আগামী ২২ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামী ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ, রোববার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সৈয়দ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ২২ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের
৬ষ্ঠ সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ

এদিন বেলা ২-৩০টায় সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হবে বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন শুরু হয়েছে।

চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে/হবে তারাই এই ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবে। শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে।

বিস্তারিত তথ্যাদির জন্য ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ সংক্রান্ত বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট www.ku.ac.bd তে পাওয়া যাবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে প্রথম বর্ষে ভর্তি ও ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন

আজ ১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ ল্যাপটপের কী-বোর্ডের বাটনকিক্ল করে ভর্তি আবেদন গ্রহণ ও সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন দেশ-বিদেশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির কার্যক্রমের সুনাম রয়েছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে এবারও ভর্তির কার্যক্রম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ঐতিহ্য সমুন্নত থাকবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান এবং আইসিটিসেলের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ভর্তির আবেদন গ্রহণ ও ৬ষ্ঠ সমাবতনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত।

২০১৮ অথবা ২০১৯ সালে এইচ এসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারবে। আগামী ০২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি. তারিখ, শনিবার, ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

০২ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০-৩০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং জীব বিজ্ঞান স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ১-৩০ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের অধীন কলা ও মানবিক স্কুল, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুল, আইন স্কুল এবং শিক্ষা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ৮ টা থেকে ৯-৩০ টা পর্যন্ত ‘সি’ ইউনিটের অধীন ব্যাবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৪ টা থেকে ৫-৩০ টা পর্যন্ত ‘ডি’ ইউনিটের অধীনে চারুকলা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়াও ভর্তিসংক্রান্তÍ যে কোনো তথ্য সংশ্লিষ্ট স্কুলের ডিন অফিস থেকে জানা যাবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণসংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না। আনলে তাকে বহিস্কার করা হবে বলে আগেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অনলাইনে ভর্তি এবং ৬ষ্ঠ সমাবর্তন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://www.ku.ac.bd এ পাওয়া যাবে।

কচুরিপানা থেকে তৈরি উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের উদ্যোগে এবং খুবির গবেষকদের সহায়তায় কচুরিপানা থেকে তৈরি উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা শীর্ষক এক পরামর্শ সভা আজ ২৮ আগস্ট সকাল ১০ টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি বলেন কচুরিপানা বাংলাদেশের অন্যতম একটি আগাছা। খাল-বিল, বাওড় বা মাঠে-ঘাটে জন্মায়। অনেক ক্ষেত্রেই এ দিয়ে তেমন কোনো কাজ হয় না, বরং ফসল এবং মৎস্য উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও আমরা এতোদিন খুঁজে পাইনি। তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সহায়তায় নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের উদ্যোগে এই কচুরিপানা ব্যবহার করে যে উন্নতমানের ক্রাপ্ট পেপার তৈরিতে সাফল্য এসেছে তা খুবই আশাব্যাজ্ঞক।

এটাকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহার করতে পারলে খালে-বিলে আর কচুরিপানা ফেলনা থাকবে না এবং তা দিয়ে গ্রাম-গঞ্জে কুটিরশিল্প গড়ে উঠতে পারে। এটা আর্থিক উপার্জনের মাধ্যমও হতে পারে। তিনি এ প্রচেষ্টার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের টিমকে এই প্রকল্পে গবেষণায় নিয়োজিত থেকে এ উদ্ভাবনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রায়হান আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের ব্লু গোল্ড ইনোভেশন ফান্ডের টিম লিডার গাই জোনস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন এ প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান এবং পাওয়ার পয়েন্টে ক্রাপ্ট পেপার তৈরির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তুলে ধরেন কো প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম।

এ সময় সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এ পরামর্শ সভায় অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, ২৫ নম্বর পোল্ডার ডুমুরিয়ার থুকরা এরিয়াতে এই সমীক্ষা ও গবেষণা পরিচালিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমান আজ সকাল সোয়া ১১ টায় খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। তিনি বেশকিছুদিন যাবত দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো প্রায় ৬৭ বছর।

খুবির শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক
আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামে প্রথম জানাজা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে আসর বাদ দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নামাজে জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ছাত্র বিপুল সংখ্যক মুসল্লী শরীক হন। পরে খুলনা স্টেডিয়ামে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে নগরীর টুটপাড়া কবরস্থানে বাদ মাগরিব দাফন করা হবে। 


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের প্রাক্তন উপ-পরিচালক মোঃ আফজালুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোল্যা মোহাম্মদ শফিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া অপর এক পৃথক বিবৃতিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন অনুরূপভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, তিনি ১৯৯৫ সালের ২৯ জুন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগে ফিজিক্যাল ইনেস্ট্রাকটর পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে সহকারী পরিচালক ও উপ-পরিচালক পদে যোগদান করেন। ২০১৫ সালের ৩০ জুন অবসর গ্রহণ করেন। তিনি খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামে ১৯৫৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। আফজালুর রহমান ইয়ং বয়েজ ক্লাব, সোনালী অতীত ক্লাব ছাড়াও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন।

খুবি মসজিদে রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর মাগফিরাত কামনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী ফাতিহা নূর লিমা এবং ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুনের মাগফিরাত কামনায় আজ ২১ আগস্ট বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

খুবি মসজিদে রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর মাগফিরাত কামনা

দোয়াপূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল হক, মরহুমা ফাতিহা নূর লিমার পিতা মোঃ সুলতান আহম্মেদ এবং ডিসিপ্লিনের ১১ব্যাচের ছাত্র হাসান মোঃ আশিকুর ইসলাম। দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই জন শিক্ষার্থীর  আকস্মিক মৃত্যুতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী ফাতিহা নূর লিমা ও ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুনের আকস্মিক মৃত্যুতে রসায়ন ডিসিপ্লিনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ দুই জন শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃত্যুতে ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের গভীর শোক প্রকাশে কালো ব্যাজ ধারণ, শ্রেণিকক্ষে এক মিনিট নীরবতা পালন, ক্যাম্পাসের হাদী চত্বরে এবং কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেকি ভবনের সামনে শোক সম্বলিত ব্যানার টানানো ছাড়াও আগামীকাল বুধবার বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

খুবির রসায়ন ডিসিপ্লিনের দুই জন শিক্ষার্থীর
আকস্মিক মৃত্যুতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এবং ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা শোক বিবৃতি প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ফাতেহা নূর লিমা গত ১১ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিলো ২১ বছর।

পরিপাকতন্ত্রে জটিলতার কারণে সর্বশেষ তাকে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধিন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। অপরদিকে একই ডিসিপ্লিনের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনার্স ডিগ্রি সমাপনকারী কাজী রিফাত মামুন গত ১০ আগষ্ট ভোরে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। তিনি কিছুদিন যাবত লিভার জনিত রোগে ভুগছিলো।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মন্ডলকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) আওতাধীন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) পাপ্পু কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় খুবি শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মন্ডলকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২০২তম জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আজ ৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিন্ডিকেটের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডকেটের এ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

         

সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। উক্ত শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডল গত ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়।

অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত শেষে কমিটি গত ৪ আগস্ট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে। সিন্ডিকেটের জরুরী সভায় উক্ত রিপোর্ট পেশ করা হলে কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের ঐ শিক্ষার্থী পাপ্পু কুমার মণ্ডলের (স্টুডেন্ট আইডি-১৬২৩১৭) বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিস্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের রেজিষ্ট্রেশন শুরু ০১ সেপ্টেম্বর থেকে

আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য খুবির ষষ্ঠ
সমাবর্তনের রেজিষ্ট্রেশন শুরু ০১ সেপ্টেম্বর থেকে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন আগামী ডিসেম্বর-২০১৯ এর প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে/হবে তাদের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে আগামী ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে  প্রদত্ত নিয়মানুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। বিস্তারিত তথ্যাদির জন্য ০১৫৩৪২৯৬৪৩০, ০১৭৪০৬৭৩২৪৫, ০১৫৫৬৩২৭৪০৬, ০১৫১৫২৩৭৮৪৩, ০১৬৭৭১২৪৭৭৩ অথবা ০১৫১৫২৩৭৬৮৮ নম্বর মোবাইল ফোনে অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের মতবিনিময়

আজ ৩০ জুলাই ২০১৯খ্রি. তারিখ বেলা ২ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিদ্যমান খাল ও লেক খনন ও সংস্কার করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

পানি নিষ্কাশন, জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় খুবির খাল ও লেক খনন
করে ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনে গুরুত্বারোপ

মতবিনিময়কালে উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বিদ্যমান খাল খনন ও সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসন তথা পানি নিষ্কশনের সুবিধা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করেন। খাল ভরাট এবং বেদখল হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং মাঠ গবেষণার অনেক প্লট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একই কারণে জীব বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং পানি নিষ্কাশনের বাঁধা অপসারণ ও অবৈধ দখল মুক্ত করতে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান বর্তমান সরকার দেশের নদী, খাল বহমান রাখা এবং ভরাট হয়ে গেলে তা খনন করে সচল করার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদও করা হচ্ছে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত উদ্যোগে গৃহীত ডেল্টা প্লানের কথা উল্লেখ করে এর আওতায় ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ টি জেলায় ছোট বড় অসংখ্য নদী ও খাল খননের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে তথ্য দেন।

খুলনা জেলাতেও এ প্রকল্পের আওতায় খাল ও নদী খননের কাজ চলছে এবং কয়েকটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও সংলগ্ন খাল খননে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

একই সাথে এ সমস্ত খাল ময়ূর নদীর সাথে সংযোগ সাধনের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন সুবিধা পাবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, উপাচার্যের সচিব উপ-রেজিস্ট্রার হাওলাদার আলমগীর হাদী, উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) কৃষ্ণপদ দাশ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ সাইদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বিকেল ৪ টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে ষষ্ঠ সমাবর্তন বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, সিইটিএল, আইকিউএসির এবং আইসিটি সেলের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী #আগামী_২০_সেপ্টেম্বর_২০১৯_খ্রি. তারিখের মধ্যে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হবে সেই সকল শিক্ষার্থী ষষ্ঠ সমাবর্তনের জন্য অন লাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।