Kamalapur Railway Station, Bangladesh Biggest Railway Station কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন বাংলাদেশ

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলষ্টেশন। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলষ্টেশন। কমলাপুর ষ্টেশন ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। এটি ঢাকার সাথে বাংলাদেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য খুব গুরুত্বপুর্ন টার্মিনাল। এছাড়া এটি অত্যাধুনিক ভবন যার নকশা করেছেন মার্কিন স্থপতি রবার্ট বাউগি। রেলওয়ে স্টেশনটি মতিঝিলের উত্তর–পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬০ সালে এবং চালু হয় ১৯৬৯ সালে।

ভারত ভাগের পূর্বে ফুলবাড়ীয়ায় একটি মাত্র রেলওয়ে স্টেশন ছিল। বাংলা বিভক্তীকরণের পর ঢাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ শহরে রূপান্তরিত হয়। তাই ১৯৬০ এর দশকে ফুলবাড়িয়া, ঢাকার একমাত্র রেলষ্টেশনের সম্প্রসারনের উদ্দেশ্যে কমলাপুর রেলস্টেশন স্থাপনা গড়ে তোলে । সদ্যপ্রতিষ্ঠিত বুয়েটের আমেরিকান শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এই সম্প্রসারন সাধিত হয়।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনটি মতিঝিলের কাছে দক্ষিণ কমলাপুরে অবস্থিত। কমলাপুর স্টেশন একটি বিশাল অঞ্চল নিয়ে অবস্থিত। কমলাপুর তিন রাস্তার মাথার দক্ষিণ দিকে হাতের বাম পাশে অবস্থিত।

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দৈনিক ৫০টি ট্রেন বাংলাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যায়। দিন রাত সব সবসময় এখানে মানুষের যাতায়াত থাকে। যাত্রীদের সেবাদানের জন্য কমলাপুর স্টেশনে শতাধিক এবং বিভিন্ন বিভাগে বহুসংখ্যক কর্মচারি কর্মরত। এরপরও নানা সমস্যায় জর্জরিত কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। যাত্রী বেড়েছে বহুগুণ। কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন এর বর্তমান জায়গাটি ছিল বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত। লোকজনের বসবাস ছিল না। নিচু জমি ভরাট করে মানুষ গড়ে তুলতে থাকে বসতি।

পূর্ব দিকের মানুষ মতিঝিল আসা-যাওয়া করে এ রেল লাইনের ওপর দিয়ে। রেল রাস্তা পারাপারের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য রেল লাইনের ওপর গড়ে তোলা হয় ওভারব্রিজ। বাংলাদেশের এটাই সর্ববৃহৎ রেল ওভারব্রিজ। তবে সেই ওভারব্রিজের সৌন্দর্য আর নেই। বর্তমানে বর্ধিত আকারে রিমডেলিংয়ের কাজ চলছে। বর্তমানে রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ চলছে।

সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজার ভ্রমন বৃত্তান্ত : টেকনাফ,

সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজার ভ্রমন বৃত্তান্ত
আমাদের যাত্রা শুরু হয় আরামবাগ হতে। আমরা মোট ৮ জন যাত্রাসঙ্গী নিয়ে সেন্টমার্টিন পরিবহনের অশোক লেল্যান্ড এসিতে করে টেকনাফের উদ্দ্যেশ্যে রাত সাড়ে আটটায় যাত্রা করলাম। বাস চালক খুবই বুদ্ধিমত্তা ও তার স্কিল প্রয়োগ করে অত্যন্ত স্পিডে চালান যা আমরা কল্পনাও করিনাই। সকাল ৭ টায় আমরা টেকনাফ পৌছিয়ে যাই।

টেকনাফ গিয়ে আমরা কেয়ারী ঘাট হতে ৫৫০ টাকা দিয়ে কেয়ারী সিনবাদ এর স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটি। এরপর ঘাট হতেই সকালের নাস্তা করি যা আহামরি কিছু ছিল না। শুধু পেট ভরার জন্যেই খাওয়া আরকি।

৯ টায় শীপে চড়ে বসি ও ঠিক সাড়ে নয়টায় আমাদের শীপ ছেড়ে দেয়। একে একে চারটি শীপ প্রথমে গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজ, এরপর বে ক্রুজ এরপর কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইন এবং সব শেষে কেয়ারী সিনবাদ সেন্টমার্টিন এর উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করে৷ যাত্রাপথে যদি আপনি শীপের বাহিরে দাড়ান তবে আপনি সত্যিই খুব মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখতে পারবেন। এক পাশে মিয়ানমারের দৃশ্য আরেক পাশে বাংলাদেশ ও মাঝে আব্দুল জলিল দ্বীপ৷ আবার অনেকে শীপের সাথে চলতে থাকা গাংচীলদের চিপস বা বিস্কুট খাওয়ায়।
২-২.৩০ ঘন্টার মধ্যেই শীপ সেন্টমার্টিনে পৌছাবে। পৌছিয়েই টলটলা নীল পানির ঢেউ জেটিতে আছড়ে পড়ার দৃশ্য দেখেই আপনার মন ভরে যাবে৷ আমাদের রুম বুক করা ছিল সী ফাইন্ড রিসোর্টে। যা পূর্ব বীচে অবস্থিত। রিসোর্ট এর দুই রুম ৩২০০ টাকা নিয়েছে। নতুন রিসোর্ট হওয়ায় সবই ভাল লেগেছে৷ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর সাড়ে তিনটার দিকে আমরা কোরাল মাছ ভাজা দিয়ে প্যাকেজ ভাত খাই। প্যাকেজে ছিল আনলিমিটেড ডাল, ভাত, সবজি, আলু ভর্তা ও এক পিছ কোরাল ভাজা। প্যাকেজ মূল্য ছিল ১২০ টাকা৷ ভাত খেয়ে আমরা সাইকেল ভাড়া করি ৩০ টাকা ঘন্টায় । সাইকেল ভাড়া করে আমরা পপশ্চিম বীচে যাই। এরপর গলাচিপায় যাই ও সেখানে ডাব কিনে সূর্যাস্ত উপভোগ করি। সন্ধ্যায় এক হোটেলে কোরাল মাছের বার বি কিউ এর অর্ডার দিয়ে আমরা সাইকেল জমা দিয়ে আবার পশ্চিম বীচে এসে দাপাদাপি করি রাত আটটা পর্যন্ত। এরপর রুমে গিয়ে আবার ফ্রেশ হয়ে রাত নয়টায় হোটেলে যাই বার বি কিউ খেতে। বার বি কিউ খেয়ে রাতে জেটি ঘাটে আড্ডা দেওয়া কেউ মিস কইরেন না। এত বাতাসের সাথে ঢেউএর আছড়ে পরার শব্দ সত্যই অপূর্ব। এরপর হোটেল এ গিয়ে ঘুমাই।

সকালে ভোরে উঠে আমাদের সঙ্গী Mahbubur Rahman Rifat Mustafiz Shadhin ও সাদিক ভাই বীচে সূর্যোদয় দেখতে যায়। ক্লান্ত থাকার কারনে আমরা বাকীরা যেতে পারি নাই। তবে ঘুম থেকে উঠে সাড়ে আটটায় আমরা সবাই লাইফবোটে করে ছেড়া দ্বীপ যাই। ছেড়াদ্বীপ ভাড়া জনপ্রতি ১৮০ করে নিয়েছে লাইফবোটে। ১ ঘন্টা সময় থাকতে দেয়। তবে আমরা ছেড়াদ্বীপ এ প্রায় দেড় ঘন্টা ছিলাম। আমাদের কিছুই বলে নাই। ছেড়াদ্বীপ থেকে আসার সময়ই দেখলাম সব জাহাজ আবার জেটিতে একে একে ভিড়ছে ও যাত্রী নামাচ্ছে। ঘাটে এসে এবার সুন্দরী মাছ দিয়ে প্যাকেজ ভাত খেলাম যার মূল্য ওই ১২০ টাকাই রেখেছিল৷ এরপর জুম্মার নামাজ পড়ে হোটেল ছেড়ে দিয়ে জাহাজে চড়ে সাড়ে পাচটায় টেকনাফ এসে পড়লাম।

এরপর কক্সবাজার পর্ব।

টেকনাফ হতে ১৫০ টাকা জনপ্রতি দিয়ে স্পেশাল বাসে উঠলাম কক্সবাজারের উদ্দ্যেশ্যে। বাস ভাল ছিল বাট সীট চাপা ও ছোট ছিল। কোথাও থামায় ও নাই, লোক ও নেয় নাই। বাট ৪ জায়গায় চেকপয়েন্ট এ বাস দাড়া করিয়ে খালি লাগেজ ডালা খুলেছিল।
নয়টায় আমরা কক্সবাজার লাবনী বীচ এরিয়ায় পৌছিয়ে যাই। এবার আবার আমাদের ভ্রমনসঙ্গী রাকিব ভাইয়ের খেল দেখানোর পালা। তিনি কক্সবাজারের ছেলে হওয়ায় তিনি ও তার স্থানীয় বন্ধুরা মিলে আমাদের আটজনের জন্যে ১৩০০ টাকায় দুই রুম বুক করেন পরের দিন রাত ১০ টা পর্যন্ত। রুম মোটামুটি মানের ছিল। এরপর আমরা ৭ জন মিলে (রাকিব ভাইয়ের বাসা পাশে হওয়ায় তিনি বাসায় চলে যান মা বাবার সাথে দেখা করতে) হোটেল নিরিবিলি তে ডিনার করি ভর্তা ও সবজির সহযোগে। খাবার অত ভাল লাগেনাই। বাট বিল আসে ৯০০ টাকা। এরপর রাতে ১ টা পর্যন্ত বীচে গিয়ে শুয়ে থেকে আবার হোটেল এ আসি ও ঘুমিয়ে যাই।
পরের দিন সকালে আবার সেই স্বাধীন ভাই, রিফাত ও সাদিক ভাই শুধু বীচে গিয়ে সূর্যোদয় দেখে আসে। আমরা ৮ টার দিকে উঠে নাস্তা করে সাদিক ভাইকে বিদায় দেই। তিনি তার কাজে চিটাগাং চলে যান।

এরপর আমরা ৬ নং ঘাটে যাই মহেশখালী এর স্পীডবোট ধরতে। ঘাটে যাওয়া আসা মিলিয়ে প্রতিবার ৫ টাকা করে ১০ টাকা জনপ্রতি টোল দিতে হয়। আমরা জনপ্রতি ৭৫ টাকা করে স্পীডবোটে উঠে মহেশখালী যাই। ১৫ মিনিটে মহেশখালী যাওয়া যায়। বাট খুব ভয় লাগে যাইতে। আমাদের Shawon Mazumder ভাই তো যাওয়া আসা দুইবারই স্পীডবোটে বিভিন্ন থ্রিলিং নেওয়ার উদ্ভট চেষ্টা করায় ওখানকার স্থানীয় লোকদের কাছে ধমকই খেল। যাই হোক স্থানীয় জেটী ঘাটে পৌছানোর পর অটো ভাড়া করতে গিয়ে তো মাথায়ই হাত। অটো ১৫০০-১০০০ করে চায় মহেশখালী ঘোরাতে। পরে একটু সামনে এসে ৪০০ টাকায় অটো ঠিক করে আমাদের Shohidul Islam ভাই। আমরা সেখানে স্বর্ণমন্দির, অদিনাথের মন্দির, নতুন জেটি ও আরেকটি মন্দির ঘুরি। এদের মধ্যে আদিনাথ মন্দির ও নতুন জেটিটা আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছে। আবার আমাদের শাওন ভাই ভিতরে গিয়ে পূজাও দিয়ে এলেন এখানে। এরপর আবার আমরা পুরাতন জেটিতে গিয়ে স্পীড বোট নিয়ে আবার ৭৫ টাকা করে ভাড়া দিয়ে কক্সবাজার ফেরত আসলাম সাড়ে ১২ টার দিকে।
কক্সবাজার এসে সরাসরি পঊশী রেস্তোরাঁয় গিয়ে ভর্তা ও রূপচাদা মাছ সহযোগে লাঞ্চ করলাম। খাবার খুবই ভাল ছিল যা বলার মত না। বিলও আসে আমাদের ৬ জনের ৩০০০ টাকা। এরপর খাবার খেয়ে আমরা ইনানী ও হিমছড়ির জন্যে গ্যাসের একটা অটো ঠিক করি ৮০০ টাকায়। এটা অন্য অটোর চাইতে স্পীডে চলে। আমরা ইনানী বীচে গিয়ে দেখি মানুষ কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা বা লাবনী বীচের চাইতে অনেক কম। তাই সেখানে নিজেদের প্রাইভেট বীচ বানিয়ে মাতামাতি করি প্রায় ১ ঘন্টা। আমাদের Kawsar Ahmed তো ওখানে তার গার্লফ্রেন্ডের নাম বালীতে লিখে টিখে একদম বেদাকিচ্ছিরি অবস্থা। আমরা সেখান থেকে এরপর হীমছড়ির পাহাড়ের উপর হতে সূর্যাস্ত উপভোগ করি এবং সন্ধ্যায় বার্মিজ মার্কেট এ গিয়ে কেনাকাটা করে ৯ টায় রুমে এসে পড়ি। এরপর তুবা লাইনের আনকাই এসি হাইডেক বাসে করে রাত দশটায় ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দেই এবং সকাল সাড়ে সাতটায় কমলাপুর পৌছানোর মাধ্যমে আমাদের ট্যুর শেষ হয়।

সতর্কতা – সেন্টমার্টিন দ্বীপে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা আছে। ওইখান ছাড়া ময়লা ফেলবেন না৷ ছেড়াদ্বীপে ডাব খেয়ে ডাব ওয়ালার কাছেই ময়লা রেখে আসবেন। শীপে যাতায়াতের সময় সমুদ্রে ময়লা কাগজ, চিপসের প্যাকেট ফেলবেন না। ওগুলো ফেলার জন্যে নির্দিষ্ট জায়গা আছে শীপে। আর শীপের পাইলট ও বার বার মাইকে এই অনুরোধ করবে। অবশ্যই মানবেন। আর শীপের পাইলট কিছুক্ষন পর পর যেসব নির্দেশনা দিবেন মাইকে তা মানার জন্যে চেষ্টা করবেন। ধন্যবাদ।

#credit: atik vai

গোলাপ গ্রাম : সাভারের সাদুল্লাহপুর শ্যাম্পুরে

গোলাপ গ্রাম সাভারের সাদুল্লাহপুর শ্যাম্পুরে

 

ঢাকা বাংলাদেশের প্রানকেন্দ্র। ঢাকা শহর থেকেই মূলত সারাদেশে গোলাপের বাজার ছড়িয়ে গেছে। এই গোলাপের যোগান দেয় কারা??

আমরা হয়ত কখনো জানার চেষ্টা করিনি। ঢাকা শহরের বেশিরভাগ গোলাপ আসে সাভারের শ্যাম্পুরের সাদুল্লাহপুর থেকেই। গোলাপের চাষ চলে আসছে গত ২৫-৩০ বছর ধরে। কেউ কেউ বলেছে হয়ত আরও বেশি হতে পারে। কেউই নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছেন না।
তবে সবাই নিশ্চিত করেছেন, তারা ছোট বেলা থেকেই গোলাপের চাষ দেখে আসছেন। কেউ কেউ নিজেরাও গোলাপের চাষ করে আসছেন বহু বছর ধরে। গোলাপ গ্রামের বিস্তারিত ভিডিওতে আছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, আপনারা কিভাবে সেখানে যাবেন?
ঢাকা শহরের মিরপুর ১ থেকে মোহনা বাসে করে চলে যাবেন দিয়াবাড়ি ঘাটে। মোহনা বাসের হেল্পারকে জিজ্ঞেস করলেই জানিয়ে দেবে। ভাড়া নেবে ৫ টাকা।

বাস থেকে নেমে ঘাটে যেয়ে নৌকা বা ট্রলার দিয়ে চলে যাবেন সাদুল্লাহপুর বাজার। ট্রলারে জনপ্রতি ২৫ টাকা ভাড়া নেবে। নৌকায় আরো বেশি নেবে। তবে ট্রলারে যাওয়াটাই ভাল। সময়ও কম লাগবে।

বাজারে নেমে আপনি চারপাশ হাটলেই পেয়ে যাবেন গোলাপ চাষের সন্ধান।
অথবা, ইজিবাইকে করে যেতে পারেন। ইজিবাইক চালককে বললেই নিয়ে যাবে। ইজিবাইকে ভাড়া নিবে ৫০/৬০ টাকা। যদি ৬/৭ জন যান।
হেটে যাওয়াটাই ভাল। তবে হেটে যাবার সময় লোকজনের কাছে জিজ্ঞেস করে যেতে হবে।

তারপর, হারিয়ে যাবেন গোলাপগ্রামে। চারপাশে কেবল গোলাপ আর গোলাপ।

লেখাটা ভাল লাগলে শেয়ার দিতে ভুলে যাবেন না। আপনার শেয়ারের কারণে হয়ত অন্য কেউ ঘুরে আসতে পারে।
প্রয়োজনে ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।
ধন্যবাদ।