ত করে ৫০০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিনামূল্যে বিতরণের উদ্যোগের কথা জানান।

একই সময়ে তাঁদের তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্যাম্পল উপাচার্যের কাছে হস্তান্তর করেন। অপরদিকে, বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশ উপাচার্যের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে ডিসিপ্লিনের ল্যাবে তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার হস্তান্তর করেন।

ডিসিপ্লিন প্রধান তাঁদের তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বিশেষ দিক উল্লেখ করেন। উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন, এ্যাগ্রোটেকনোলজি এবং ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের ল্যাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং মানবকল্যাণে এ ধরণের আরও প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানান।

তিনি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার পাশাপাশি আতঙ্কিত না হয়ে নিজ নিজ পরিবার ও প্রতিবেশিদের মধ্যে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ প্রদানের আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি তৈরিকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার যাদের ক্রয়ের সামর্থ নেই তাদের মধ্যে বিতরণেরও পরামর্শ দেন। তিনি এই রোগ থেকে মুক্তির জন্য সবার কল্যাণ কামনা করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হ্যান্ড সেনিটাইজার তৈরি করেছে রসায়ন ডিসিপ্লিন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হ্যান্ড সেনিটাইজার তৈরি করেছে রসায়ন ডিসিপ্লিন। হ্যান্ড সেনিটাইজার সংগ্রহ করা যাবে আগামি রবিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনে, ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ডা. মোসম্মৎ হোসনে আরা ম্যামের তত্ত্বাবধানে ডিসিপ্লিনের ল্যাবে Hand Sanitizer প্রস্তুত করা হয়েছে । আগামী রবিবার থেকে এটি সংগ্রহ করতে পারবেন।। ❤️❤️❤️❤️❤️

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ মোঃ আবু রায়হান খান, প্রভাষক, রসায়ন ডিসিপ্লিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।


প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ
মোঃ আবু রায়হান খান
প্রভাষক, রসায়ন ডিসিপ্লিন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
Contact No. +8801761042083
Time: 10 am – 4 pm (এই সময়েই কল দেবেন)

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত

আজ ১৪ মার্চ ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখ শনিবার আন্তর্জাতিক গণিত দিবস উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। ইউনেস্কোর ঘোষণার পর এবছরই আজ প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘ম্যাথমেটিক্স ইজ এভরিহয়ার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

দিবসের শুরুতে সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ড. সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু করে হাদী চত্ত্বর হয়ে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে পুনরায় ড. সত্যেন্দ্র নাথ বসু একাডেমিক ভবনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সিএসই ডিসিপ্লিনের স্মার্ট ক্লাসরুমে এক আলোচনা সভা ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সর্দার ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন বিলম্বে হলেও তারা এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে এনে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে এ বিষয়টি বিশ্বব্যাপী আরও গুরুত্ব পাবে। তিনি বলেন গণিত এমন একটি বিষয় যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত। বিশ্বব্রহ্মা-ের সবই গাণিতিক নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে। তাই গণিত চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত চর্চার প্রসারে একটি গণিত ক্লাব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ আজমল হুদা। পরে ম্যাথমেটিক্স ইন বায়োলজি এন্ড মেডিসিন এবং পাওয়ার অব ম্যাট্রিক্স : এলিমেন্টারি ডিসকাশন উইথ অ্যাপ্লিকেশন শীর্ষক বিষয়ের উপরে রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বিশ্বাস এবং প্রফেসর ড. এ আর এম জালাল উদ্দীন জামেলি। পরে কুইজ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয় এবং শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কটকা ট্রাজেডি স্মরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকর‌্যালিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি

আজ ১৩ মার্চ কটকা ট্রাজেডি স্মরণে পালিত হলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস। ২০০৪ সালের এ দিনে সুন্দরবনের কটকায় সফরে যেয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৯ জন এবং বুয়েটের ২ জনসহ মোট ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়ে শাহাদতবরণ করেন। সেই থেকে প্রতিবছর দিনটিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় শোকাবহ সাজে।

ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে হাদী চত্বর হয়ে কটকা স্মৃতি স্তম্ভ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের দু’পাশের সারিবদ্ধ গাছে কালো কাপড় জড়ানো এবং শহিদ শিক্ষার্থীদের প্রতিচ্ছবি কাঠে খোদাই করে শোকের আবহ তৈরি করা হয়। সকাল ১০-৪৫ মিনিটে কালোব্যাজ ধারণ করে বেলা ১১ টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে একটি শোকর‌্যালি শুরু হয়ে কটকা স্মৃতি স্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়।

শোকর‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট ও বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারি অংশ নেন। এর পরপরই কটকা স্মৃতিস্তম্ভে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রথমে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর ছায়াবৃত্ত স্কুল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপত্য ডিসিপ্লিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, বিভিন্ন হল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

পরে সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত শাহাদতবরণকারী শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপাচার্য বলেন এদিনটি আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থে শোক ও বেদনার। আমরা চাই ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মেধাবী সন্তান এভাবে না হারিয়ে যায়। কারণ, তারা ছিলো মেধাবী এবং দেশের জন্য, তার পরিবারের জন্য অনেক কিছু করতে পারতো। তিনি বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন তারা যেনো জীবনের সবক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনা করে এবং কোনো অপরিণামদর্শী পদক্ষেপ না নেয়।

ডিসিপ্লিন প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মাহফুজ উদ-দারাইন সকলকে ধন্যবাদ দিয়ে পূর্বাহ্নের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে প্রার্থনা, এতিমদের সাথে মধ্যাহ্ন ভোজ, বিকেল সাড়ে ৫ টায় কটকা স্মৃতিসৌধে শোক সভা ও স্মৃতিচারণ। এছাড়া সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং সন্ধ্যা ৭ টায় তথ্যচিত্র প্রদর্শন।

আগামী ২২ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামী ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ, রোববার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সৈয়দ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ২২ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের
৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ

এদিন বেলা ২-৩০টায় সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হবে বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়েছে।

চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে/হবে তারাই এই ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবে। শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে।

বিস্তারিত তথ্যাদির জন্য ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ সংক্রান্ত বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট www.ku.ac.bd তে পাওয়া যাবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে প্রথম বর্ষে ভর্তি ও ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন

আজ ১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ ল্যাপটপের কী-বোর্ডের বাটনকিক্ল করে ভর্তি আবেদন গ্রহণ ও সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন দেশ-বিদেশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির কার্যক্রমের সুনাম রয়েছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে এবারও ভর্তির কার্যক্রম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ঐতিহ্য সমুন্নত থাকবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান এবং আইসিটিসেলের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ভর্তির আবেদন গ্রহণ ও ৬ষ্ঠ সমাবতনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত।

২০১৮ অথবা ২০১৯ সালে এইচ এসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারবে। আগামী ০২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ, শনিবার, ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

০২ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০-৩০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং জীব বিজ্ঞান স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ১-৩০ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের অধীন কলা ও মানবিক স্কুল, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুল, আইন স্কুল এবং শিক্ষা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ৮ টা থেকে ৯-৩০ টা পর্যন্ত ‘সি’ ইউনিটের অধীন ব্যাবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৪ টা থেকে ৫-৩০ টা পর্যন্ত ‘ডি’ ইউনিটের অধীনে চারুকলা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়াও ভর্তিসংক্রান্তÍ যে কোনো তথ্য সংশ্লিষ্ট স্কুলের ডিন অফিস থেকে জানা যাবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণসংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না। আনলে তাকে বহিস্কার করা হবে বলে আগেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অনলাইনে ভর্তি এবং ৬ষ্ঠ সমাবর্তন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://www.ku.ac.bd এ পাওয়া যাবে।

কচুরিপানা থেকে তৈরি উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের উদ্যোগে এবং খুবির গবেষকদের সহায়তায় কচুরিপানা থেকে তৈরি উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা শীর্ষক এক পরামর্শ সভা আজ ২৮ আগস্ট সকাল ১০ টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি বলেন কচুরিপানা বাংলাদেশের অন্যতম একটি আগাছা। খাল-বিল, বাওড় বা মাঠে-ঘাটে জন্মায়। অনেক ক্ষেত্রেই এ দিয়ে তেমন কোনো কাজ হয় না, বরং ফসল এবং মৎস্য উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও আমরা এতোদিন খুঁজে পাইনি। তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সহায়তায় নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের উদ্যোগে এই কচুরিপানা ব্যবহার করে যে উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপার তৈরিতে সাফল্য এসেছে তা খুবই আশাব্যাজ্ঞক।

এটাকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার করতে পারলে খালে-বিলে আর কচুরিপানা ফেলনা থাকবে না এবং তা দিয়ে গ্রাম-গঞ্জে কুটিরশিল্প গড়ে উঠতে পারে। এটা আর্থিক উপার্জনের মাধ্যমও হতে পারে। তিনি এ প্রচেষ্টার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের টিমকে এই প্রকল্পে গবেষণায় নিয়োজিত থেকে এ উদ্ভাবনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রায়হান আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের টিম লিডার গাই জোনস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন এ প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান এবং পাওয়ার পয়েন্টে ক্রাপ্ট পেপার তৈরির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তুলে ধরেন কো প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম।

এ সময় সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এ পরামর্শ সভায় অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, ২৫ নম্বর পোল্ডার ডুমুরিয়ার থুকরা এরিয়াতে এই সমীক্ষা ও গবেষণা পরিচালিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমান আজ সকাল সোয়া ১১ টায় খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। তিনি বেশকিছুদিন যাবত দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো প্রায় ৬৭ বছর।

খুবির শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক
আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামে প্রথম জানাজা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে আসর বাদ দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নামাজে জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ছাত্র বিপুল সংখ্যক মুসল্লী শরীক হন। পরে খুলনা স্টেডিয়ামে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে নগরীর টুটপাড়া কবরস্থানে বাদ মাগরিব দাফন করা হবে। 


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোল্যা মোহাম্মদ শফিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া অপর এক পৃথক বিবৃতিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন অনুরূপভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, তিনি ১৯৯৫ সালের ২৯ জুন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগে ফিজিক্যাল ইনেস্ট্রাকটর পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে সহকারী পরিচালক ও উপ-পরিচালক পদে যোগদান করেন। ২০১৫ সালের ৩০ জুন অবসর গ্রহণ করেন। তিনি খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামে ১৯৫৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। আফজালুর রহমান ইয়ং বয়েজ ক্লাব, সোনালী অতীত ক্লাব ছাড়াও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন।