কলা কমাবে মেদ, বাড়াবে মানসিক জোর

কলা কমাবে মেদ, বাড়াবে মানসিক জোর

সকলেই আমরা জানি কলা একটি উপকারি ফল৷ আট থেকে আশিদের শরীর-স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে কলা প্রতিদিন খাওয়ানো হয়৷ তবে কলা উপকারি জানলেও কি উপকার করে সেটা কি সকলের জানা? এবার তাহলে আসা যাক সেই আলোচনায়৷ প্রথমত কলাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে৷ শুধু স্বাস্থ্য ভালো রাখতেই এই কলা প্রয়োজন নয়, শরীরের গঠনগত দিকও ঠিক রাখে কলা৷ এছাড়াও কলা মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কলা বেশ উপকারি৷

এই গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল আসলে ট্রিপটোফ্যান সমৃদ্ধ৷ যা পরে সেরোটোনিন রূপান্তরিতহয়। এটি সাধারণত মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের ঘাটতিকে পূরণ করে৷ আসলে, সেরোটোনিনের অভাব বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ সহ বিভিন্ন মানসিক রোগের লক্ষণ৷ সেগুলো পূরণ করতেই কলা এক অভিনব ফল৷

এবার আসা যাক ওজনের কথায়৷ ধরুন আপনি আপনার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত৷ তাহলে নির্দ্বিধায় খান কলা৷ কেননা এই কলাই আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে৷ কলা নিয়মিত খেলে তার থেকে মানব শরীর ১২ শতাংশ পর্যন্ত ফাইবার পায়৷ কলায় ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকায় ব্রেনের জন্যও তা বেশ উপকারি৷

তবে একটি দিনের জন্য একটি কলাই একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের জন্য ঠিক৷ এর বেশি খেলে তা উপকারের বদলে অপকারই করবে৷ সকালে ব্রেকফাস্টের পর বা দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজনের পর কলা খাওয়া যায়৷ তবে কখনওই খালি পেটে বা রাতে এই ফলটি খাওয়া উচিৎ নয়৷

স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সেবা ও পরিচর্যায় অজ্ঞতার কারণ

স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সেবা ও পরিচর্যায় অজ্ঞতার কারণে অনেক সময়ই জটিলতা আরও বেড়ে যায়।

স্থানান্তর: স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীকে হুইলচেয়ার, বিছানা, কমোডে স্থানান্তরের সময় এবং হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে রোগী আরও দুর্বল হয়ে পড়ে, অস্বস্তি ও খুব ব্যথা অনুভব করে, এমনকি শরীরের অস্থিসন্ধি থেকে হাড় ছুটে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে

রোগীর মনোভাব: স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীর মস্তিষ্ক-মন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে না। তাই অস্বাভাবিক আচরণ ও রাগারাগি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিচলিত না হয়ে রোগীর মনোভাব বুঝে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।

কম পানি পান: অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পরিমাণে পানি কিংবা তরল খাবার না খাওয়ার কারণে রোগীর প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে যায়, এমনকি সংক্রমণও হতে পারে। এ ধরনের জটিলতা এড়াতে রোগীকে অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি পান করাতে হবে।

বিছানায় এপাশ-ওপাশ করানো: স্ট্রোকের পর সাধারণত রোগীকে বিছানায় দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকতে হয়। এ ক্ষেত্রে এক অবস্থানে দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে চাপজনিত ঘা, অস্বস্তি, অনুভূতিহীনতা দেখা দিতে পারে। এ জন্য রোগীকে অবশ্যই দুই ঘণ্টা পরপর ডানে, বাঁয়ে, ও চিত হয়ে শুইয়ে দিতে হবে।

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা: রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গোসল করানো সম্ভব না হলে অবশ্যই পুরো শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। অপরিচ্ছন্নতা ও অপরিষ্কার অবস্থা থেকে নতুন রোগের সংক্রমণ হতে পারে।

কিছু বিস্ময়কর তথ্য : মৃত্যু নিয়ে

মৃত্যুর চেয়ে অনিবার্য সত্য আর কিছুই হয় না। মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই।

অনেকে অনেকভাবে মৃত্যুর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে মৃত্যু নিয়ে এমনই কিছু বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো যা আমাদের আমাদের দৈনন্দিনের ধারণার বাইরে।

১. কমবয়সি পুরুষদের অধিকাংশই মারা যান দুর্ঘটনায়।

২. পৃথিবীতে হৃদরোগেই বেশিরভাগ মানুষ মারা যান।

৩.  প্রতি সেকেন্ডে যতজন শিশু জন্ম নেয়, তার দ্বিগুণেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

৪. মৃত্যুর পরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না।

৫. ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মৃতদেহে লেগে থাকা পোকার চরিত্র দেখে মোটামুটিভাবে বলতে পারেন মৃত্যু ঠিক কতক্ষণ বা কত দিন আগে হয়েছে।

৬.  প্রতি দিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায় ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

৭. মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে। কিন্তু ৩৬ ঘণ্টা পরে রিগর মর্টিস উধাও হতে শুরু করে।

৮.  অল্পবয়সি মহিলাদের অধিকাংশই মারা যান সন্তান প্রসব করতে গিয়ে।

৯. মৃত্যুর পরে অগ্ন্যাশয় ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য অংশ হজমের সহায়ক এনজাইমে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে ওই অঙ্গগুলোই ‘হজম’ হয়ে যেতে শুরু করে। তার পরে পুরো দেহতেই এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর নাম ‘অটোলাইসিস’।