টয়লেটে যাওয়ার সর্বোত্তম উপায়: বসে থাকা বা স্কোটিং

ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে এই তথ্য গুলা বের করলাম। এটা নিয়ে একটু সতর্ক থাকা উচিত। (নিচে বাংলা দিয়েছি)

best way to go to the toilet: sitting or squatting.

Most of the Western world still sits to defaecate, while squatting is favoured in the developing world.

The process of passing bowel motions or defaecation (মলত্যাগ) is a lot more complicated than you might imagine.

During defaecation, the puborectalis muscle will relax and the anorectal angle will widen.

Image may contain: one or more people, text that says "Puborectalis External sphincter Internal sphincter Less acute angle Descent of the pelvic floor"

Squatting widens the anorectal angle even more to allow a clearer and straighter passage for stools to pass through the anal canal.

The average time for passing a bowel motion during squatting was 51 seconds, compared to the average times for the lower and higher toilet seats: 114 and 130 seconds respectively.
Participants found defaecation easier while squatting than when seated.

squatting can prevent or cure Haemorrhoids (also known as piles)

And although it’s an intriguing concept (উদ্ভট ধারণা), there is no firm data that the sitting position causes colonic diverticulosis (pouches in the wall of the colon).

squatting has clear benefits. If you have a regular toilet and would like to obtain some of the benefits of squatting, you can use a modified toilet seat and foot stool, which allows you to flex your hips and elevate your feet..

টয়লেটে যাওয়ার সর্বোত্তম উপায়: বসে থাকা বা স্কোটিং (গ্রামের হাগু করার স্টাইল)।

পশ্চিমা বিশ্বের বেশিরভাগ অংশ এখনও পেট খালি করে বসে (হাই কমোড), অন্যদিকে ৩য় বিশ্বের দেশে স্কোয়াটিংয়ের (গ্রামের হাগু করার স্টাইল) পক্ষে রয়েছে।

অন্ত্রের গতি বা মলত্যাগের প্রক্রিয়াটি (মল্টিং) আপনি কল্পনা করার চেয়ে অনেক জটিল।

মলত্যাগের সময়, পিউবোরেক্টালিস পেশী শিথিল হবে এবং পূর্বের কোণটি প্রশস্ত হবে।

স্কোয়াটিং (গ্রামের হাগু করার স্টাইল) মলদ্বারগুলির জন্য মলদ্বার খালের মধ্য দিয়ে যাওয়ার জন্য একটি পরিষ্কার এবং স্ট্রেইটার উত্তরণকে আরও বেশি করে এনোরেক্টাল এঙ্গেলকে প্রশস্ত করে।

Image may contain: text that says "Intestine is pinched and Blocked The healthier way to sit in the toilet 90° 35° SITTING SQUATTING Rectum Rectum SITTING: Puborectalis muscle choked the Rectum SQUATTING: Puborectalis muscle is relaxed and the Rectum is straight"

নিম্ন এবং উচ্চতর টয়লেট আসনের গড় সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ১১৪ এবং ১৩০ সেকেন্ডের তুলনায় স্কোয়াটিংয়ের সময় অন্ত্রের গতি পাশ করার গড় সময় ছিল 51 সেকেন্ড।
অংশগ্রাহকরা বসে থাকার চেয়ে স্কোয়াটিংয়ের সময় মলত্যাগকে সহজ বলে মনে করেন।

স্কোয়াটিং হেমোর্রয়েডস (পাইলস নামেও পরিচিত) প্রতিরোধ বা নিরাময় করতে পারে।

যদিও এটি একটি উদ্বেগজনক ধারণা, এমন কোনও তথ্য নেই যে বসার অবস্থানটি কলোনিক ডাইভার্টিকুলোসিস (কোলনের দেয়ালে পাউচস) সৃষ্টি করে।

স্কোয়াটিংয়ের স্পষ্ট সুবিধা রয়েছে। আপনার যদি নিয়মিত টয়লেট থাকে এবং স্কুটিংয়ের কিছু সুবিধা পেতে চান, আপনি একটি টয়লেট সিট এবং পায়ের স্টুল ব্যবহার করতে পারেন, যা আপনাকে আপনার পোঁদ ফ্লেক্স করতে এবং পা উন্নত করতে দেয়।

কলা কমাবে মেদ, বাড়াবে মানসিক জোর

কলা কমাবে মেদ, বাড়াবে মানসিক জোর

সকলেই আমরা জানি কলা একটি উপকারি ফল৷ আট থেকে আশিদের শরীর-স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে কলা প্রতিদিন খাওয়ানো হয়৷ তবে কলা উপকারি জানলেও কি উপকার করে সেটা কি সকলের জানা? এবার তাহলে আসা যাক সেই আলোচনায়৷ প্রথমত কলাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে৷ শুধু স্বাস্থ্য ভালো রাখতেই এই কলা প্রয়োজন নয়, শরীরের গঠনগত দিকও ঠিক রাখে কলা৷ এছাড়াও কলা মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কলা বেশ উপকারি৷

এই গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল আসলে ট্রিপটোফ্যান সমৃদ্ধ৷ যা পরে সেরোটোনিন রূপান্তরিতহয়। এটি সাধারণত মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের ঘাটতিকে পূরণ করে৷ আসলে, সেরোটোনিনের অভাব বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ সহ বিভিন্ন মানসিক রোগের লক্ষণ৷ সেগুলো পূরণ করতেই কলা এক অভিনব ফল৷

এবার আসা যাক ওজনের কথায়৷ ধরুন আপনি আপনার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত৷ তাহলে নির্দ্বিধায় খান কলা৷ কেননা এই কলাই আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে৷ কলা নিয়মিত খেলে তার থেকে মানব শরীর ১২ শতাংশ পর্যন্ত ফাইবার পায়৷ কলায় ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকায় ব্রেনের জন্যও তা বেশ উপকারি৷

তবে একটি দিনের জন্য একটি কলাই একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের জন্য ঠিক৷ এর বেশি খেলে তা উপকারের বদলে অপকারই করবে৷ সকালে ব্রেকফাস্টের পর বা দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজনের পর কলা খাওয়া যায়৷ তবে কখনওই খালি পেটে বা রাতে এই ফলটি খাওয়া উচিৎ নয়৷

স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সেবা ও পরিচর্যায় অজ্ঞতার কারণ

স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর সেবা ও পরিচর্যায় অজ্ঞতার কারণে অনেক সময়ই জটিলতা আরও বেড়ে যায়।

স্থানান্তর: স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীকে হুইলচেয়ার, বিছানা, কমোডে স্থানান্তরের সময় এবং হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে রোগী আরও দুর্বল হয়ে পড়ে, অস্বস্তি ও খুব ব্যথা অনুভব করে, এমনকি শরীরের অস্থিসন্ধি থেকে হাড় ছুটে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে

রোগীর মনোভাব: স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীর মস্তিষ্ক-মন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে না। তাই অস্বাভাবিক আচরণ ও রাগারাগি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিচলিত না হয়ে রোগীর মনোভাব বুঝে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।

কম পানি পান: অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পরিমাণে পানি কিংবা তরল খাবার না খাওয়ার কারণে রোগীর প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে যায়, এমনকি সংক্রমণও হতে পারে। এ ধরনের জটিলতা এড়াতে রোগীকে অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি পান করাতে হবে।

বিছানায় এপাশ-ওপাশ করানো: স্ট্রোকের পর সাধারণত রোগীকে বিছানায় দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকতে হয়। এ ক্ষেত্রে এক অবস্থানে দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে চাপজনিত ঘা, অস্বস্তি, অনুভূতিহীনতা দেখা দিতে পারে। এ জন্য রোগীকে অবশ্যই দুই ঘণ্টা পরপর ডানে, বাঁয়ে, ও চিত হয়ে শুইয়ে দিতে হবে।

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা: রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গোসল করানো সম্ভব না হলে অবশ্যই পুরো শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। অপরিচ্ছন্নতা ও অপরিষ্কার অবস্থা থেকে নতুন রোগের সংক্রমণ হতে পারে।

কিছু বিস্ময়কর তথ্য : মৃত্যু নিয়ে

মৃত্যুর চেয়ে অনিবার্য সত্য আর কিছুই হয় না। মৃত্যু নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই।

অনেকে অনেকভাবে মৃত্যুর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এক্ষেত্রে মৃত্যু নিয়ে এমনই কিছু বিস্ময়কর তথ্য তুলে ধরা হলো যা আমাদের আমাদের দৈনন্দিনের ধারণার বাইরে।

১. কমবয়সি পুরুষদের অধিকাংশই মারা যান দুর্ঘটনায়।

২. পৃথিবীতে হৃদরোগেই বেশিরভাগ মানুষ মারা যান।

৩.  প্রতি সেকেন্ডে যতজন শিশু জন্ম নেয়, তার দ্বিগুণেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

৪. মৃত্যুর পরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না।

৫. ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মৃতদেহে লেগে থাকা পোকার চরিত্র দেখে মোটামুটিভাবে বলতে পারেন মৃত্যু ঠিক কতক্ষণ বা কত দিন আগে হয়েছে।

৬.  প্রতি দিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায় ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

৭. মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে। কিন্তু ৩৬ ঘণ্টা পরে রিগর মর্টিস উধাও হতে শুরু করে।

৮.  অল্পবয়সি মহিলাদের অধিকাংশই মারা যান সন্তান প্রসব করতে গিয়ে।

৯. মৃত্যুর পরে অগ্ন্যাশয় ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য অংশ হজমের সহায়ক এনজাইমে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে ওই অঙ্গগুলোই ‘হজম’ হয়ে যেতে শুরু করে। তার পরে পুরো দেহতেই এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর নাম ‘অটোলাইসিস’।